শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সিলেটে ২০২৩ সালে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার করেছেন

#
news image

মান অভিমান, পারিবারিক নানা সমস্যা সহ বিষয়কে নিয়ে এক বছরে সিলেটে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এর পেছনে ছিল নানা কারণ। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন। দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের আত্মহত্যার সংবাদ বিশ্লেষণ করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তারা। শনিবার (২৭ জানুয়ারী) সমীক্ষার ফল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়। আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, সব মিলিয়ে গত বছর (২০২৩) দেশে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৫১৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ৩০৯ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থী ২০৪ জন। আত্মহননের পেছনে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই কাজ করেছে অভিমান। সমীক্ষার ফলাফল অনুসারে, গেল বছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪৯টি।

এর পরের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের, এখানে আত্মহত্যা করেছেন ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬৪ জন, বরিশাল ও রংপুর উভয় বিভাগেই ৪৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৩৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী ২২৭ জন, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ১৪০ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৯৮ জন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৮ জন। সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় মূল ভূমিকা রাখছে অভিমান। অভিমানের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কতোটুকু মজবুত তা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক করে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যা করেছিল ৫৩২ জন শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।

 

 

 

আবুল কাশেম রুমন, সিলেট

২৮ জানুয়ারি, ২০২৪,  9:26 AM

news image

মান অভিমান, পারিবারিক নানা সমস্যা সহ বিষয়কে নিয়ে এক বছরে সিলেটে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এর পেছনে ছিল নানা কারণ। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন। দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের আত্মহত্যার সংবাদ বিশ্লেষণ করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তারা। শনিবার (২৭ জানুয়ারী) সমীক্ষার ফল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়। আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, সব মিলিয়ে গত বছর (২০২৩) দেশে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৫১৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ৩০৯ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থী ২০৪ জন। আত্মহননের পেছনে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই কাজ করেছে অভিমান। সমীক্ষার ফলাফল অনুসারে, গেল বছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪৯টি।

এর পরের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের, এখানে আত্মহত্যা করেছেন ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬৪ জন, বরিশাল ও রংপুর উভয় বিভাগেই ৪৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৩৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী ২২৭ জন, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ১৪০ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৯৮ জন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৮ জন। সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় মূল ভূমিকা রাখছে অভিমান। অভিমানের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কতোটুকু মজবুত তা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক করে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যা করেছিল ৫৩২ জন শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।