শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

কুষ্টিয়ায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৪ 

#
news image

কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়া শহর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন (৬৫), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু (৪৫), সদর থানা যুবদলের কর্মী সাইদুল ইসলাম (৪০) ও বিএনপির কর্মী যুবরাজ (৪৫)।  আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সোহেল রানা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে ৮ জুন (শনিবার) বিকেলে সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট সর্দারপাড়া এলাকায় অনুমতি না নিয়ে কর্মসূচির আয়োজন করলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় পরদিন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাহেব আলী বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে ককটেল বোমা হেফাজতে রেখে আত্মঘাতমূলক ও জীবননাশের চেষ্টার অপরাধে মামলা হয়েছে। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। 

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার জানান, গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকা থেকে কুতুব উদ্দিন, রিন্টু ও সাইদুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর যুবরাজকে শহরের ছয় রাস্তার মোড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তবে তাঁদের মধ্যে বিএনপির নেতা রিন্টু মামলার এজাহারনামীয় আসামি। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শেখ সোহেল রানা জানান, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারনামীয় আসামি বাদে বাকিদের একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে মামলার প্রধান আসামি সাদিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সদর উপজেলার কবুরহাট মিয়াপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।

মোঃ জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া

২৯ জুন, ২০২৪,  5:11 PM

news image

কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়া শহর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন (৬৫), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু (৪৫), সদর থানা যুবদলের কর্মী সাইদুল ইসলাম (৪০) ও বিএনপির কর্মী যুবরাজ (৪৫)।  আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সোহেল রানা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে ৮ জুন (শনিবার) বিকেলে সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট সর্দারপাড়া এলাকায় অনুমতি না নিয়ে কর্মসূচির আয়োজন করলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় পরদিন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাহেব আলী বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে ককটেল বোমা হেফাজতে রেখে আত্মঘাতমূলক ও জীবননাশের চেষ্টার অপরাধে মামলা হয়েছে। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। 

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার জানান, গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকা থেকে কুতুব উদ্দিন, রিন্টু ও সাইদুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর যুবরাজকে শহরের ছয় রাস্তার মোড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তবে তাঁদের মধ্যে বিএনপির নেতা রিন্টু মামলার এজাহারনামীয় আসামি। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শেখ সোহেল রানা জানান, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারনামীয় আসামি বাদে বাকিদের একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে মামলার প্রধান আসামি সাদিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সদর উপজেলার কবুরহাট মিয়াপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।