শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

রাজশাহীতে ঈদ সেলামি দেওয়ার নাম করে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

#
news image

রাজশাহী মহানগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড় এলাকার সোমবার সকালে এক পুকুর থেকে এই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

এর আগে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অভিযুক্ত যুবককে নাটোর থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁর দেখানো স্থান থেকেই মরদেহ উদ্ধার হয়। রাজশাহী নগর পুলিশের শাহমখদুম জোনের উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শিশুর নাম আনিকা খাতুন (৮)। সে নগরীর রোড নওদাপাড়া এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে। আর অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. পলাশ (২৫)। সে নগরীর বড়বনগ্রাম ভাড়ালিপাড়া মহল্লায় শাহিনের ছেলে। সে এলাকার একটি খাবারের হোটেলের কর্মচারী ছিল পলাশ।

উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী জানান, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঈদ সালামি দেওয়ার নাম করে আনিকাকে ফুসলিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় পলাশ। এরপর ধর্ষণের পর তাকে গলা টিপে হত্যা করে। পরে সুযোগ বুঝে লাশ পুকুরে ফেলে নাটোর পালিয়ে যায়। এদিকে আনিকার খোঁজ না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এলাকার একটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে স্বজনেরা দেখতে পান, পলাশ ওই শিশুকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার বিকেলে আনিকার বাবা আজিম উদ্দিন পলাশের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়েই পলাশের খোঁজে পুলিশের পাঁচটি টিম কাজ শুরু করে। সোমবার ভোরে নাটোর থেকে পলাশকে গ্রেপ্তারের পরই আনিকার মরদেহ পাওয়া যায়।

উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছে। সে ওই শিশুর কানের দুল খুলে নিয়ে এক দোকানে বিক্রি করেছিল। সেটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাদী হচ্ছেন আনিকার বাবা। মামলা দায়েরের পর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

০৩ জুলাই, ২০২৩,  11:09 PM

news image

রাজশাহী মহানগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড় এলাকার সোমবার সকালে এক পুকুর থেকে এই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

এর আগে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অভিযুক্ত যুবককে নাটোর থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁর দেখানো স্থান থেকেই মরদেহ উদ্ধার হয়। রাজশাহী নগর পুলিশের শাহমখদুম জোনের উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শিশুর নাম আনিকা খাতুন (৮)। সে নগরীর রোড নওদাপাড়া এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে। আর অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. পলাশ (২৫)। সে নগরীর বড়বনগ্রাম ভাড়ালিপাড়া মহল্লায় শাহিনের ছেলে। সে এলাকার একটি খাবারের হোটেলের কর্মচারী ছিল পলাশ।

উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী জানান, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঈদ সালামি দেওয়ার নাম করে আনিকাকে ফুসলিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় পলাশ। এরপর ধর্ষণের পর তাকে গলা টিপে হত্যা করে। পরে সুযোগ বুঝে লাশ পুকুরে ফেলে নাটোর পালিয়ে যায়। এদিকে আনিকার খোঁজ না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এলাকার একটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে স্বজনেরা দেখতে পান, পলাশ ওই শিশুকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার বিকেলে আনিকার বাবা আজিম উদ্দিন পলাশের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়েই পলাশের খোঁজে পুলিশের পাঁচটি টিম কাজ শুরু করে। সোমবার ভোরে নাটোর থেকে পলাশকে গ্রেপ্তারের পরই আনিকার মরদেহ পাওয়া যায়।

উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছে। সে ওই শিশুর কানের দুল খুলে নিয়ে এক দোকানে বিক্রি করেছিল। সেটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাদী হচ্ছেন আনিকার বাবা। মামলা দায়েরের পর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।