শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

চীনে ভয়াবহ গরম, বিদ্যুৎ সংকট

#
news image

চীনে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরা। গত কিছুদিন যাবৎ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে চলছিলো বিদ্যুৎ সংকট। গত রোববার দেশটিতে তাপমাত্রা কমে দাঁড়ায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলেছে। গরম থেকে বাঁচতে মানুষ দিনরাত এসি চালিয়েছেন। এর ফলে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। রোববার  তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভয়ংকর খরা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। বন্ধ হয়ে গেছে কল কারখানা, অন্ধকার হয়ে আছে সাবওয়ে। ঘরবাড়ি আর অফিসগুলোও ডুবে থাকছে আঁধারে। দীপ্তি হারিয়েছে ৮ কোটি মানুষের এ জনপদের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ-সংকট এখনো কাটেনি। বিদ্যুৎ-সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা গুলোতে। এর প্রভাব ধীরে ধীরে পুরো দেখেই পড়বে।  স্বাভাবিক সময়ে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ পুরো চীনকে বাঁচিয়ে রাখে। দেশটির মোট জলবিদ্যুতের ৩০ শতাংশ উৎপাদন হয় এখানে। কিন্তু সেচুয়ানে বিদ্যুৎ সংকটের ফলে অন্য অঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ এখানে আনতে হচ্ছে। এর ফলে টয়োটা, ফক্সকন-সহ একাধিক সংস্থা বন্ধ আছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।  নদীতে পানি না থাকায় প্রত্যক্ষভাবে খরার প্রভাব পড়েছে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ-কেন্দ্রে। এখন প্রথমে ছোট ও মাঝারি সংস্থাকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। তারপর বড় সংস্থাকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৯ আগস্ট, ২০২২,  10:51 PM

news image

চীনে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরা। গত কিছুদিন যাবৎ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে চলছিলো বিদ্যুৎ সংকট। গত রোববার দেশটিতে তাপমাত্রা কমে দাঁড়ায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলেছে। গরম থেকে বাঁচতে মানুষ দিনরাত এসি চালিয়েছেন। এর ফলে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। রোববার  তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভয়ংকর খরা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। বন্ধ হয়ে গেছে কল কারখানা, অন্ধকার হয়ে আছে সাবওয়ে। ঘরবাড়ি আর অফিসগুলোও ডুবে থাকছে আঁধারে। দীপ্তি হারিয়েছে ৮ কোটি মানুষের এ জনপদের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ-সংকট এখনো কাটেনি। বিদ্যুৎ-সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা গুলোতে। এর প্রভাব ধীরে ধীরে পুরো দেখেই পড়বে।  স্বাভাবিক সময়ে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ পুরো চীনকে বাঁচিয়ে রাখে। দেশটির মোট জলবিদ্যুতের ৩০ শতাংশ উৎপাদন হয় এখানে। কিন্তু সেচুয়ানে বিদ্যুৎ সংকটের ফলে অন্য অঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ এখানে আনতে হচ্ছে। এর ফলে টয়োটা, ফক্সকন-সহ একাধিক সংস্থা বন্ধ আছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।  নদীতে পানি না থাকায় প্রত্যক্ষভাবে খরার প্রভাব পড়েছে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ-কেন্দ্রে। এখন প্রথমে ছোট ও মাঝারি সংস্থাকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। তারপর বড় সংস্থাকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।