শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ফরিদপুরে বাবাকে হত্যায় দায়ে মেয়ের ফাঁসি; মায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

#
news image

ফরিদপুরে দ্বিতীয় বিয়ে করার বিরোধে পিতা হাফেজ আবুল বাশারকে (৬০) গলা কেটে হত্যার দায়ে ছোট মেয়ে নিলুফা আক্তারকে (৩২) ফাঁসি, স্ত্রী সাহিদা পারভীন (৫৮) ও বড় মেয়ে হাফিজা বেগমকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

(২৫ মে) বৃহস্পতিবার ফরিদপুর জজ কোর্টের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। তাদেরকে পুলিশ প্রহরায় জেলা হাজতে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামের মৃত হাফেজ আবুল বাশার তার প্রথম স্ত্রী সাহিদা পারভীনের সঙ্গে ফরিদপুর শহরের আলীপুরের প্রামাণিক পাড়ায় ভাড়া থাকতেন। পরে আবুল বাশার দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা হতো না। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিরোধের মধ্যে আবুল বাশার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তার গ্রামের বাড়ি সালথায় বসবাস করতেন ও প্রথম স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন। ঘটনার দিন ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আবুল বাশার তার প্রথম স্ত্রীর সাহিদার আলীপুরের বাসায় আসলে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে স্ত্রী সাহিদা পারভীন, বড় মেয়ে হাফিজা বেগম ও ছোট মেয়ে নিলুফা আক্তারের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবুল বাশারকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ দিয়ে নিস্তেজ করে কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে ও পরবর্তীতে বটি দিয়ে গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে এ ঘটনায় আবুল বাশারের ভাই লোকমান ফকির, ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী মৃধা বলেন, আদালত ৩০২/৩৪ ধারায় আসামি নিলুফা আক্তারকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং স্ত্রী সাহিদা পারভীন ও অপর মেয়ে হাফিজা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ও সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর)

২৫ মে, ২০২৩,  11:03 PM

news image

ফরিদপুরে দ্বিতীয় বিয়ে করার বিরোধে পিতা হাফেজ আবুল বাশারকে (৬০) গলা কেটে হত্যার দায়ে ছোট মেয়ে নিলুফা আক্তারকে (৩২) ফাঁসি, স্ত্রী সাহিদা পারভীন (৫৮) ও বড় মেয়ে হাফিজা বেগমকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

(২৫ মে) বৃহস্পতিবার ফরিদপুর জজ কোর্টের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। তাদেরকে পুলিশ প্রহরায় জেলা হাজতে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামের মৃত হাফেজ আবুল বাশার তার প্রথম স্ত্রী সাহিদা পারভীনের সঙ্গে ফরিদপুর শহরের আলীপুরের প্রামাণিক পাড়ায় ভাড়া থাকতেন। পরে আবুল বাশার দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা হতো না। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিরোধের মধ্যে আবুল বাশার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তার গ্রামের বাড়ি সালথায় বসবাস করতেন ও প্রথম স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন। ঘটনার দিন ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আবুল বাশার তার প্রথম স্ত্রীর সাহিদার আলীপুরের বাসায় আসলে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে স্ত্রী সাহিদা পারভীন, বড় মেয়ে হাফিজা বেগম ও ছোট মেয়ে নিলুফা আক্তারের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবুল বাশারকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ দিয়ে নিস্তেজ করে কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে ও পরবর্তীতে বটি দিয়ে গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে এ ঘটনায় আবুল বাশারের ভাই লোকমান ফকির, ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী মৃধা বলেন, আদালত ৩০২/৩৪ ধারায় আসামি নিলুফা আক্তারকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং স্ত্রী সাহিদা পারভীন ও অপর মেয়ে হাফিজা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ও সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।