শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সার্বিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ

#
news image

সার্বিয়ায়  হাজার হাজার লোক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।

মে মাসে জনগণের ওপর হামলায় ১৮ জন নিহত হওয়ার পর ‘সার্বিয়া এগনেইস্ট ভায়োলেন্স’ নাম দিয়ে শনিবার সর্বশেষ গণবিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়।।
রাজধানী ছাড়াও বলকান দেশটির আরো তিন বৃহৎ শহর নোভি সাদ, ক্রাগুজেভাক ও নিসেতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। দুই দশক আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শক্তিশালী নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর এটিই সর্বশেষ বৃহত্তম সমাবেশ।

ইউরোপপন্থী কয়েকটি বিরোধী পার্টি এ বিক্ষোভের আয়োজন করে। সরকার এবং তার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় সহিংসতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বেলগ্রেডে সমাবেশে অংশ নেয়া সাংবাদিক সিমিজান বানজাক বলেছেন, হয় সহিংসতা বন্ধ হবে, না হয় সার্বিয়া বন্ধ হবে। তিনি আরো বলেন, এটি মৌলবাদ নয়, শিশুদের রক্ষায়, তাদের বেড়ে ওঠা নিরাপদ করতে এটি আমাদের কান্না। বিক্ষোভকারীরা চায়, সরকার সহিংস কনটেন্ট প্রচারকারী টেলিভিশনের লাইসেন্স বাতিল করুক। তারা আরো চাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ।

প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক এ বিক্ষোভকে রাজনৈতিক স্টান্ট হিসেবে উল্লেখ করে একে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সমাবেশ আয়োজনে বিদেশী শক্তির মদদের সমালোচনা করেছেন।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

১৮ জুন, ২০২৩,  3:40 PM

news image

সার্বিয়ায়  হাজার হাজার লোক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।

মে মাসে জনগণের ওপর হামলায় ১৮ জন নিহত হওয়ার পর ‘সার্বিয়া এগনেইস্ট ভায়োলেন্স’ নাম দিয়ে শনিবার সর্বশেষ গণবিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়।।
রাজধানী ছাড়াও বলকান দেশটির আরো তিন বৃহৎ শহর নোভি সাদ, ক্রাগুজেভাক ও নিসেতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। দুই দশক আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শক্তিশালী নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর এটিই সর্বশেষ বৃহত্তম সমাবেশ।

ইউরোপপন্থী কয়েকটি বিরোধী পার্টি এ বিক্ষোভের আয়োজন করে। সরকার এবং তার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় সহিংসতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বেলগ্রেডে সমাবেশে অংশ নেয়া সাংবাদিক সিমিজান বানজাক বলেছেন, হয় সহিংসতা বন্ধ হবে, না হয় সার্বিয়া বন্ধ হবে। তিনি আরো বলেন, এটি মৌলবাদ নয়, শিশুদের রক্ষায়, তাদের বেড়ে ওঠা নিরাপদ করতে এটি আমাদের কান্না। বিক্ষোভকারীরা চায়, সরকার সহিংস কনটেন্ট প্রচারকারী টেলিভিশনের লাইসেন্স বাতিল করুক। তারা আরো চাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ।

প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক এ বিক্ষোভকে রাজনৈতিক স্টান্ট হিসেবে উল্লেখ করে একে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সমাবেশ আয়োজনে বিদেশী শক্তির মদদের সমালোচনা করেছেন।