শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ছয় বছর ধরে বিছানায় পিঠ ঠেকাননি  নান্দাইলের নুরুল আমিন

#
news image

জীবন সংগ্রামের পাশাপাশি আরাম-আয়েস তথা বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। বিছানার স্পর্শে তথা বিছানায় পিঠ ঠেকাতে কে না চায় ? সমাজে কথিত আছে গোঁজাও চিৎ হয়ে শুতে চায়। কিন্তুু যদি এমন হয় যে, বিছানায় না শুয়ে বছরের পর বছর পার করে দিচ্ছে! হ্যা, বিষয়টি উদ্ভট হলেও এটাই সত্যি। এমনটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বীরবেতাগৈর ইউনিয়নের চৈতনখালী গ্রামের মো. নুরুল আমিন (৩৮) এর জীবনে।

বিছানায় না শুয়ে দিনরাত দাঁড়িয়ে ও বসে থেকে ছয়টি বছর পার করে দিয়েছেন। তবে দিনের অধিকাংশ সময়ই কাটে তাঁর দাঁড়িয়ে থেকে। ঠিকমতো  খাওয়া-দাওয়া, গোসল ও  নিয়মিত ঘুমান না।  তবে সে নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন পাগল ভাবেন না। নুরুল আমিন জানান, তিনি পাগল না, কিন্তুু সবাই তাকে পাগল বলে কেন তা তিনি জানেন না। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নুরুল আমিনের পিতা আবুল হোসেন বেঁেচ নেই।

তাঁর মা জাহেরা খাতুন একজন মানসিক ভারাসাম্যহীন। পরিবারের ৪ ভাইয়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়। তবে তিনি বিয়ে করেন নি। নুরুল আমিন এরকম ছিল না, ভালোই ছিল তার জীবন। ঢাকায় একটি টেক্সটাইল মিলে চাকুরী করতেন। হঠাৎই তার এমন হলে যে, কোন কাজে মন বসে না। কোন কিছুই তার ভালোলাগে না। সর্বদা ছটপট করে, ঘুম আসেনা। শুয়ে বিশ্রামের চেষ্টা করলেও পারছে না। তাই দাড়িয়ে ও বসেই কাটছে তার জীবন। প্রতিবেশী ও পথচারীসহ উৎসুক মানুষ তার এই দাঁড়িয়ে থাকাটাকে বুঝতে পারেননা। তবে প্রত্যেকরই তার দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে কৌতুহলবশত আলোচনা করেন।

বর্তমানে নরুল আমিনের পরনে কালো লুঙ্গী ও খালি গায়ে জড়ানো রয়েছে কালো চাদর। এক পোশাকেই তিনি থাকতে বেশী পছন্দ করেন। নুরুল আমিনের রয়েছে দাড়ি,গোফ ও মাথায় ঝট বাঁধা লম্বা চুল। নুরুল আমিনের ভাতিজা তরিকুুল ইসলাম বলেন, নুরুল আমিন ৬-৭ বছর ধইরা অসুস্থ। সে দিনরাত সবসময় দাঁড়াইয়া থাহে। রাতেও সে দাঁড়াইয়া ঘুমায়। সে ঠিকমত গোসল করেনা,খায়না। নুরুল আমিনের মামী মঞ্জিলা খাতুন বলেন, অনেক বছর ধইরা নুরুল আমিন বাইরে থাহে, ঘুমায়না।

ঝড়, বৃষ্টি,বাদল শীত সবসময় সে বাইরে থাহে। ঘরে যায়না।দাঁড়াইয়া ঘুমায়।আবার বইসাও ঘুমায়।কোনসময় বইয়া থাহে। এইভাবেই সে বাইরে থাহে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.নয়ন মিয়া বলেন, সমাজের বিত্তশালী মানুষ যদি তার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন তাহলে হয়তো সে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবে।

মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল

০২ মে, ২০২৩,  2:20 PM

news image

জীবন সংগ্রামের পাশাপাশি আরাম-আয়েস তথা বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। বিছানার স্পর্শে তথা বিছানায় পিঠ ঠেকাতে কে না চায় ? সমাজে কথিত আছে গোঁজাও চিৎ হয়ে শুতে চায়। কিন্তুু যদি এমন হয় যে, বিছানায় না শুয়ে বছরের পর বছর পার করে দিচ্ছে! হ্যা, বিষয়টি উদ্ভট হলেও এটাই সত্যি। এমনটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বীরবেতাগৈর ইউনিয়নের চৈতনখালী গ্রামের মো. নুরুল আমিন (৩৮) এর জীবনে।

বিছানায় না শুয়ে দিনরাত দাঁড়িয়ে ও বসে থেকে ছয়টি বছর পার করে দিয়েছেন। তবে দিনের অধিকাংশ সময়ই কাটে তাঁর দাঁড়িয়ে থেকে। ঠিকমতো  খাওয়া-দাওয়া, গোসল ও  নিয়মিত ঘুমান না।  তবে সে নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন পাগল ভাবেন না। নুরুল আমিন জানান, তিনি পাগল না, কিন্তুু সবাই তাকে পাগল বলে কেন তা তিনি জানেন না। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নুরুল আমিনের পিতা আবুল হোসেন বেঁেচ নেই।

তাঁর মা জাহেরা খাতুন একজন মানসিক ভারাসাম্যহীন। পরিবারের ৪ ভাইয়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়। তবে তিনি বিয়ে করেন নি। নুরুল আমিন এরকম ছিল না, ভালোই ছিল তার জীবন। ঢাকায় একটি টেক্সটাইল মিলে চাকুরী করতেন। হঠাৎই তার এমন হলে যে, কোন কাজে মন বসে না। কোন কিছুই তার ভালোলাগে না। সর্বদা ছটপট করে, ঘুম আসেনা। শুয়ে বিশ্রামের চেষ্টা করলেও পারছে না। তাই দাড়িয়ে ও বসেই কাটছে তার জীবন। প্রতিবেশী ও পথচারীসহ উৎসুক মানুষ তার এই দাঁড়িয়ে থাকাটাকে বুঝতে পারেননা। তবে প্রত্যেকরই তার দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে কৌতুহলবশত আলোচনা করেন।

বর্তমানে নরুল আমিনের পরনে কালো লুঙ্গী ও খালি গায়ে জড়ানো রয়েছে কালো চাদর। এক পোশাকেই তিনি থাকতে বেশী পছন্দ করেন। নুরুল আমিনের রয়েছে দাড়ি,গোফ ও মাথায় ঝট বাঁধা লম্বা চুল। নুরুল আমিনের ভাতিজা তরিকুুল ইসলাম বলেন, নুরুল আমিন ৬-৭ বছর ধইরা অসুস্থ। সে দিনরাত সবসময় দাঁড়াইয়া থাহে। রাতেও সে দাঁড়াইয়া ঘুমায়। সে ঠিকমত গোসল করেনা,খায়না। নুরুল আমিনের মামী মঞ্জিলা খাতুন বলেন, অনেক বছর ধইরা নুরুল আমিন বাইরে থাহে, ঘুমায়না।

ঝড়, বৃষ্টি,বাদল শীত সবসময় সে বাইরে থাহে। ঘরে যায়না।দাঁড়াইয়া ঘুমায়।আবার বইসাও ঘুমায়।কোনসময় বইয়া থাহে। এইভাবেই সে বাইরে থাহে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.নয়ন মিয়া বলেন, সমাজের বিত্তশালী মানুষ যদি তার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন তাহলে হয়তো সে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবে।