শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সরকার অন্ধ, দুর্নীতি-লুটপাট দেখে না: রব

#
news image

একটি চক্রের সীমাহীন দুর্নীতি ও অবাধ লুণ্ঠনে দেশের অর্থনীতি শোচনীয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে লুটপাট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরকারের যোগসূত্র রয়েছে। ফলে ভয়াবহ দুর্নীতি, সীমাহীন অপচয় এবং লুটপাট সরকার না দেখার ভান করছে। এসব বিষয় সরকার বেমালুম অস্বীকার করে দুর্নীতি এবং অপচয়কে আরও উৎসাহিত করছে। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আ স ম আবদুর রব দাবি করেন, আমাদের দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদসহ বিশেষজ্ঞরা অনেক প্রকল্পের গরমিল, ভুলভ্রান্তি, সামঞ্জস্যহীন অর্থব্যয় চিহ্নিত করেছেন। তারা অন্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকার তার কোনো প্রতিকার না করে বরং অবজ্ঞার মাধ্যমে তাদের অর্বাচীন বলে চিহ্নিত করেছে। ফলে অন্যায়, দুর্নীতি, অপচয় ও অপকর্মের মাত্রা এমনভাবে বেড়েছে যা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, রিজার্ভের অপরিকল্পিত ব্যয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে মারাত্মক জটিল ও ঘোলাটে করে তুলেছে। এটা আকস্মিক কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা নয়। তথাকথিত ‘অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের’ ডামাডোলে দেশের অর্থনীতি আজ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। জেএসডি সভাপতি বলেন, জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি, অফুরন্ত রিজার্ভ নিয়ে সরকার আত্মতৃপ্তিতে নিমজ্জিত থাকলেও বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতিতে জীবনযাত্রার মান তছনছ হয়ে পড়েছে। সরকার এসব বিবেচনায় নেয়নি। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূলে রয়েছে স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ উদ্ধার করা।

আ স ম আবদুর রব আরও বলেন, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। অংশীদারত্বমূলক উন্নয়ন দর্শনে অর্থনীতির সমন্বিত ও ইতিবাচক পদক্ষেপে উন্নয়নের সমতা ও কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব হবে।

অনলাইন ডেস্ক

১৮ নভেম্বর, ২০২২,  12:06 AM

news image

একটি চক্রের সীমাহীন দুর্নীতি ও অবাধ লুণ্ঠনে দেশের অর্থনীতি শোচনীয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে লুটপাট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরকারের যোগসূত্র রয়েছে। ফলে ভয়াবহ দুর্নীতি, সীমাহীন অপচয় এবং লুটপাট সরকার না দেখার ভান করছে। এসব বিষয় সরকার বেমালুম অস্বীকার করে দুর্নীতি এবং অপচয়কে আরও উৎসাহিত করছে। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আ স ম আবদুর রব দাবি করেন, আমাদের দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদসহ বিশেষজ্ঞরা অনেক প্রকল্পের গরমিল, ভুলভ্রান্তি, সামঞ্জস্যহীন অর্থব্যয় চিহ্নিত করেছেন। তারা অন্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকার তার কোনো প্রতিকার না করে বরং অবজ্ঞার মাধ্যমে তাদের অর্বাচীন বলে চিহ্নিত করেছে। ফলে অন্যায়, দুর্নীতি, অপচয় ও অপকর্মের মাত্রা এমনভাবে বেড়েছে যা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, রিজার্ভের অপরিকল্পিত ব্যয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে মারাত্মক জটিল ও ঘোলাটে করে তুলেছে। এটা আকস্মিক কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা নয়। তথাকথিত ‘অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের’ ডামাডোলে দেশের অর্থনীতি আজ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। জেএসডি সভাপতি বলেন, জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি, অফুরন্ত রিজার্ভ নিয়ে সরকার আত্মতৃপ্তিতে নিমজ্জিত থাকলেও বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতিতে জীবনযাত্রার মান তছনছ হয়ে পড়েছে। সরকার এসব বিবেচনায় নেয়নি। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূলে রয়েছে স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ উদ্ধার করা।

আ স ম আবদুর রব আরও বলেন, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। অংশীদারত্বমূলক উন্নয়ন দর্শনে অর্থনীতির সমন্বিত ও ইতিবাচক পদক্ষেপে উন্নয়নের সমতা ও কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব হবে।