শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ফুলবাড়ীতে হিট স্ট্রোকে ৭শ’ মুরগির মৃত্যু, লোকসানে খামারি

#
news image

প্রকৃতির বিরূপ আচরণে গত কয়েকদিন ধরে অব্যাহত দাবদহের ফলে দুর্ভিসহ অবস্থায় পড়েছে মানুষ। পশু পাখিরাও এর ব্যতিক্রম নয়। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় বুসরা এগ্রো ফার্মে হিট স্ট্রোকে এক দিনে ৭০০ ব্রয়লার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে লোকসানে পড়েছেন খামারি। এ‌তে এলাকার  খামারিদের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনে‌কে লোকসান হলেও দ্রুত মুরগি বিক্রির চেষ্টা করছেন।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের শমশের নগর গ্রামের মো. বাবু ইসলামের খামারে এ ঘটনা ঘটে। দিনাজপুর আবওহাওয়া অফিস সুত্রে জানাগেছে, বুধবার (১৯এপ্রিল)জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৩ডিগ্রী সেলসিয়াস।গত মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ১ডিগ্রী সেলসিয়াস। খামারি বাবু ইসলাম জানান, তার খামারে মোট এক হাজার ৬০০ মুরগি ছিল। প্রতিটি মুরগির বয়স ছিল ২৯ দিন এবং ওজন প্রায় দুই কেজি। এর মধ্যে মঙ্গলবার বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে অতিরিক্ত গরমের কারণে ৭০০ মুরগি মারা যায়। গরম থেকে মুরগি বাঁচানোর জন্য খামারের ভেতরে পানি ও বড় ফ্যানের ব্যবস্থা ছিল। এর পরেও মুরগি গুলো রক্ষা করতে পারিনি। আর কয়েকদিন থাকলেই প্রতিটি মুরগির ওজন হতো তিন কেজি। খামারি বাবু বলেন, তাই এই গরমে আর মুরগি রাখবো না। যতটুকু আছে সব মুরগি বিক্রি করে দিচ্ছি। এতে ক্ষ‌তি হলেও কিছুটা পু‌জি পাওয়া যা‌বে। মারা যাওয়া মুরগি গুলো সোয়া দুই লাখ টাকায় বিক্রি করা যেত। ঈদে বিক্রির জন্য রেখেছিলাম, কি আর করবো সবি কপাল।

একই এলাকার খামার মালিক হাবিবুর রহমান রতন বলেন, খাদ্যের যে দাম তারপরও অনেক কষ্ট করে মুরগিগুলো পালন করেছি। আমার এলাকায় এক খামারে গরমে মুরগি মারা গেছে। গরমে এভাবে মুরগি মারা গেলে মুরগি রাখা যাবে না। লোকসান হলেও মুরগি বিক্রি করে দিতে হবে। উপজেলা প্রা‌ণি সম্পদ অধিদপ্তর সূত্র বলছেন, অতিরিক্ত গরমে মুরগির হিটস্ট্রোক হচ্ছে। খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোন কার্যকরী ফল পাওয়া যাবে না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় মোট মুরগির খামার ১৭৬টি এর মধ্যে ব্রয়লার মুরগীর খামার ১৫০টি এবং লেয়ার মুরগীর খামার ২৬টি রয়েছে। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, এই ধরনের আবহওয়ায় মুরগির খামারে সবচেয়ে বড় সমস্য হলো তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে খামারের ক্ষতি হবে এটাই স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, যে সব খামার টিনসেডের সেসব খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে ছায়াযুক্ত স্থানে সেড করতে হবে। এছাড়াও টিনের চালার উপরে চট,খড়,পাতা ব্যববহার করা যেতে পারে, এতে কিছুটা শীতল থাকবে সেড।

মোকাররম হোসেন, ফুলবাড়ী (‌দিনাজপুর)

১৯ এপ্রিল, ২০২৩,  10:29 PM

news image

প্রকৃতির বিরূপ আচরণে গত কয়েকদিন ধরে অব্যাহত দাবদহের ফলে দুর্ভিসহ অবস্থায় পড়েছে মানুষ। পশু পাখিরাও এর ব্যতিক্রম নয়। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় বুসরা এগ্রো ফার্মে হিট স্ট্রোকে এক দিনে ৭০০ ব্রয়লার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে লোকসানে পড়েছেন খামারি। এ‌তে এলাকার  খামারিদের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনে‌কে লোকসান হলেও দ্রুত মুরগি বিক্রির চেষ্টা করছেন।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের শমশের নগর গ্রামের মো. বাবু ইসলামের খামারে এ ঘটনা ঘটে। দিনাজপুর আবওহাওয়া অফিস সুত্রে জানাগেছে, বুধবার (১৯এপ্রিল)জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৩ডিগ্রী সেলসিয়াস।গত মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ১ডিগ্রী সেলসিয়াস। খামারি বাবু ইসলাম জানান, তার খামারে মোট এক হাজার ৬০০ মুরগি ছিল। প্রতিটি মুরগির বয়স ছিল ২৯ দিন এবং ওজন প্রায় দুই কেজি। এর মধ্যে মঙ্গলবার বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে অতিরিক্ত গরমের কারণে ৭০০ মুরগি মারা যায়। গরম থেকে মুরগি বাঁচানোর জন্য খামারের ভেতরে পানি ও বড় ফ্যানের ব্যবস্থা ছিল। এর পরেও মুরগি গুলো রক্ষা করতে পারিনি। আর কয়েকদিন থাকলেই প্রতিটি মুরগির ওজন হতো তিন কেজি। খামারি বাবু বলেন, তাই এই গরমে আর মুরগি রাখবো না। যতটুকু আছে সব মুরগি বিক্রি করে দিচ্ছি। এতে ক্ষ‌তি হলেও কিছুটা পু‌জি পাওয়া যা‌বে। মারা যাওয়া মুরগি গুলো সোয়া দুই লাখ টাকায় বিক্রি করা যেত। ঈদে বিক্রির জন্য রেখেছিলাম, কি আর করবো সবি কপাল।

একই এলাকার খামার মালিক হাবিবুর রহমান রতন বলেন, খাদ্যের যে দাম তারপরও অনেক কষ্ট করে মুরগিগুলো পালন করেছি। আমার এলাকায় এক খামারে গরমে মুরগি মারা গেছে। গরমে এভাবে মুরগি মারা গেলে মুরগি রাখা যাবে না। লোকসান হলেও মুরগি বিক্রি করে দিতে হবে। উপজেলা প্রা‌ণি সম্পদ অধিদপ্তর সূত্র বলছেন, অতিরিক্ত গরমে মুরগির হিটস্ট্রোক হচ্ছে। খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোন কার্যকরী ফল পাওয়া যাবে না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় মোট মুরগির খামার ১৭৬টি এর মধ্যে ব্রয়লার মুরগীর খামার ১৫০টি এবং লেয়ার মুরগীর খামার ২৬টি রয়েছে। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, এই ধরনের আবহওয়ায় মুরগির খামারে সবচেয়ে বড় সমস্য হলো তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে খামারের ক্ষতি হবে এটাই স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, যে সব খামার টিনসেডের সেসব খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে ছায়াযুক্ত স্থানে সেড করতে হবে। এছাড়াও টিনের চালার উপরে চট,খড়,পাতা ব্যববহার করা যেতে পারে, এতে কিছুটা শীতল থাকবে সেড।