শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ভেড়ামারা উপজেলার ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে নিষক্রীয় ॥ জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

#
news image

খেলাধুলা শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। যুব সমাজকে মাদক ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার অন্যতম উপায় খেলাধুলা। গ্রাম পর্যায় থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনার মাধ্যম হলো উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। কিন্তু কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় এরকম কোন উদাহরণ আর নেই। উপজেলা বাসি ভুলে গেছে ক্রীড়া সংস্থার নাম। খেলার ইতিহাসে আশি নব্বই দশক ছিল কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা স্বর্ণযুগ। সেই সময় খেলার মধ্যে শাসন করেছে ভেড়ামারা উপজেলার খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়রা জয় করেছে আন্ত স্কুল থেকে শুরু করে জেলা উপজেলা বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কার।

কিন্তু ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে ভেড়ামারা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নেই কোন উল্লেখযোগ্য পুরস্কার। খেলার মাঠগুলো হয়ে পড়েছে গোচরণ ভূমিতে। উপজেলার যুব সমাজ দিন দিন হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত সহ অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত। ভেড়ামারার প্রবীণ খেলোয়াররা বলেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ১৫-২০ বছর ঝিমিয়ে পড়ে আছে কোন কার্যক্রম নেই। যে মাঠগুলোতে ফুটবলাররা, ক্রিকেট খেলোয়াররা সব সময় থাকতো, এখন কিছুই নাই। সব ছেলেমেয়েরা এখন রাস্তাঘাটে, আড্ডাবাজি এবং মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত।  নাম না প্রকাশে একজন প্রবীণ খেলোয়াড়  বলেন, আমি মনে করি  বর্তমানে ভেড়ামারা উপজেলার ক্রীড়া সংস্থা অচল। ক্রীড়া সংস্থা এই নগরে আছে কিনা আমি একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে বলতে পারিনা। ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার জন্য প্রয়োজন উপজেলার প্রবীণ খেলোয়ারদের সমন্বয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা।

মোঃ জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া

১৩ জানুয়ারি, ২০২৪,  6:52 PM

news image

খেলাধুলা শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। যুব সমাজকে মাদক ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার অন্যতম উপায় খেলাধুলা। গ্রাম পর্যায় থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনার মাধ্যম হলো উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। কিন্তু কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় এরকম কোন উদাহরণ আর নেই। উপজেলা বাসি ভুলে গেছে ক্রীড়া সংস্থার নাম। খেলার ইতিহাসে আশি নব্বই দশক ছিল কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা স্বর্ণযুগ। সেই সময় খেলার মধ্যে শাসন করেছে ভেড়ামারা উপজেলার খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়রা জয় করেছে আন্ত স্কুল থেকে শুরু করে জেলা উপজেলা বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কার।

কিন্তু ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে ভেড়ামারা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নেই কোন উল্লেখযোগ্য পুরস্কার। খেলার মাঠগুলো হয়ে পড়েছে গোচরণ ভূমিতে। উপজেলার যুব সমাজ দিন দিন হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত সহ অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত। ভেড়ামারার প্রবীণ খেলোয়াররা বলেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ১৫-২০ বছর ঝিমিয়ে পড়ে আছে কোন কার্যক্রম নেই। যে মাঠগুলোতে ফুটবলাররা, ক্রিকেট খেলোয়াররা সব সময় থাকতো, এখন কিছুই নাই। সব ছেলেমেয়েরা এখন রাস্তাঘাটে, আড্ডাবাজি এবং মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত।  নাম না প্রকাশে একজন প্রবীণ খেলোয়াড়  বলেন, আমি মনে করি  বর্তমানে ভেড়ামারা উপজেলার ক্রীড়া সংস্থা অচল। ক্রীড়া সংস্থা এই নগরে আছে কিনা আমি একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে বলতে পারিনা। ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার জন্য প্রয়োজন উপজেলার প্রবীণ খেলোয়ারদের সমন্বয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা।