শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

 নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি, সব দল অংশ না নেয়ায় হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

#
news image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে ফের মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধী দলীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও নির্বাচনের দিনে অনিয়মের বিষয়ে উদ্বেগ জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। 

সাংবাদিক মুশফিক ফজল আনসারি প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে এবং বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মীকে জেলে রেখে অনুষ্ঠিত প্রতারণার নির্বাচনের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কি পদক্ষেপ নেবে? এর আগে আপনি যেমনটা আপনার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছিলেন এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি।

জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনের দিনে অনিয়মের রিপোর্টে আমরা উদ্বিগ্ন। অন্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আমরা দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করি যে, এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় আমরা হতাশ। নির্বাচনের সময় এবং নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে সহিংসতার নিন্দা জানাই আমরা।

সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং স্বচ্ছ তদন্ত, এতে জড়িতদের জবাবদিহিতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারকে আমরা উৎসাহিত করছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার করতে সব দলের প্রতি আহ্বান জানাই।

এরপর অন্য এক প্রশ্নে ম্যাথিউ মিলারের কাছে জানতে চাওয়া হয়- যখন আপনারা বলছেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য হয়নি, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কি টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বীকৃতি দেবে না? জবাবে ম্যাথিউ মিলার ইংরেজিতে দুটি শব্দ উচ্চারণ করেন। তা হলো-‘ নো, নো’।

নাগরিক আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ জানুয়ারি, ২০২৪,  4:27 PM

news image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে ফের মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধী দলীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও নির্বাচনের দিনে অনিয়মের বিষয়ে উদ্বেগ জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। 

সাংবাদিক মুশফিক ফজল আনসারি প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে এবং বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মীকে জেলে রেখে অনুষ্ঠিত প্রতারণার নির্বাচনের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কি পদক্ষেপ নেবে? এর আগে আপনি যেমনটা আপনার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছিলেন এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি।

জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনের দিনে অনিয়মের রিপোর্টে আমরা উদ্বিগ্ন। অন্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আমরা দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করি যে, এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় আমরা হতাশ। নির্বাচনের সময় এবং নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে সহিংসতার নিন্দা জানাই আমরা।

সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং স্বচ্ছ তদন্ত, এতে জড়িতদের জবাবদিহিতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারকে আমরা উৎসাহিত করছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার করতে সব দলের প্রতি আহ্বান জানাই।

এরপর অন্য এক প্রশ্নে ম্যাথিউ মিলারের কাছে জানতে চাওয়া হয়- যখন আপনারা বলছেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য হয়নি, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কি টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বীকৃতি দেবে না? জবাবে ম্যাথিউ মিলার ইংরেজিতে দুটি শব্দ উচ্চারণ করেন। তা হলো-‘ নো, নো’।