শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

আমার অফিস, যেদিন খুশি যাবো: ইসি আনিছুর

#
news image

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) সঙ্গে গত ৮ অক্টোবর বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রসঙ্গ তোলেন ডিসি-এসপিরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইসি আনিছুর রহমান।

একইসঙ্গে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আচরণবিধি প্রতিপালনে ডিসি ও এসপিদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তার এমন বক্তব্যের জেরে ডিসি-এসপিরা হইচই শুরু করেন। একপর্যায়ে ডায়াস ছেড়ে নিজ আসনে ফিরে যান আনিছুর রহমান।

তবে নিয়মবহির্ভূত ও নজিরবিহীন এমন ঘটনার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। আর এ ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। এতে ‘উষ্মা’ প্রকাশ করেন আনিছুর রহমান। ঘটনার দিনের পর থেকে আর অফিসও করেননি তিনি।

একজন নির্বাচন কমিশনার নাম প্রকাশ না করে জানান, সেদিনের ঘটনার পর থেকে তিনি (আনিছুর রহমান) কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। এমনকি মোবাইলে কল করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কারও সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগই রাখছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে গুঞ্জন ছড়ায় পদত্যাগ করতে পারেন ইসি আনিছুর রহমান। তবে সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

অফিস না করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি আনিছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার অফিস, আমি যেদিন খুশি যাবো। এ নিয়ে এত কথা বলার কী আছে?’

পদত্যাগের গুঞ্জন প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেইনি। বৃহস্পতি অথবা রোববার থেকে অফিসে যেতেও পারি।’

এদিকে, ডিসি ও এসপিদের সঙ্গে এ ধরনের ঘটনাকে ‘খারাপ ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমার মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের ধারণাটাই পাল্টে যাচ্ছে। সাংবিধানিক পদে কর্মরত একজন কর্মকর্তার সঙ্গে ডিসি-এসপিরা এ ধরনের আচরণ করতে পারেন না। তাদের কোনো কথা বলার থাকলে অন্যভাবে বলতে পারতেন। কিন্তু দলগতভাবে এভাবে কথা বলা কোনোভাবেই উচিত হয়নি।’

অনলাইন ডেস্ক

১৩ অক্টোবর, ২০২২,  1:11 AM

news image

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) সঙ্গে গত ৮ অক্টোবর বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রসঙ্গ তোলেন ডিসি-এসপিরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইসি আনিছুর রহমান।

একইসঙ্গে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আচরণবিধি প্রতিপালনে ডিসি ও এসপিদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তার এমন বক্তব্যের জেরে ডিসি-এসপিরা হইচই শুরু করেন। একপর্যায়ে ডায়াস ছেড়ে নিজ আসনে ফিরে যান আনিছুর রহমান।

তবে নিয়মবহির্ভূত ও নজিরবিহীন এমন ঘটনার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। আর এ ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। এতে ‘উষ্মা’ প্রকাশ করেন আনিছুর রহমান। ঘটনার দিনের পর থেকে আর অফিসও করেননি তিনি।

একজন নির্বাচন কমিশনার নাম প্রকাশ না করে জানান, সেদিনের ঘটনার পর থেকে তিনি (আনিছুর রহমান) কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। এমনকি মোবাইলে কল করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কারও সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগই রাখছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে গুঞ্জন ছড়ায় পদত্যাগ করতে পারেন ইসি আনিছুর রহমান। তবে সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

অফিস না করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি আনিছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার অফিস, আমি যেদিন খুশি যাবো। এ নিয়ে এত কথা বলার কী আছে?’

পদত্যাগের গুঞ্জন প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেইনি। বৃহস্পতি অথবা রোববার থেকে অফিসে যেতেও পারি।’

এদিকে, ডিসি ও এসপিদের সঙ্গে এ ধরনের ঘটনাকে ‘খারাপ ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমার মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের ধারণাটাই পাল্টে যাচ্ছে। সাংবিধানিক পদে কর্মরত একজন কর্মকর্তার সঙ্গে ডিসি-এসপিরা এ ধরনের আচরণ করতে পারেন না। তাদের কোনো কথা বলার থাকলে অন্যভাবে বলতে পারতেন। কিন্তু দলগতভাবে এভাবে কথা বলা কোনোভাবেই উচিত হয়নি।’