শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

সার্বিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ

#
news image

সার্বিয়ায়  হাজার হাজার লোক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।

মে মাসে জনগণের ওপর হামলায় ১৮ জন নিহত হওয়ার পর ‘সার্বিয়া এগনেইস্ট ভায়োলেন্স’ নাম দিয়ে শনিবার সর্বশেষ গণবিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়।।
রাজধানী ছাড়াও বলকান দেশটির আরো তিন বৃহৎ শহর নোভি সাদ, ক্রাগুজেভাক ও নিসেতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। দুই দশক আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শক্তিশালী নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর এটিই সর্বশেষ বৃহত্তম সমাবেশ।

ইউরোপপন্থী কয়েকটি বিরোধী পার্টি এ বিক্ষোভের আয়োজন করে। সরকার এবং তার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় সহিংসতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বেলগ্রেডে সমাবেশে অংশ নেয়া সাংবাদিক সিমিজান বানজাক বলেছেন, হয় সহিংসতা বন্ধ হবে, না হয় সার্বিয়া বন্ধ হবে। তিনি আরো বলেন, এটি মৌলবাদ নয়, শিশুদের রক্ষায়, তাদের বেড়ে ওঠা নিরাপদ করতে এটি আমাদের কান্না। বিক্ষোভকারীরা চায়, সরকার সহিংস কনটেন্ট প্রচারকারী টেলিভিশনের লাইসেন্স বাতিল করুক। তারা আরো চাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ।

প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক এ বিক্ষোভকে রাজনৈতিক স্টান্ট হিসেবে উল্লেখ করে একে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সমাবেশ আয়োজনে বিদেশী শক্তির মদদের সমালোচনা করেছেন।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

১৮ জুন, ২০২৩,  3:40 PM

news image

সার্বিয়ায়  হাজার হাজার লোক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।

মে মাসে জনগণের ওপর হামলায় ১৮ জন নিহত হওয়ার পর ‘সার্বিয়া এগনেইস্ট ভায়োলেন্স’ নাম দিয়ে শনিবার সর্বশেষ গণবিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়।।
রাজধানী ছাড়াও বলকান দেশটির আরো তিন বৃহৎ শহর নোভি সাদ, ক্রাগুজেভাক ও নিসেতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। দুই দশক আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শক্তিশালী নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর এটিই সর্বশেষ বৃহত্তম সমাবেশ।

ইউরোপপন্থী কয়েকটি বিরোধী পার্টি এ বিক্ষোভের আয়োজন করে। সরকার এবং তার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় সহিংসতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বেলগ্রেডে সমাবেশে অংশ নেয়া সাংবাদিক সিমিজান বানজাক বলেছেন, হয় সহিংসতা বন্ধ হবে, না হয় সার্বিয়া বন্ধ হবে। তিনি আরো বলেন, এটি মৌলবাদ নয়, শিশুদের রক্ষায়, তাদের বেড়ে ওঠা নিরাপদ করতে এটি আমাদের কান্না। বিক্ষোভকারীরা চায়, সরকার সহিংস কনটেন্ট প্রচারকারী টেলিভিশনের লাইসেন্স বাতিল করুক। তারা আরো চাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ।

প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক এ বিক্ষোভকে রাজনৈতিক স্টান্ট হিসেবে উল্লেখ করে একে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সমাবেশ আয়োজনে বিদেশী শক্তির মদদের সমালোচনা করেছেন।