শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

 বাংলাদেশের নির্বাচন গণতান্ত্রিক বা সুষ্ঠু হয়নি: যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য

#
news image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মানদণ্ড অনুযায়ী হয়নি, বলেছে যুক্তরাজ্য। 

সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গণতান্ত্রিক নির্বাচন নির্ভর করে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর। মানবাধিকার, আইনের শাসন ও যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অপরিহার্য উপাদান। বাংলাদেশে এই নির্বাচনের সময় এসব মানদণ্ড ধারাবাহিকভাবে মেনে চলা হয়নি। 

বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সব দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। সে কারণে বাংলাদেশের মানুষের সামনে ভোট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বিকল্প ছিল না।

বিবৃতিতে নির্বাচনের প্রচারণার সময় সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়, রাজনীতিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কোনো স্থান নেই। বিরোধী দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের বিষয়েও আমরা উদ্বিগ্ন।

ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এও বলেছে, দুদেশের ঐতিহাসিক ও গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। একটি টেকসই রাজনৈতিক সমঝোতা ও সক্রিয় নাগরিক সমাজের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে দীর্ঘ মেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি, সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্য করেছে, ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে একমত যে, এই নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ না করা দুঃখজনক। 

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্র, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। 

ওয়াশিংটন এও বলছে, বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়মের খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। নির্বাচনের সময় এবং এর আগের মাসগুলোতে যেসব সহিংসতা ঘটেছে, তা নিন্দনীয়।

এসব সহিংসতার গ্রহণযোগ্য তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সব দলের প্রতি সহিংসতা পরিহারের আহ্বান রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে। 

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

০৯ জানুয়ারি, ২০২৪,  3:56 PM

news image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মানদণ্ড অনুযায়ী হয়নি, বলেছে যুক্তরাজ্য। 

সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গণতান্ত্রিক নির্বাচন নির্ভর করে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর। মানবাধিকার, আইনের শাসন ও যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অপরিহার্য উপাদান। বাংলাদেশে এই নির্বাচনের সময় এসব মানদণ্ড ধারাবাহিকভাবে মেনে চলা হয়নি। 

বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সব দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। সে কারণে বাংলাদেশের মানুষের সামনে ভোট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বিকল্প ছিল না।

বিবৃতিতে নির্বাচনের প্রচারণার সময় সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়, রাজনীতিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কোনো স্থান নেই। বিরোধী দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের বিষয়েও আমরা উদ্বিগ্ন।

ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এও বলেছে, দুদেশের ঐতিহাসিক ও গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। একটি টেকসই রাজনৈতিক সমঝোতা ও সক্রিয় নাগরিক সমাজের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে দীর্ঘ মেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি, সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্য করেছে, ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে একমত যে, এই নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ না করা দুঃখজনক। 

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্র, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। 

ওয়াশিংটন এও বলছে, বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়মের খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। নির্বাচনের সময় এবং এর আগের মাসগুলোতে যেসব সহিংসতা ঘটেছে, তা নিন্দনীয়।

এসব সহিংসতার গ্রহণযোগ্য তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সব দলের প্রতি সহিংসতা পরিহারের আহ্বান রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে।