শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

বেবিচকের জমি বিমানের দখলে - আটকে আছে ভবন নির্মাণ

#
news image

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ৩০ বছর মেয়াদে ৩৮,৬৫৬ বর্গফুট (০.৮৮৭৪ একর) জায়গা বরাদ্দ দেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ২০১৫ সালে মেয়াদ শেষ হলেও জায়গা ছাড়েনি বিমান। এ ছাড়া বিমানের কাছে আট কোটি টাকার বেশি লিজের অর্থ বকেয়া রয়েছে। পাওনা পরিশোধে বিমানকে চার দফায় চিঠি দিয়েও সাড়া পায়নি বেবিচক। এদিকে, লিজের জায়গা ফেরত না পাওয়ায় আটকে আছে বেবিচকের কার্যাদেশ হওয়া একটি ভবনের নির্মাণকাজ। লিজের জায়গা নিয়ে বিরোধ অবসানে গত ৫ মার্চ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও এমডি শফিউল আজিমকে ফের চিঠি দিয়েছে বেবিবক। সংস্থার পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ইসরাত জাহান পান্না ওই চিঠিতে সই করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পে বেবিচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সেন্ট্রাল ইঞ্জিনিয়ারিং মেইন্টেন্যান্স অ্যান্ড স্টোর ইউনিট (সেমসু) রয়েছে। বেবিচকের পুরাতন সদর দপ্তরের পিছনে বিমানকে ইজারা দেওয়া জায়গায় ইতোমধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেমসু অফিস ও স্টোর ভবন নির্মাণের জন্য ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বিমানের নির্মিত ১টি পাকা ভবন, ৩টি টিনশেড আনসার ব্যারাক থাকায় নতুন ভবনের নির্মানকাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এর আগে আরও ৪টি চিঠি দেওয়া হলেও স্থানটি খালি করে বেবিচককে হস্তান্তর করতে বিমান কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করেনি। বকেয়া আট কোটি একুশ লাখ চুয়াল্লিশ হাজার টাকাও পরিশোধ করেনি। বকেয়া টাকা পরিশোধ করে জরুরি ভিত্তিতে ওই স্থানের স্থাপনা অপসারণ করে খালি জায়গা হস্তান্তর করতে বিমানকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নাগরিক প্রতিবেদন

১৮ মার্চ, ২০২৪,  1:20 PM

news image

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ৩০ বছর মেয়াদে ৩৮,৬৫৬ বর্গফুট (০.৮৮৭৪ একর) জায়গা বরাদ্দ দেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ২০১৫ সালে মেয়াদ শেষ হলেও জায়গা ছাড়েনি বিমান। এ ছাড়া বিমানের কাছে আট কোটি টাকার বেশি লিজের অর্থ বকেয়া রয়েছে। পাওনা পরিশোধে বিমানকে চার দফায় চিঠি দিয়েও সাড়া পায়নি বেবিচক। এদিকে, লিজের জায়গা ফেরত না পাওয়ায় আটকে আছে বেবিচকের কার্যাদেশ হওয়া একটি ভবনের নির্মাণকাজ। লিজের জায়গা নিয়ে বিরোধ অবসানে গত ৫ মার্চ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও এমডি শফিউল আজিমকে ফের চিঠি দিয়েছে বেবিবক। সংস্থার পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ইসরাত জাহান পান্না ওই চিঠিতে সই করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পে বেবিচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সেন্ট্রাল ইঞ্জিনিয়ারিং মেইন্টেন্যান্স অ্যান্ড স্টোর ইউনিট (সেমসু) রয়েছে। বেবিচকের পুরাতন সদর দপ্তরের পিছনে বিমানকে ইজারা দেওয়া জায়গায় ইতোমধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেমসু অফিস ও স্টোর ভবন নির্মাণের জন্য ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বিমানের নির্মিত ১টি পাকা ভবন, ৩টি টিনশেড আনসার ব্যারাক থাকায় নতুন ভবনের নির্মানকাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এর আগে আরও ৪টি চিঠি দেওয়া হলেও স্থানটি খালি করে বেবিচককে হস্তান্তর করতে বিমান কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করেনি। বকেয়া আট কোটি একুশ লাখ চুয়াল্লিশ হাজার টাকাও পরিশোধ করেনি। বকেয়া টাকা পরিশোধ করে জরুরি ভিত্তিতে ওই স্থানের স্থাপনা অপসারণ করে খালি জায়গা হস্তান্তর করতে বিমানকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।