শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

৭০ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক

#
news image

মনীষীরা বলেছেন, বিয়ে হলো একটা চমৎকার প্রতিষ্ঠান কিছু শেখার জন্য। কিন্তু এই শিক্ষাটা না নিয়েই তিনি পার করে এসেছেন ৭০টি বছর! করেছেন শিক্ষকতাও। এবং শেষ পর্যন্ত তিনি সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করলেন। চিরকুমার থাকার পণ ভেঙে ৭০ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তিনি। এই চিরকুমার হলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শওকত আলী। তিনি বাগেরহাট সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। কনে মোংলা উপজেলার শাহিদা আক্তার নাজু (৩৫)।

 

গত শনিবার (১৮ মার্চ) জাঁকজমকভাবে তাদের বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। বিয়েতে ১০ লাখ ১ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়।

 

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের হাল ধরতে বিয়ে করা হয়ে উঠেনি সমাজসেবী শিক্ষক শওকত আলীর। এর আগে বিয়ের কথা বলা হলেও চিরকুমার থাকার সিদ্ধান্তে অনড় থেকে এতদিন বিয়েতে রাজি হননি। তবে অবসরে যাওয়ার পর ভীষণ একাকীত্ব বোধ করছিলেন। এরপরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

বরের আত্মীয়রা জানান, মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজুর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শওকত আলী। কনের আগের সংসারের একটি মেয়ে আছে। ওই মেয়েটিরও দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। সবার কাছে তারা দোয়া চেয়েছেন।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

২৪ মার্চ, ২০২৩,  10:10 AM

news image

মনীষীরা বলেছেন, বিয়ে হলো একটা চমৎকার প্রতিষ্ঠান কিছু শেখার জন্য। কিন্তু এই শিক্ষাটা না নিয়েই তিনি পার করে এসেছেন ৭০টি বছর! করেছেন শিক্ষকতাও। এবং শেষ পর্যন্ত তিনি সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করলেন। চিরকুমার থাকার পণ ভেঙে ৭০ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তিনি। এই চিরকুমার হলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শওকত আলী। তিনি বাগেরহাট সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। কনে মোংলা উপজেলার শাহিদা আক্তার নাজু (৩৫)।

 

গত শনিবার (১৮ মার্চ) জাঁকজমকভাবে তাদের বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। বিয়েতে ১০ লাখ ১ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়।

 

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের হাল ধরতে বিয়ে করা হয়ে উঠেনি সমাজসেবী শিক্ষক শওকত আলীর। এর আগে বিয়ের কথা বলা হলেও চিরকুমার থাকার সিদ্ধান্তে অনড় থেকে এতদিন বিয়েতে রাজি হননি। তবে অবসরে যাওয়ার পর ভীষণ একাকীত্ব বোধ করছিলেন। এরপরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

বরের আত্মীয়রা জানান, মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজুর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শওকত আলী। কনের আগের সংসারের একটি মেয়ে আছে। ওই মেয়েটিরও দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। সবার কাছে তারা দোয়া চেয়েছেন।