শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

টুইটার থেকে সংবাদমাধ্যমের আয়ের সুযোগ আসছে

#
news image

সংবাদমাধ্যমের শেয়ার করা সব সংবাদ থেকে আয়ের সুযোগ দিতে চলছেন বলে ইলন মাস্ক শনিবার এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন। বার্তায় তিনি জানান, টুইটারে শুধু ছবি, ভিডিও দেখার পাশাপাশি খবর পড়ার প্রতি মনোযোগি করতেই এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দি হিন্দু ইলন মাস্কের টুইট বার্তার বিবৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আগামী মাস থেকে সংবাদ প্রকাশকদের অর্থাৎ মিডিয়া হাউসগুলোকে প্রতিবেদন পড়ার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হবে।

যদি কোন ব্যবহারকারী কোন সংবাদমাধ্যমের মাসিক গ্রাহক না হন, তাহলে প্রতি প্রতিবেদন পড়ার জন্য তার কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আদায় করা হবে। সে ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের মাসিক গ্রাহকের চাঁদার চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে।’

প্রযুক্তিভিত্তিক ম্যাগাজিন দি ভার্জ এক প্রতিবেদনে জানায়, এই সুবিধা চালু হলে সংবাদমাধ্যম এবং পাঠক উভয়পক্ষেরই সুবিধা হবে বলে মনে করেন মাস্ক। ইতোমধ্যেই একাধিক সংবাদমাধ্যম তাদের নিজস্ব বিশেষ প্রতিবেদন পড়ার জন্য ন্যূনতম মূল্য দিয়ে সাবস্ক্রিপশন চালু দাবি করেছে।

অন্য এক গণমাধ্যম দি স্কাই তাদের প্রতিবেদনে বলেন, টাকা আদায়ের পেছনে মাস্কের যুক্তি হলো, ব্যবহারকারীরা খবর পড়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে যে অর্থ প্রদান করবেন সেই অর্থ ভালো খবর বা প্রতিবেদন তৈরির পিছনে ব্যবহার করবেন প্রকাশকরা। তাতে পাঠকই উপকৃত হবেন এবং তথ্য নির্ভর ও প্রমাণ সমৃদ্ধ লেখার সুযোগ পাবেন।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে ১৭ বছর পর টুইটারের লোগো পরিবর্তন করেছেন মাস্ক। পাখির পরিবর্তে ডগি’র ছবি এনেছেন তিনি।

টুইটারের নতুন লোগোতে যে ডগির মিম ব্যবহার করা হয়েছে তা আসলে ডগিকয়েন নামে এক ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠানের লোগো। যা ২০১৩ সালে ওই প্রতিষ্ঠান ‘ঠাট্টা’ হিসেবে তৈরি করেছিল।

গত বছরের অক্টোবরের ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে টুইটার কেনার পর একাধিক পরিবর্তন করেছেন মাস্ক। এর মধ্যে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। এখন দেখার বিষয়- এই সিদ্ধান্ত কীভাবে নেন নেটিজেনরা।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

০১ মে, ২০২৩,  3:53 PM

news image

সংবাদমাধ্যমের শেয়ার করা সব সংবাদ থেকে আয়ের সুযোগ দিতে চলছেন বলে ইলন মাস্ক শনিবার এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন। বার্তায় তিনি জানান, টুইটারে শুধু ছবি, ভিডিও দেখার পাশাপাশি খবর পড়ার প্রতি মনোযোগি করতেই এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দি হিন্দু ইলন মাস্কের টুইট বার্তার বিবৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আগামী মাস থেকে সংবাদ প্রকাশকদের অর্থাৎ মিডিয়া হাউসগুলোকে প্রতিবেদন পড়ার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হবে।

যদি কোন ব্যবহারকারী কোন সংবাদমাধ্যমের মাসিক গ্রাহক না হন, তাহলে প্রতি প্রতিবেদন পড়ার জন্য তার কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আদায় করা হবে। সে ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের মাসিক গ্রাহকের চাঁদার চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে।’

প্রযুক্তিভিত্তিক ম্যাগাজিন দি ভার্জ এক প্রতিবেদনে জানায়, এই সুবিধা চালু হলে সংবাদমাধ্যম এবং পাঠক উভয়পক্ষেরই সুবিধা হবে বলে মনে করেন মাস্ক। ইতোমধ্যেই একাধিক সংবাদমাধ্যম তাদের নিজস্ব বিশেষ প্রতিবেদন পড়ার জন্য ন্যূনতম মূল্য দিয়ে সাবস্ক্রিপশন চালু দাবি করেছে।

অন্য এক গণমাধ্যম দি স্কাই তাদের প্রতিবেদনে বলেন, টাকা আদায়ের পেছনে মাস্কের যুক্তি হলো, ব্যবহারকারীরা খবর পড়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে যে অর্থ প্রদান করবেন সেই অর্থ ভালো খবর বা প্রতিবেদন তৈরির পিছনে ব্যবহার করবেন প্রকাশকরা। তাতে পাঠকই উপকৃত হবেন এবং তথ্য নির্ভর ও প্রমাণ সমৃদ্ধ লেখার সুযোগ পাবেন।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে ১৭ বছর পর টুইটারের লোগো পরিবর্তন করেছেন মাস্ক। পাখির পরিবর্তে ডগি’র ছবি এনেছেন তিনি।

টুইটারের নতুন লোগোতে যে ডগির মিম ব্যবহার করা হয়েছে তা আসলে ডগিকয়েন নামে এক ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠানের লোগো। যা ২০১৩ সালে ওই প্রতিষ্ঠান ‘ঠাট্টা’ হিসেবে তৈরি করেছিল।

গত বছরের অক্টোবরের ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে টুইটার কেনার পর একাধিক পরিবর্তন করেছেন মাস্ক। এর মধ্যে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। এখন দেখার বিষয়- এই সিদ্ধান্ত কীভাবে নেন নেটিজেনরা।