শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

পার্বত্য চট্টগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক

#
news image

প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও নববর্ষের ছুটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। এ বছরও ঈদুল ফিতর ও নববর্ষের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি ছিলো পাহাড়ি এলাকায়। এবার ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ মিলে ১০ দিনের ছুটিতে চাকরিজীবীরা অনেকে ঘুরতে আসেন পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেকে।

ঈদুল ফিতরের সঙ্গে বাংলা নববর্ষ ও পাহাড়ের অন্যতম সামাজিক উৎসব বৈসাবি একই সময়ে হওয়ায় দেশ বিদেশের ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটে খাগড়াছড়ি জেলায়। রাঙামাটির রয়েল সাজেক রিসোর্টের পরিচালক জিয়াউল হক জানান, ঈদের আগে ও পরে মিলে রিসোর্টের সব রুম বুকিং ছিলো । ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং রয়েছে। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম জানান, ঈদুল ফিতর ও বৈশাখীর ছুটি মিলে দারুণ ব্যস্ততায় সময় কাটছে সাজেকের ব্যবসায়ীদের।    

খাগড়াছড়ির আবাসিক হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপক সীমা চাকমা জানান, পুরো রমজান মাস জুড়ে হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় ছিল। ঈদুল ফিতরের জন্য যারা রমজানের মধ্যে বুকিং দিয়েছেন  তারাও এ অফার পেয়েছেন । খাগড়াছড়ি জিপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেবনাথ জানান, ঈদুল ফিতর, বৈশাখী ও বৈসাবি উৎসব ঘিরে খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হয়েছে এ বছর।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, বিনোদন কেন্দ্র ছাড়াও এলাকা ভিত্তিক পুলিশের টহল রয়েছে ঈদ, বৈসাবি ও বৈশাখকে ঘিরে। খাগড়াছড়িতে আগত পর্যটকরা যেন নির্বিঘ্নে ঘুরাঘুরি করতে পারেন সে লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে।

জাফর আলম, কক্সবাজার

১৫ এপ্রিল, ২০২৪,  1:20 PM

news image

প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও নববর্ষের ছুটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। এ বছরও ঈদুল ফিতর ও নববর্ষের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি ছিলো পাহাড়ি এলাকায়। এবার ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ মিলে ১০ দিনের ছুটিতে চাকরিজীবীরা অনেকে ঘুরতে আসেন পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেকে।

ঈদুল ফিতরের সঙ্গে বাংলা নববর্ষ ও পাহাড়ের অন্যতম সামাজিক উৎসব বৈসাবি একই সময়ে হওয়ায় দেশ বিদেশের ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটে খাগড়াছড়ি জেলায়। রাঙামাটির রয়েল সাজেক রিসোর্টের পরিচালক জিয়াউল হক জানান, ঈদের আগে ও পরে মিলে রিসোর্টের সব রুম বুকিং ছিলো । ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং রয়েছে। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম জানান, ঈদুল ফিতর ও বৈশাখীর ছুটি মিলে দারুণ ব্যস্ততায় সময় কাটছে সাজেকের ব্যবসায়ীদের।    

খাগড়াছড়ির আবাসিক হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপক সীমা চাকমা জানান, পুরো রমজান মাস জুড়ে হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় ছিল। ঈদুল ফিতরের জন্য যারা রমজানের মধ্যে বুকিং দিয়েছেন  তারাও এ অফার পেয়েছেন । খাগড়াছড়ি জিপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেবনাথ জানান, ঈদুল ফিতর, বৈশাখী ও বৈসাবি উৎসব ঘিরে খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হয়েছে এ বছর।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, বিনোদন কেন্দ্র ছাড়াও এলাকা ভিত্তিক পুলিশের টহল রয়েছে ঈদ, বৈসাবি ও বৈশাখকে ঘিরে। খাগড়াছড়িতে আগত পর্যটকরা যেন নির্বিঘ্নে ঘুরাঘুরি করতে পারেন সে লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে।