শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

কঙ্গোতে ১২ জনকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে

#
news image

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় একটি গ্রামে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা ১২ জনকে রামদা দিয়ে শিরশ্ছেদ করে। দেশটি বিভিন্ন গ্রুপের আঞ্চলিক সহিংসতায় জর্জরিত। বছরের পর বছর ধরে সেখানে এমন প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শনিবার স্থানীয় সূত্র এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র। স্থানীয় সুশীল সমাজ নেতা গুস্তাভ কাকানি এএফপি’কে বলেন, সশস্ত্র ব্যক্তিরা শুক্রবার সকালে আইতুরি প্রদেশের মসাম গ্রামে এ বিভৎস হামলা চালায়।তিনি আরো বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে নারী ও পুরুষ রয়েছে। এদের কয়েকজনকে রামদা দিয়ে শিরশ্ছেদ করা হয়। সেখানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়। হত্যা করার আগে তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।’

এ হামলা চালানো আইতুরির আইরুমু ভূখন্ডে অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক (এডিএফ) গ্রুপ সবচেয়ে বেশি তৎপর। তাদেরকে সেখানে প্রায় নিয়মিতভাবে সহিংসতা চালাতে দেখা যায়। কঙ্গোর বিশৃংখলাপূর্ণ পূর্বাঞ্চলে ১২০টিরও বেশি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এদের মধ্যে এডিএফ গ্রুপকে সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপূর্ণ কর্মকান্ড চালাতে দেখা যায়।  কঙ্গোর কয়েক হাজার মানুষকে গলা কেটে হত্যা করায় এবং প্রতিবেশি দেশ উগান্ডায় বিভিন্ন বোমা হামলা চালানোর জন্য এ গ্রুপকে দায়ী করা হয়। তবে কাকানি বলেন, শুক্রবারের এ ঘৃণ্য হামলা কারা চালিয়েছে তা এতো তাড়াতাড়ি বলা যাচ্ছে না। আইরুমু ভূখন্ডের সামরিক প্রশাসক কর্ণেল সাইরো সিম্বা সেখান থেকে ‘১২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে’ বলে নিশ্চিত করেন।

অনলাইন ডেস্ক

১৫ অক্টোবর, ২০২২,  9:18 PM

news image

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় একটি গ্রামে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা ১২ জনকে রামদা দিয়ে শিরশ্ছেদ করে। দেশটি বিভিন্ন গ্রুপের আঞ্চলিক সহিংসতায় জর্জরিত। বছরের পর বছর ধরে সেখানে এমন প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শনিবার স্থানীয় সূত্র এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র। স্থানীয় সুশীল সমাজ নেতা গুস্তাভ কাকানি এএফপি’কে বলেন, সশস্ত্র ব্যক্তিরা শুক্রবার সকালে আইতুরি প্রদেশের মসাম গ্রামে এ বিভৎস হামলা চালায়।তিনি আরো বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে নারী ও পুরুষ রয়েছে। এদের কয়েকজনকে রামদা দিয়ে শিরশ্ছেদ করা হয়। সেখানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়। হত্যা করার আগে তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।’

এ হামলা চালানো আইতুরির আইরুমু ভূখন্ডে অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক (এডিএফ) গ্রুপ সবচেয়ে বেশি তৎপর। তাদেরকে সেখানে প্রায় নিয়মিতভাবে সহিংসতা চালাতে দেখা যায়। কঙ্গোর বিশৃংখলাপূর্ণ পূর্বাঞ্চলে ১২০টিরও বেশি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এদের মধ্যে এডিএফ গ্রুপকে সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপূর্ণ কর্মকান্ড চালাতে দেখা যায়।  কঙ্গোর কয়েক হাজার মানুষকে গলা কেটে হত্যা করায় এবং প্রতিবেশি দেশ উগান্ডায় বিভিন্ন বোমা হামলা চালানোর জন্য এ গ্রুপকে দায়ী করা হয়। তবে কাকানি বলেন, শুক্রবারের এ ঘৃণ্য হামলা কারা চালিয়েছে তা এতো তাড়াতাড়ি বলা যাচ্ছে না। আইরুমু ভূখন্ডের সামরিক প্রশাসক কর্ণেল সাইরো সিম্বা সেখান থেকে ‘১২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে’ বলে নিশ্চিত করেন।