শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

চীনে শি জিনপিংয়ের পদত্যাগ চেয়ে বিরল বিক্ষোভ

#
news image

চীন সরকার কঠোর কোভিড বিধিনিষেধ আরোপ করার প্রতিবাদে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ জোরদার হচ্ছে। এ ধরনের প্রকাশ্য বিক্ষোভ চীনে কালেভদ্রে দেখা যায়। কারণ, দেশটির আইন অনুসারে, সরকার নিয়ে সরাসরি কোনও সমালোচনার ফল হতে পারে কঠোর শাস্তি।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং কমিউনিস্ট পার্টির পদত্যাগ চেয়ে সাংহাইয়ে শনিবার রাতে বিক্ষোভ করেছে বহু মানুষ।

, সাংহাই শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। তাদের অনেককে পুলিশের গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে।

সাংহাইয়ের বিক্ষোভে মানুষ প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ চেয়ে ‘শি জিনপিং সরে দাঁড়ান’ ‘কমিউনিস্ট পার্টি সরে দাঁড়াও’ বলে স্লোগান দিয়েছে। তাদের অনেকের হাতে ফাঁকা সাদা ব্যানার ছিল। অনেকেই আবার মোমবাতি জ্বালিয়ে ও ফুল দিয়ে উরুমছি শহরে নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

উরুমছিতে সম্প্রতি একটি ভবনে আগুন লেগে ১০ জন নিহত হয়। তারা ভবনে আটকা পড়ার জন্য কোভিড বিধিনিষেধকে দায়ী করা হচ্ছে। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। তবে তারা শুক্রবার ওই দুর্ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে।

কিন্তু তারপরও উত্তর-পশ্চিমের শহর উরুমছিতে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী বেইজিং ও নানজিং শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ‘শূন্য কোভিড নীতি’ নিয়ে মানুষের অসন্তোষকে বরাবরই আমলে নেয়নি চীন সরকার। শূন্য কোভিড নীতি নিয়েছিলেন শি জিনপিং। সম্প্রতি তিনি এ নীতি থেকে সরে না দাঁড়ানোর অঙ্গীকারও করেছেন।

সাংহাইয়ে বিক্ষোভে রাস্তায় নামা একজন বিবিসি-কে বলেছেন, দলে দলে মানুষকে রাস্তায় নামতে দেখে তিনি স্থম্ভিত হয়েছেন। চীনে মানুষের মধ্যে এমন অসন্তোষ আগে তিনি কখনও দেখেননি।

ওই বিক্ষাভকারী আরও বলেন, কোভিড লকডাউনের কারণে তিনি খুবই দুর্ভোগে আছেন। তিনি ক্ষুব্ধ এবং হতাশও। লকডাউনের কারণে তিনি তার ক্যান্সার আক্রান্ত মাকেও দেখতে যেতে পারেননি।

 

 

 

অনলাইন ডেস্ক

২৮ নভেম্বর, ২০২২,  1:10 AM

news image

চীন সরকার কঠোর কোভিড বিধিনিষেধ আরোপ করার প্রতিবাদে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ জোরদার হচ্ছে। এ ধরনের প্রকাশ্য বিক্ষোভ চীনে কালেভদ্রে দেখা যায়। কারণ, দেশটির আইন অনুসারে, সরকার নিয়ে সরাসরি কোনও সমালোচনার ফল হতে পারে কঠোর শাস্তি।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং কমিউনিস্ট পার্টির পদত্যাগ চেয়ে সাংহাইয়ে শনিবার রাতে বিক্ষোভ করেছে বহু মানুষ।

, সাংহাই শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। তাদের অনেককে পুলিশের গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে।

সাংহাইয়ের বিক্ষোভে মানুষ প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ চেয়ে ‘শি জিনপিং সরে দাঁড়ান’ ‘কমিউনিস্ট পার্টি সরে দাঁড়াও’ বলে স্লোগান দিয়েছে। তাদের অনেকের হাতে ফাঁকা সাদা ব্যানার ছিল। অনেকেই আবার মোমবাতি জ্বালিয়ে ও ফুল দিয়ে উরুমছি শহরে নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

উরুমছিতে সম্প্রতি একটি ভবনে আগুন লেগে ১০ জন নিহত হয়। তারা ভবনে আটকা পড়ার জন্য কোভিড বিধিনিষেধকে দায়ী করা হচ্ছে। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। তবে তারা শুক্রবার ওই দুর্ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে।

কিন্তু তারপরও উত্তর-পশ্চিমের শহর উরুমছিতে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী বেইজিং ও নানজিং শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ‘শূন্য কোভিড নীতি’ নিয়ে মানুষের অসন্তোষকে বরাবরই আমলে নেয়নি চীন সরকার। শূন্য কোভিড নীতি নিয়েছিলেন শি জিনপিং। সম্প্রতি তিনি এ নীতি থেকে সরে না দাঁড়ানোর অঙ্গীকারও করেছেন।

সাংহাইয়ে বিক্ষোভে রাস্তায় নামা একজন বিবিসি-কে বলেছেন, দলে দলে মানুষকে রাস্তায় নামতে দেখে তিনি স্থম্ভিত হয়েছেন। চীনে মানুষের মধ্যে এমন অসন্তোষ আগে তিনি কখনও দেখেননি।

ওই বিক্ষাভকারী আরও বলেন, কোভিড লকডাউনের কারণে তিনি খুবই দুর্ভোগে আছেন। তিনি ক্ষুব্ধ এবং হতাশও। লকডাউনের কারণে তিনি তার ক্যান্সার আক্রান্ত মাকেও দেখতে যেতে পারেননি।