শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

দাগি অপরাধীদেরও ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া

#
news image

দোষী সাব্যস্ত খুনি এবং মাদক পাচারকারীদের মতো জেল খাটা দাগি অপরাধীদেরকেও এবার ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর পথে হাঁটছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এজন্য আইন সংশোধন করেছেন তিনি। মারাত্মক সব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সদ্য জেলখেটে বের হওয়া আসামিদের ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পুতিন রিজার্ভ সেনা (আপৎকালীন মজুত সেনা) তলব করার আইনে সংশোধনী এনেছেন। তবে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নকারী কিংবা সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্ত সাবেক কারাবন্দীদের এর আওতায় রাখা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর জন্য গত সেপ্টেম্বরে আংশিক রিজার্ভ সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। প্রায় ৩ লাখ সেনাকে ডাকার নির্দেশ দেন তিনি। পুতিনের এ নির্দেশের পর ইউক্রেইন যুদ্ধের বিরোধিতা করা হাজার হাজার রুশ নাগরিক দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। সেপ্টেম্বরেই খবর বেরিয়েছিল যে, রাশিয়ার আধা সামরিক সংগঠন ওয়াগনার ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর জন্য কারাবন্দিদের দলে ভেড়াচ্ছে। যুদ্ধে যাওয়ার বিনিময়ে তাদের সাজা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

রাশিয়ার আইন অনুযায়ী, বিদেশে মোতায়েন সেনাদলের সঙ্গে কাজ করার বিনিময়ে কারাবন্দীদের সাজা কমানোর সুযোগ নেই। কিন্তু ওয়াগনারের প্রধান কর্মকর্তা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন কারাবন্দীদের উদ্দেশে এক বক্তব্যে বলেছেন, তার প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করলে তাদেরকে আর জেলে ফিরতে হবে না।শুক্রবার ওয়াগনার প্রথমবারের মতো রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে তার প্রতিষ্ঠানের সদরদপ্তর খুলেছেন।

প্রেসিডেন্ট পুতিন সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত তলব করা প্রায় ৩ লাখ সেনার মধ্যে ৪৯ হাজার মতো সেনাকে ইউক্রেইন যুদ্ধে মোতায়েন করেছেন বলে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন। তাছাড়া, ৫০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীও যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পুতিনের এই রিজার্ভ সেনা মোতায়েনকে রুশ সেনাদের ইউক্রেইন যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার লক্ষণ হিসাবেই দেখে আসছেন পশ্চিমা দেশগুলোসহ ইউক্রেইনের সামরিক বিশেষজ্ঞরা। রুশ সেনারা ইউক্রেইন যুদ্ধে অপরাধ করছে বলে অভিযোগ আছে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের গঠন করা ইউক্রেইন বিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসামরিক মানুষদের সংক্ষিপ্ত বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাসহ বেশ কিছু যুদ্ধাপরাধ করেছে রুশ বাহিনী।

অনলাইন ডেস্ক

০৫ নভেম্বর, ২০২২,  10:37 PM

news image

দোষী সাব্যস্ত খুনি এবং মাদক পাচারকারীদের মতো জেল খাটা দাগি অপরাধীদেরকেও এবার ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর পথে হাঁটছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এজন্য আইন সংশোধন করেছেন তিনি। মারাত্মক সব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সদ্য জেলখেটে বের হওয়া আসামিদের ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পুতিন রিজার্ভ সেনা (আপৎকালীন মজুত সেনা) তলব করার আইনে সংশোধনী এনেছেন। তবে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নকারী কিংবা সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্ত সাবেক কারাবন্দীদের এর আওতায় রাখা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর জন্য গত সেপ্টেম্বরে আংশিক রিজার্ভ সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। প্রায় ৩ লাখ সেনাকে ডাকার নির্দেশ দেন তিনি। পুতিনের এ নির্দেশের পর ইউক্রেইন যুদ্ধের বিরোধিতা করা হাজার হাজার রুশ নাগরিক দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। সেপ্টেম্বরেই খবর বেরিয়েছিল যে, রাশিয়ার আধা সামরিক সংগঠন ওয়াগনার ইউক্রেইন যুদ্ধে পাঠানোর জন্য কারাবন্দিদের দলে ভেড়াচ্ছে। যুদ্ধে যাওয়ার বিনিময়ে তাদের সাজা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

রাশিয়ার আইন অনুযায়ী, বিদেশে মোতায়েন সেনাদলের সঙ্গে কাজ করার বিনিময়ে কারাবন্দীদের সাজা কমানোর সুযোগ নেই। কিন্তু ওয়াগনারের প্রধান কর্মকর্তা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন কারাবন্দীদের উদ্দেশে এক বক্তব্যে বলেছেন, তার প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করলে তাদেরকে আর জেলে ফিরতে হবে না।শুক্রবার ওয়াগনার প্রথমবারের মতো রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে তার প্রতিষ্ঠানের সদরদপ্তর খুলেছেন।

প্রেসিডেন্ট পুতিন সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত তলব করা প্রায় ৩ লাখ সেনার মধ্যে ৪৯ হাজার মতো সেনাকে ইউক্রেইন যুদ্ধে মোতায়েন করেছেন বলে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন। তাছাড়া, ৫০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীও যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পুতিনের এই রিজার্ভ সেনা মোতায়েনকে রুশ সেনাদের ইউক্রেইন যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার লক্ষণ হিসাবেই দেখে আসছেন পশ্চিমা দেশগুলোসহ ইউক্রেইনের সামরিক বিশেষজ্ঞরা। রুশ সেনারা ইউক্রেইন যুদ্ধে অপরাধ করছে বলে অভিযোগ আছে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের গঠন করা ইউক্রেইন বিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসামরিক মানুষদের সংক্ষিপ্ত বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাসহ বেশ কিছু যুদ্ধাপরাধ করেছে রুশ বাহিনী।