শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী, চাপে এরদোগান

#
news image

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এক প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এতে আরো চাপে পড়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। হোমল্যান্ড পার্টির মুহাররেম ইনসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বৃহস্পতিবার। এতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কেমাল কিলিচদারোগলুর অবস্থান আরো শক্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আল-জাজিরা

জনমত জরিপে বিরোধী জোটের প্রার্থী থেকে এমনিতেই পিছিয়ে আছেন এরদোগান। আগামী রোববার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির ইতিহাসে এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তুরস্কের এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবমিলিয়ে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এরমধ্যে একজন সরে দাঁড়ানোয় আর মাত্র তিনজন এই দৌঁড়ে টিকে রইলেন। কিলিচদারোগলুর মূল লক্ষ্য তুরস্কে এরদোগান ও তার ইসলামপন্থী একেপি দলের ২০ বছরের শাসনের অবসান ঘটানো।

মুহাররেম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমি আমার দেশের জন্য এটা করছি।’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে দৃশ্যত মিথ্যা প্রচারণাকে দায়ী করেছেন তিনি। মুহাররেম বলেন, ‘তুরস্ক আমার সম্মান রক্ষা করতে পারেনি। একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সুনামটা গুরুত্বপূর্ণ।’

কোনো জোটের বাইরে একমাত্র প্রার্থী ছিলেন ৫৯ বছর বয়সী মুহাররেম। নিজের হোমল্যান্ড পার্টিকে রাজনীতিতে ‘তৃতীয় শক্তি’ বলে দাবি করতেন তিনি। মুহাররেম বলেন, ‘তুরস্কের ভবিষ্যতের জন্য হোমল্যান্ড পার্টির প্রয়োজনীয়তা আছে। অবশ্য দলটি পার্লামেন্টে থাকবে। আমি প্রত্যেক পরিবার থেকে হোমল্যান্ড পার্টির জন্য ভোট চাই।’

নির্বাচন নিয়ে গত ৬ ও ৭ মে ৩ হাজার ৪৮০ মানুষের ওপর একটি জরিপ চালায় তুরস্কের স্বাধীন গবেষণা ও পর্যবেক্ষক সংস্থা কোন্ডা। এতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেমাল। ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তাকে নেতৃত্বে দেখতে চান। আর এরদোগানকে সমর্থন করেন ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। তৃতীয় প্রার্থী সিনান ওরগানের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটারের। অপরদিকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো মুহারেম ইনসের প্রতি সমর্থন ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। এই ভোটগুলোর বেশিরভাগ এখন কেমালের পক্ষে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাগরিক ডেস্ক

১২ মে, ২০২৩,  10:08 AM

news image

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এক প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এতে আরো চাপে পড়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। হোমল্যান্ড পার্টির মুহাররেম ইনসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বৃহস্পতিবার। এতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কেমাল কিলিচদারোগলুর অবস্থান আরো শক্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আল-জাজিরা

জনমত জরিপে বিরোধী জোটের প্রার্থী থেকে এমনিতেই পিছিয়ে আছেন এরদোগান। আগামী রোববার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির ইতিহাসে এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তুরস্কের এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবমিলিয়ে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এরমধ্যে একজন সরে দাঁড়ানোয় আর মাত্র তিনজন এই দৌঁড়ে টিকে রইলেন। কিলিচদারোগলুর মূল লক্ষ্য তুরস্কে এরদোগান ও তার ইসলামপন্থী একেপি দলের ২০ বছরের শাসনের অবসান ঘটানো।

মুহাররেম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমি আমার দেশের জন্য এটা করছি।’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে দৃশ্যত মিথ্যা প্রচারণাকে দায়ী করেছেন তিনি। মুহাররেম বলেন, ‘তুরস্ক আমার সম্মান রক্ষা করতে পারেনি। একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সুনামটা গুরুত্বপূর্ণ।’

কোনো জোটের বাইরে একমাত্র প্রার্থী ছিলেন ৫৯ বছর বয়সী মুহাররেম। নিজের হোমল্যান্ড পার্টিকে রাজনীতিতে ‘তৃতীয় শক্তি’ বলে দাবি করতেন তিনি। মুহাররেম বলেন, ‘তুরস্কের ভবিষ্যতের জন্য হোমল্যান্ড পার্টির প্রয়োজনীয়তা আছে। অবশ্য দলটি পার্লামেন্টে থাকবে। আমি প্রত্যেক পরিবার থেকে হোমল্যান্ড পার্টির জন্য ভোট চাই।’

নির্বাচন নিয়ে গত ৬ ও ৭ মে ৩ হাজার ৪৮০ মানুষের ওপর একটি জরিপ চালায় তুরস্কের স্বাধীন গবেষণা ও পর্যবেক্ষক সংস্থা কোন্ডা। এতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেমাল। ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তাকে নেতৃত্বে দেখতে চান। আর এরদোগানকে সমর্থন করেন ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। তৃতীয় প্রার্থী সিনান ওরগানের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটারের। অপরদিকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো মুহারেম ইনসের প্রতি সমর্থন ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। এই ভোটগুলোর বেশিরভাগ এখন কেমালের পক্ষে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।