শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

আয়সা বেগম এর জীবন কাটছে এখন নওয়াপাড়া রেল স্টেশনে

#
news image

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া রেল স্টেশনে জীবন অতিবাহিত করছেন ঝিকরগাছার অসহায় বৃদ্ধা আইসা বেগম।

মঙ্গলবার সকাল সাতটায় নওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষমান যাত্রীদের কাছে ক্রেস্ট ভর করে সাহায্যের আবেদন করছেন ঝিকরগাছার অসহায় আয়েশা বেগম।

কথা হয় তার সঙ্গে- তিনি বলেন চার বছর আগে তার স্বামী মারা গেছে, তিনটি সন্তান ছিল তার, বড় মেয়ে দেশ স্বাধীনের সময় হারিয়ে গেছে, তার সঙ্গে আর দেখা হয়নি, দুইটি ছেলে ছিল তার একটি মারা গেছে আরেকটি হারিয়ে গেছে, দুনিয়ায় আপন বলতে তার আর কেউ নাই। সহায় সম্বল বলেও আর কিছু নাই, তিনি বলেন এক বৎসর ধরে এই স্টেশনে জীবন কাটাচ্ছি, 

কিভাবে তার দিন কাটে এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হাতে ভিক্ষার ঝুলি প্রতিদিন এভাবে মানুষের নিকট থেকে সাহায্য করে যা পায় তা দিয়েই চলে, দশ টাকায় এখন আর হোটেলে ভাত খেতে দেয়না, খুব কষ্টে আছি,বড় কষ্টে, মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় হাত -পা ভাঙা গেছে, তা নাহলে পরের বাসায় কাজ করে খেতাম।

আক্ষেপ করে বলেন গতকাল ট্রেন চলিনি টাকা পয়সা হয়নি আজ সকালের শুরুতে মানুষের নিকট সাহায্য সহযোগিতার জন্যে বেরিয়েছি আল্লাহ যে ভাবে চালায়। আক্ষেপ করে বলেন খুব কষ্টের জীবন আমার, খাওয়ার কষ্ট, থাকার কষ্ট।

মোঃ ইবাদৎ হোসেন, অভয়নগর (যশোর)

০৪ এপ্রিল, ২০২৩,  9:25 PM

news image

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া রেল স্টেশনে জীবন অতিবাহিত করছেন ঝিকরগাছার অসহায় বৃদ্ধা আইসা বেগম।

মঙ্গলবার সকাল সাতটায় নওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষমান যাত্রীদের কাছে ক্রেস্ট ভর করে সাহায্যের আবেদন করছেন ঝিকরগাছার অসহায় আয়েশা বেগম।

কথা হয় তার সঙ্গে- তিনি বলেন চার বছর আগে তার স্বামী মারা গেছে, তিনটি সন্তান ছিল তার, বড় মেয়ে দেশ স্বাধীনের সময় হারিয়ে গেছে, তার সঙ্গে আর দেখা হয়নি, দুইটি ছেলে ছিল তার একটি মারা গেছে আরেকটি হারিয়ে গেছে, দুনিয়ায় আপন বলতে তার আর কেউ নাই। সহায় সম্বল বলেও আর কিছু নাই, তিনি বলেন এক বৎসর ধরে এই স্টেশনে জীবন কাটাচ্ছি, 

কিভাবে তার দিন কাটে এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হাতে ভিক্ষার ঝুলি প্রতিদিন এভাবে মানুষের নিকট থেকে সাহায্য করে যা পায় তা দিয়েই চলে, দশ টাকায় এখন আর হোটেলে ভাত খেতে দেয়না, খুব কষ্টে আছি,বড় কষ্টে, মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় হাত -পা ভাঙা গেছে, তা নাহলে পরের বাসায় কাজ করে খেতাম।

আক্ষেপ করে বলেন গতকাল ট্রেন চলিনি টাকা পয়সা হয়নি আজ সকালের শুরুতে মানুষের নিকট সাহায্য সহযোগিতার জন্যে বেরিয়েছি আল্লাহ যে ভাবে চালায়। আক্ষেপ করে বলেন খুব কষ্টের জীবন আমার, খাওয়ার কষ্ট, থাকার কষ্ট।