শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

তিউনিসিয়ায় নৌকা ডুবে ৭০ অভিবাসীর মৃত্যু

#
news image

তিউনিসিয়ার জলসীমায় অন্তত ৭০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এতে হাসপাতালের মর্গে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। সোমবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। খবর রয়টার্সের।

তিউনিসিয়ার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ফাওজি মাসমুদি বলেন, ‘সোমবার উপকূলীয় শহর স্ফ্যাক্সের কাছে আরও দুটি নৌকা ডুবে গেছে। এই বেশি সংখ্যক অভিবাসীর মরদেহের কারণে স্ফ্যাক্স শহরের হাসপাতালগুলোর মর্গে প্রচণ্ড চাপ পড়েছে। এটা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।’

ফাওজি মাসমুদি বলেন, শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অন্তত ৭০ আফ্রিকান অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোস্টগার্ড উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা জানিয়েছিল ৩১।

গত সোমবার ডুবে যাওয়া নৌকাগুলো থেকে অন্তত ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ফাওজি মাসমুদি।

আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দারিদ্রতা ও সংঘাত থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় যাত্রা করা মানুষের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে তিউনিসিয়া, যা আগে ছিল লিবিয়া।
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ১৪ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক বা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

২৫ এপ্রিল, ২০২৩,  4:28 PM

news image

তিউনিসিয়ার জলসীমায় অন্তত ৭০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এতে হাসপাতালের মর্গে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। সোমবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। খবর রয়টার্সের।

তিউনিসিয়ার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ফাওজি মাসমুদি বলেন, ‘সোমবার উপকূলীয় শহর স্ফ্যাক্সের কাছে আরও দুটি নৌকা ডুবে গেছে। এই বেশি সংখ্যক অভিবাসীর মরদেহের কারণে স্ফ্যাক্স শহরের হাসপাতালগুলোর মর্গে প্রচণ্ড চাপ পড়েছে। এটা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।’

ফাওজি মাসমুদি বলেন, শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অন্তত ৭০ আফ্রিকান অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোস্টগার্ড উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা জানিয়েছিল ৩১।

গত সোমবার ডুবে যাওয়া নৌকাগুলো থেকে অন্তত ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ফাওজি মাসমুদি।

আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দারিদ্রতা ও সংঘাত থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় যাত্রা করা মানুষের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে তিউনিসিয়া, যা আগে ছিল লিবিয়া।
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ১৪ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক বা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি।