শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

গাজা যুদ্ধে যৌথ অবস্থান তৈরিতে তুরস্কে রাইসি

#
news image

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি মঙ্গরবার প্রথমবারের মতো তুরস্কে আনুষ্ঠানিক সফর করছেন।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে একটি যৌথ অবস্থান তৈরি করাই তার এই সফরের লক্ষ্য বলে জানা গেছে। গাজা ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িফ এরদোয়ান মুসলিম বিশে^ ইসরায়েলের অন্যতম কট্টর সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি ইসরায়েলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ এবং হামাসকে ‘স্বাধীনতাকামী গ্রুপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু মুসলিম ও আরব নেতৃবৃন্দের বৈঠকে গাজার হামলার বিষয়ে কী ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেয়া হবে সে বিষয়ে কোন ঐকমত্য তৈরি হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধে তুরস্কের ওপর চাপ তৈরি করবেন রাইসি।

ইস্তাম্বুলের সেন্টার ফর ইরানিয়ান স্টাডিজের পরিচালক হাক্কি উইঘুর বলেছেন, ইরান আশা করছে তুরস্ক ইসরায়েলের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বাণিজ্যিক যোগাযোগ বন্ধ করুক। এছাড়া গাজার যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার চেষ্টাও করবেন রাইসি।

এদিকে রাইসির সাথে রোববার টেলিফোনে কথা বলার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরির বিষয়ে তারা আলোচনা করবেন।

এছাড়া ইরান ও তুরস্ক অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী এবং স্থায়ী শান্তি অর্জন নিয়ে একযোগে কাজ করে যাবে বলেও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে।

নাগরিক আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৮ নভেম্বর, ২০২৩,  10:42 PM

news image

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি মঙ্গরবার প্রথমবারের মতো তুরস্কে আনুষ্ঠানিক সফর করছেন।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে একটি যৌথ অবস্থান তৈরি করাই তার এই সফরের লক্ষ্য বলে জানা গেছে। গাজা ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িফ এরদোয়ান মুসলিম বিশে^ ইসরায়েলের অন্যতম কট্টর সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি ইসরায়েলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ এবং হামাসকে ‘স্বাধীনতাকামী গ্রুপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু মুসলিম ও আরব নেতৃবৃন্দের বৈঠকে গাজার হামলার বিষয়ে কী ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেয়া হবে সে বিষয়ে কোন ঐকমত্য তৈরি হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধে তুরস্কের ওপর চাপ তৈরি করবেন রাইসি।

ইস্তাম্বুলের সেন্টার ফর ইরানিয়ান স্টাডিজের পরিচালক হাক্কি উইঘুর বলেছেন, ইরান আশা করছে তুরস্ক ইসরায়েলের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বাণিজ্যিক যোগাযোগ বন্ধ করুক। এছাড়া গাজার যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার চেষ্টাও করবেন রাইসি।

এদিকে রাইসির সাথে রোববার টেলিফোনে কথা বলার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরির বিষয়ে তারা আলোচনা করবেন।

এছাড়া ইরান ও তুরস্ক অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী এবং স্থায়ী শান্তি অর্জন নিয়ে একযোগে কাজ করে যাবে বলেও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে।