শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

মুদ্রাস্ফীতি রোধের দাবিতে হাঙ্গেরিতে ব্যাপক বিক্ষোভ

#
news image

বেতন বৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি রোধের দাবিতে হাঙ্গেরিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। রোববার দেশটির রাজধানী বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে শিক্ষক ও ছাত্ররা যোগ দিয়েছিল বলে জানিয়েছে বিভিন্ন বার্তাসংস্থা। দানিউবের উপর দিয়ে একটি সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে বিক্ষোভকারীরা ‘অরবান সরে যান’ এবং ‘শিক্ষক নেই, ভবিষ্যত নেই’ এর মতো ব্যানার নিয়ে মিছিল করেছে। মিছিলের কয়েক ঘণ্টা আগেই হাঙ্গেরির জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘অর্থনৈতিক সঙ্কটের’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেও গৃহস্থালী বিদ্যুৎ বিলের হার না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, সরকার শিক্ষকদের সামান্য বেতন দিয়ে হতাশ করেছে। অথচ মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ২০ শতাংশের ছিল এবং এখনও এটি বাড়ছে। জিয়ংই বেরেস্কি নামে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি...আমার সন্তানদের জন্য, পরিবর্তন হওয়া উচিত। এই দ্রুত বর্ধনশীল মুদ্রাস্ফীতি... আমরা আর কিছুতেই সঞ্চয় করতে পারছি না, দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা কিছুই করতে পারছি না।’

অনলাইন ডেস্ক

২৪ অক্টোবর, ২০২২,  11:44 PM

news image

বেতন বৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি রোধের দাবিতে হাঙ্গেরিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। রোববার দেশটির রাজধানী বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে শিক্ষক ও ছাত্ররা যোগ দিয়েছিল বলে জানিয়েছে বিভিন্ন বার্তাসংস্থা। দানিউবের উপর দিয়ে একটি সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে বিক্ষোভকারীরা ‘অরবান সরে যান’ এবং ‘শিক্ষক নেই, ভবিষ্যত নেই’ এর মতো ব্যানার নিয়ে মিছিল করেছে। মিছিলের কয়েক ঘণ্টা আগেই হাঙ্গেরির জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘অর্থনৈতিক সঙ্কটের’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেও গৃহস্থালী বিদ্যুৎ বিলের হার না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, সরকার শিক্ষকদের সামান্য বেতন দিয়ে হতাশ করেছে। অথচ মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ২০ শতাংশের ছিল এবং এখনও এটি বাড়ছে। জিয়ংই বেরেস্কি নামে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি...আমার সন্তানদের জন্য, পরিবর্তন হওয়া উচিত। এই দ্রুত বর্ধনশীল মুদ্রাস্ফীতি... আমরা আর কিছুতেই সঞ্চয় করতে পারছি না, দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা কিছুই করতে পারছি না।’