শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

সুনামগঞ্জে বাঁধের দুর্নীতির সংবাদ না লিখতে সাংবাদিকদের উপকৌটন দিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী! 

#
news image

সুনামগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ ঢাকতে কিছু সাংবাদিকদের ১০ হাজার টাকা করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

হাওরের টাকা লুটে নিয়ে মামুন হাওলাদার মুখ ঢাকতে এমন অসৎ পন্থা অবলম্বন করছেন। ২০৮ কোটি টাকার প্রকল্প থেকে তিনি কত কোটি লুটে নিয়েছেন এবং এর সাথে কারা কারা জড়িত এ প্রশ্ন উঠছে হাওরপাড়ে। জানা যায়, শনির হাওরে গত ১৫ এপ্রিল শনিবার ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুশী মোহন সরকার, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে সংবাদকর্মীরা যান তাঁদের সঙ্গে। কর্মকর্তারা ওখানে বাঁধের কাজ শেষ ঘোষণা দিয়ে চলে আসলেন, সংবাদ কর্মীরাও যার যার কর্মস্থলে ফিরে আসেন।

হঠাৎ সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয় তোলপাড়। ফোনে ডেকে ডেকে চলতি অর্থ বছরের সুনামগঞ্জের হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ ও অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের উপঢৌকন দেওয়া হচ্ছে এমন কমেন্টস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অভিযোগ ওঠে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদের বিরুদ্ধে।এসময় বেসরকারি টেলিভিশন ও পত্রিকার ১৮ জন সাংবাদিককে ১০ হাজার করে টাকা বিতরণ করার কথাও চাউর হয়।

টাকা নিতে ফোন পাওয়া, কয়েকজন সংবাদকর্মী তা প্রত্যাখ্যানও করেন। কোন কোন সাংবাদিক ওখানে যাওয়ার সংবাদও চাউর হয়। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ২ মো. শামছুদ্দোহা বলেন, হ্যাঁ, সাংবাদিকরা এসেছিলেন আমাদের অফিসে, তবে আমার রুমে কেউ আসে নি এবং তারা উপরতলায় গিয়েছেন কিন্তু কেন, কি কারণে গিয়েছেন সেটা জানি না।

অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বললেন, এসব ভুয়া কথাবার্তা। আমি কাউকে কোন টাকা দেই নি। তাহলে অফিস সময়ের বাইরে রাতে পাউবো অফিসে সাংবাদিকদের আনাগোনা কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কড়া রোদেও এই সময়ে তিনি নদীতে পানি বাড়ার গল্প শুনিয়ে বললেন, পানি বৃদ্ধির খবর নিতে সবাই অফিসে এসেছিলেন।

অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ 

১৭ এপ্রিল, ২০২৩,  10:21 PM

news image
নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার

সুনামগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ ঢাকতে কিছু সাংবাদিকদের ১০ হাজার টাকা করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

হাওরের টাকা লুটে নিয়ে মামুন হাওলাদার মুখ ঢাকতে এমন অসৎ পন্থা অবলম্বন করছেন। ২০৮ কোটি টাকার প্রকল্প থেকে তিনি কত কোটি লুটে নিয়েছেন এবং এর সাথে কারা কারা জড়িত এ প্রশ্ন উঠছে হাওরপাড়ে। জানা যায়, শনির হাওরে গত ১৫ এপ্রিল শনিবার ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুশী মোহন সরকার, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে সংবাদকর্মীরা যান তাঁদের সঙ্গে। কর্মকর্তারা ওখানে বাঁধের কাজ শেষ ঘোষণা দিয়ে চলে আসলেন, সংবাদ কর্মীরাও যার যার কর্মস্থলে ফিরে আসেন।

হঠাৎ সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয় তোলপাড়। ফোনে ডেকে ডেকে চলতি অর্থ বছরের সুনামগঞ্জের হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ ও অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের উপঢৌকন দেওয়া হচ্ছে এমন কমেন্টস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অভিযোগ ওঠে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদের বিরুদ্ধে।এসময় বেসরকারি টেলিভিশন ও পত্রিকার ১৮ জন সাংবাদিককে ১০ হাজার করে টাকা বিতরণ করার কথাও চাউর হয়।

টাকা নিতে ফোন পাওয়া, কয়েকজন সংবাদকর্মী তা প্রত্যাখ্যানও করেন। কোন কোন সাংবাদিক ওখানে যাওয়ার সংবাদও চাউর হয়। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ২ মো. শামছুদ্দোহা বলেন, হ্যাঁ, সাংবাদিকরা এসেছিলেন আমাদের অফিসে, তবে আমার রুমে কেউ আসে নি এবং তারা উপরতলায় গিয়েছেন কিন্তু কেন, কি কারণে গিয়েছেন সেটা জানি না।

অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বললেন, এসব ভুয়া কথাবার্তা। আমি কাউকে কোন টাকা দেই নি। তাহলে অফিস সময়ের বাইরে রাতে পাউবো অফিসে সাংবাদিকদের আনাগোনা কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কড়া রোদেও এই সময়ে তিনি নদীতে পানি বাড়ার গল্প শুনিয়ে বললেন, পানি বৃদ্ধির খবর নিতে সবাই অফিসে এসেছিলেন।