শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন

#
news image

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ‘অগভীর’ ভূমিকম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ২টায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় অঞ্চল।

জানা গেছে, ভূমিকম্পটি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় দেশটির মাসবাতে প্রদেশে। রাতের বেলা হঠাৎ করে শক্তিশালী কম্পনে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন বেশিরভাগ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাসবাতে প্রদেশের মূল দ্বীপের মিয়াগা গ্রামের ১১ কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে।

মাটির অগভীরে যেসব ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় সেগুলো অন্যান্য ভূমিকম্পের তুলনায় অনেক ভয়ানক হয়। অগভীর ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও সবচেয়ে বেশি হয়। ফিলিপাইনে মাঝরাতে ভূমিকম্প আঘাত হানায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

এদিকে মাসবাতে প্রদেশের পুলিশ প্রধান রলি আলাবানা বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘এটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল। যখন কম্পন শুরু হয় আমি তখন ঘুমিয়ে ছিলাম। এরপর আমি জেগে যাই।’

বড় ভূমিকম্পের পর আফটারশকের (পরাঘাত) আতঙ্কে আছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে এখন নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে ভয় পাঁচ্ছেন।

মাসবেত প্রদেশে বৃহস্পতিবার সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কারণ এখনো প্রদেশটি ছোট ছোট ভূমিকম্পে বার বার কেঁপে উঠছে।

অপরদিকে ওসন অঞ্চলের পুলিশ প্রধান ক্যাপ্টেন রেডেন তোলেদো বলেছেন, ‘অনেকে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে গেছেন। এমনকি আমিও সম্ভাব্য আফটারশকের কারণে বাইরে চলে এসেছি।’

তিনি জানিয়েছেন, ওসনে কোনো বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে যাবেন পুলিশ সদস্যরা।

এর আগে ফিলিপাইনে সর্বশেষ ভূমিকম্প আঘাত হানে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে। সে সময় ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দেশটি। ওই বছরেই জুলাইয়ে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ভূমিধসে ১১ জন প্রাণ হারান।

নাগরিক আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  6:46 PM

news image

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ‘অগভীর’ ভূমিকম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ২টায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় অঞ্চল।

জানা গেছে, ভূমিকম্পটি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় দেশটির মাসবাতে প্রদেশে। রাতের বেলা হঠাৎ করে শক্তিশালী কম্পনে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন বেশিরভাগ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাসবাতে প্রদেশের মূল দ্বীপের মিয়াগা গ্রামের ১১ কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে।

মাটির অগভীরে যেসব ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় সেগুলো অন্যান্য ভূমিকম্পের তুলনায় অনেক ভয়ানক হয়। অগভীর ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও সবচেয়ে বেশি হয়। ফিলিপাইনে মাঝরাতে ভূমিকম্প আঘাত হানায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

এদিকে মাসবাতে প্রদেশের পুলিশ প্রধান রলি আলাবানা বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘এটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল। যখন কম্পন শুরু হয় আমি তখন ঘুমিয়ে ছিলাম। এরপর আমি জেগে যাই।’

বড় ভূমিকম্পের পর আফটারশকের (পরাঘাত) আতঙ্কে আছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে এখন নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে ভয় পাঁচ্ছেন।

মাসবেত প্রদেশে বৃহস্পতিবার সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কারণ এখনো প্রদেশটি ছোট ছোট ভূমিকম্পে বার বার কেঁপে উঠছে।

অপরদিকে ওসন অঞ্চলের পুলিশ প্রধান ক্যাপ্টেন রেডেন তোলেদো বলেছেন, ‘অনেকে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে গেছেন। এমনকি আমিও সম্ভাব্য আফটারশকের কারণে বাইরে চলে এসেছি।’

তিনি জানিয়েছেন, ওসনে কোনো বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে যাবেন পুলিশ সদস্যরা।

এর আগে ফিলিপাইনে সর্বশেষ ভূমিকম্প আঘাত হানে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে। সে সময় ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দেশটি। ওই বছরেই জুলাইয়ে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ভূমিধসে ১১ জন প্রাণ হারান।