শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

বিআরটিএ   লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখলেন মেয়াদ শেষ ৬ বছর আগেই!

#
news image

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) রাজশাহী অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলেন নাহিদ হোসাইন সবুজ। পাঁচ দফা ঘুরে মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা মেলে লাইসেন্সের। তবে হাতে পেয়ে রীতিমতো চমকে ওঠেন তিনি। দেখেন, ছয় বছর আগেই শেষ হয়েছে এর মেয়াদ।

সবুজ জানান, ২০২১ সালে লাইসেন্স করতে দেন। এরপর পরীক্ষা শেষে তাকে দেওয়া হয় একটি স্লিপ। কিন্তু মঙ্গলবার হাতে পাওয়া লাইসেন্স কার্ডে আছে অসঙ্গতি। কার্ডে লাইসেন্স দেওয়ার তারিখে আছে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আর মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখে আছে ২০১৬ সালের ১২ অক্টোবর।

সবুজ বলেন, ‘অনেক ঝামেলা শেষে আজ লাইসেন্স হাতে পেয়েছি। কিন্তু এখন কী করবো এ কার্ড। এর মেয়াদই নেই। আমি তো ভুল করিনি। কিন্তু তারা এখন কার্ডটি ঠিক করে দেবে না। আমাকে দেওয়া স্লিপও তারা নিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন প্রফেশনাল চালক। মাছের গাড়ি নিয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকা যাই। এখন আমি কীভাবে গাড়ি চালাবো। বিআরটিএ অফিস বলেছে এটি তাদের ভুল নয়। আবার কার্ড (লাইসেন্স) করতে দিতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, এটি প্রিন্টিং মিস্টেকের কারণে হয়েছে। কার্ড যে কোম্পানি প্রিন্ট করছে তাদের ভুল। আপনি তাকে আমার কাছে আসতে বলবেন। আগামী সপ্তাহে কোম্পানির কাছে আবেদন করে কার্ডটি ঠিক করে দেবো।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:41 PM

news image

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) রাজশাহী অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলেন নাহিদ হোসাইন সবুজ। পাঁচ দফা ঘুরে মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা মেলে লাইসেন্সের। তবে হাতে পেয়ে রীতিমতো চমকে ওঠেন তিনি। দেখেন, ছয় বছর আগেই শেষ হয়েছে এর মেয়াদ।

সবুজ জানান, ২০২১ সালে লাইসেন্স করতে দেন। এরপর পরীক্ষা শেষে তাকে দেওয়া হয় একটি স্লিপ। কিন্তু মঙ্গলবার হাতে পাওয়া লাইসেন্স কার্ডে আছে অসঙ্গতি। কার্ডে লাইসেন্স দেওয়ার তারিখে আছে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আর মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখে আছে ২০১৬ সালের ১২ অক্টোবর।

সবুজ বলেন, ‘অনেক ঝামেলা শেষে আজ লাইসেন্স হাতে পেয়েছি। কিন্তু এখন কী করবো এ কার্ড। এর মেয়াদই নেই। আমি তো ভুল করিনি। কিন্তু তারা এখন কার্ডটি ঠিক করে দেবে না। আমাকে দেওয়া স্লিপও তারা নিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন প্রফেশনাল চালক। মাছের গাড়ি নিয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকা যাই। এখন আমি কীভাবে গাড়ি চালাবো। বিআরটিএ অফিস বলেছে এটি তাদের ভুল নয়। আবার কার্ড (লাইসেন্স) করতে দিতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, এটি প্রিন্টিং মিস্টেকের কারণে হয়েছে। কার্ড যে কোম্পানি প্রিন্ট করছে তাদের ভুল। আপনি তাকে আমার কাছে আসতে বলবেন। আগামী সপ্তাহে কোম্পানির কাছে আবেদন করে কার্ডটি ঠিক করে দেবো।