শিরোনামঃ
মারা গেছেন হলিউড অভিনেতা ভ্যাল কিলমার কাউকে ক্ষমা করলে আল্লাহ সম্মান বাড়িয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে : প্রধান উপদেষ্টা উপসাগরীয় দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরানে মার্কিন হামলার পরিকল্পনা আবার বিতর্কে মরিনিও, এবার টিপে দিলেন প্রতিপক্ষ কোচের নাক! দুই দিনে কতো আয় করলো সালমান খানের ‘সিকান্দার’? বির্তক থাকা সত্ত্বেও বেড়েছে আদানির বকেয়া পরিশোধ ও বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারির মৃত্যু এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী

বিআরটিএ   লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখলেন মেয়াদ শেষ ৬ বছর আগেই!

#
news image

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) রাজশাহী অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলেন নাহিদ হোসাইন সবুজ। পাঁচ দফা ঘুরে মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা মেলে লাইসেন্সের। তবে হাতে পেয়ে রীতিমতো চমকে ওঠেন তিনি। দেখেন, ছয় বছর আগেই শেষ হয়েছে এর মেয়াদ।

সবুজ জানান, ২০২১ সালে লাইসেন্স করতে দেন। এরপর পরীক্ষা শেষে তাকে দেওয়া হয় একটি স্লিপ। কিন্তু মঙ্গলবার হাতে পাওয়া লাইসেন্স কার্ডে আছে অসঙ্গতি। কার্ডে লাইসেন্স দেওয়ার তারিখে আছে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আর মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখে আছে ২০১৬ সালের ১২ অক্টোবর।

সবুজ বলেন, ‘অনেক ঝামেলা শেষে আজ লাইসেন্স হাতে পেয়েছি। কিন্তু এখন কী করবো এ কার্ড। এর মেয়াদই নেই। আমি তো ভুল করিনি। কিন্তু তারা এখন কার্ডটি ঠিক করে দেবে না। আমাকে দেওয়া স্লিপও তারা নিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন প্রফেশনাল চালক। মাছের গাড়ি নিয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকা যাই। এখন আমি কীভাবে গাড়ি চালাবো। বিআরটিএ অফিস বলেছে এটি তাদের ভুল নয়। আবার কার্ড (লাইসেন্স) করতে দিতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, এটি প্রিন্টিং মিস্টেকের কারণে হয়েছে। কার্ড যে কোম্পানি প্রিন্ট করছে তাদের ভুল। আপনি তাকে আমার কাছে আসতে বলবেন। আগামী সপ্তাহে কোম্পানির কাছে আবেদন করে কার্ডটি ঠিক করে দেবো।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:41 PM

news image

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) রাজশাহী অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলেন নাহিদ হোসাইন সবুজ। পাঁচ দফা ঘুরে মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা মেলে লাইসেন্সের। তবে হাতে পেয়ে রীতিমতো চমকে ওঠেন তিনি। দেখেন, ছয় বছর আগেই শেষ হয়েছে এর মেয়াদ।

সবুজ জানান, ২০২১ সালে লাইসেন্স করতে দেন। এরপর পরীক্ষা শেষে তাকে দেওয়া হয় একটি স্লিপ। কিন্তু মঙ্গলবার হাতে পাওয়া লাইসেন্স কার্ডে আছে অসঙ্গতি। কার্ডে লাইসেন্স দেওয়ার তারিখে আছে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আর মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখে আছে ২০১৬ সালের ১২ অক্টোবর।

সবুজ বলেন, ‘অনেক ঝামেলা শেষে আজ লাইসেন্স হাতে পেয়েছি। কিন্তু এখন কী করবো এ কার্ড। এর মেয়াদই নেই। আমি তো ভুল করিনি। কিন্তু তারা এখন কার্ডটি ঠিক করে দেবে না। আমাকে দেওয়া স্লিপও তারা নিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন প্রফেশনাল চালক। মাছের গাড়ি নিয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকা যাই। এখন আমি কীভাবে গাড়ি চালাবো। বিআরটিএ অফিস বলেছে এটি তাদের ভুল নয়। আবার কার্ড (লাইসেন্স) করতে দিতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, এটি প্রিন্টিং মিস্টেকের কারণে হয়েছে। কার্ড যে কোম্পানি প্রিন্ট করছে তাদের ভুল। আপনি তাকে আমার কাছে আসতে বলবেন। আগামী সপ্তাহে কোম্পানির কাছে আবেদন করে কার্ডটি ঠিক করে দেবো।