শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

বিদ্রোহে রুশদের পরস্পরকে হত্যা কামনায় পশ্চিমাদের অভিযুক্ত করেছে পুতিন

#
news image

রাশিয়ার ভাড়াটে ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ চলাকালে রুশ নাগরিকরা ‘একে অপরকে হত্যা করুক’ এমনটা চাওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা মিত্রদের অভিযুক্ত করেছেন। সপ্তাহান্তে মস্কোতে এ বিদ্রোহের ঘটনায় দেশটিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। খবর এএফপি’র।

বিদ্রোহীরা পিছু হটার পর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রথম ভাষণে পুতিন বলেন, তিনি দেশে রক্তপাত এড়াতে আদেশ জারি ও ওয়াগনার যোদ্ধাদের সাধারণ ক্ষমা মঞ্জুর করেন। ওয়াগনার যোদ্ধাদের বিদ্রোহ তার দুই দশকের শাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

পুতিন টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে রাশিয়ার নাগরিকদের ‘দেশপ্রেমের’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনার শুরু থেকেই বড় ধরনের রক্তপাত এড়াতে আমার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।’

পুতিন বলেন, ‘এটা ঠিক যে রাশিয়ার শত্রুরা ভ্রাতৃহত্যা দেখতে চেয়েছিল। কিয়েভের নব্য-নাৎসি ও তাদের পশ্চিমা পৃষ্ঠপোষক এবং দেশের বিশ্বাসঘাতকরা চেয়েছিল রুশ সৈন্যরা একে অপরকে হত্যা করুক।’

পুতিন এক বৈঠকে সশস্ত্র বিদ্রোহ চলাকালে তার দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাজের জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। আর ওয়াগনার গ্রুপের এই বিদ্রোহের প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু।

পুতিন বলেন, এখন ওয়াগনার যোদ্ধারা রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বা বেলারুশে চলে যেতে বা এমনকি তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

২৭ জুন, ২০২৩,  2:29 PM

news image

রাশিয়ার ভাড়াটে ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ চলাকালে রুশ নাগরিকরা ‘একে অপরকে হত্যা করুক’ এমনটা চাওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা মিত্রদের অভিযুক্ত করেছেন। সপ্তাহান্তে মস্কোতে এ বিদ্রোহের ঘটনায় দেশটিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। খবর এএফপি’র।

বিদ্রোহীরা পিছু হটার পর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রথম ভাষণে পুতিন বলেন, তিনি দেশে রক্তপাত এড়াতে আদেশ জারি ও ওয়াগনার যোদ্ধাদের সাধারণ ক্ষমা মঞ্জুর করেন। ওয়াগনার যোদ্ধাদের বিদ্রোহ তার দুই দশকের শাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

পুতিন টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে রাশিয়ার নাগরিকদের ‘দেশপ্রেমের’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনার শুরু থেকেই বড় ধরনের রক্তপাত এড়াতে আমার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।’

পুতিন বলেন, ‘এটা ঠিক যে রাশিয়ার শত্রুরা ভ্রাতৃহত্যা দেখতে চেয়েছিল। কিয়েভের নব্য-নাৎসি ও তাদের পশ্চিমা পৃষ্ঠপোষক এবং দেশের বিশ্বাসঘাতকরা চেয়েছিল রুশ সৈন্যরা একে অপরকে হত্যা করুক।’

পুতিন এক বৈঠকে সশস্ত্র বিদ্রোহ চলাকালে তার দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাজের জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। আর ওয়াগনার গ্রুপের এই বিদ্রোহের প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু।

পুতিন বলেন, এখন ওয়াগনার যোদ্ধারা রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বা বেলারুশে চলে যেতে বা এমনকি তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন।