শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রশ্নে ‘আপোষের কোন সুযোগ নেই’: তাইওয়ান নেতা

#
news image

জাতীয় দিবসের ভাষণে তাইওয়ানের নেতা সোমবার বেইজিংকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দ্বীপটি তাদের গণতান্ত্রিক জীবনযাত্রার পথ কখনো পরিত্যাগ করবে না। ভাষণে তিনি তাইওয়ানকে নিয়ে চীনের পদক্ষেপকে রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের সাথে তুলনা  করেন। খবর এএফপি’র।
তাইওয়ানের দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির আগ্রাসনের হুমকির মুখে রয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ যেভাবে ভীতি ছড়িয়েছে, তাইওয়ানের ব্যাপারেও বেইজিংয়ের কিছু পদক্ষেপ একইভাবে ভীতি ছড়াচ্ছে।
জাতীয় দিবসের ভাষণে প্রেসিডেন্ট তিসাইল ইং-ওয়েন এক দিন তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণে বেইজিংয়ের উদ্দেশকে মস্কোর আগ্রাসনের সাথে তুলনা করেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে তাইওয়ান তাদের শক্তি প্রয়োগের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগের এমন চ্যালেঞ্জ আমরা একেবারে উপেক্ষা করতে পারি না। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তাইওয়ানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তাইওয়ানের চীনের অংশ হওয়ার কোন ইচ্ছে নেই।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ‘তাইওয়ানের জনগণ ও আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো একেবারে ঐক্যবদ্ধ যে আমরা অবশ্যই আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং আমাদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক জীবনযাত্রার পথ রক্ষা করবো।’
‘এক্ষেত্রে আমাদের আপোষ করার কোন সুযোগ নেই।’

অনলাইন ডেস্ক

১০ অক্টোবর, ২০২২,  9:44 PM

news image

জাতীয় দিবসের ভাষণে তাইওয়ানের নেতা সোমবার বেইজিংকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দ্বীপটি তাদের গণতান্ত্রিক জীবনযাত্রার পথ কখনো পরিত্যাগ করবে না। ভাষণে তিনি তাইওয়ানকে নিয়ে চীনের পদক্ষেপকে রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের সাথে তুলনা  করেন। খবর এএফপি’র।
তাইওয়ানের দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির আগ্রাসনের হুমকির মুখে রয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ যেভাবে ভীতি ছড়িয়েছে, তাইওয়ানের ব্যাপারেও বেইজিংয়ের কিছু পদক্ষেপ একইভাবে ভীতি ছড়াচ্ছে।
জাতীয় দিবসের ভাষণে প্রেসিডেন্ট তিসাইল ইং-ওয়েন এক দিন তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণে বেইজিংয়ের উদ্দেশকে মস্কোর আগ্রাসনের সাথে তুলনা করেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে তাইওয়ান তাদের শক্তি প্রয়োগের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগের এমন চ্যালেঞ্জ আমরা একেবারে উপেক্ষা করতে পারি না। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তাইওয়ানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তাইওয়ানের চীনের অংশ হওয়ার কোন ইচ্ছে নেই।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ‘তাইওয়ানের জনগণ ও আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো একেবারে ঐক্যবদ্ধ যে আমরা অবশ্যই আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং আমাদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক জীবনযাত্রার পথ রক্ষা করবো।’
‘এক্ষেত্রে আমাদের আপোষ করার কোন সুযোগ নেই।’