শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

নয়াদিল্লীতে বাংলাদেশ-ভারত মন্ত্রী পর্যায়ের জেআরসি বৈঠক শুরু

#
news image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে সুষমা স্বরাজ ভবনে আজ বিকেলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি)  মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। 
বৈঠকে ভারতের জল শক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শাখাওয়াৎ ও বাংলাদেশের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বৈঠকে অংশ গ্রহণ করছেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, এ আগে মঙ্গলবার জেআরসি’র সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দু’দেশের  কর্মকর্তারা এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পানি বন্টন ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। 
চলতি বৈঠকে দু’পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত কিছু ইস্যুর নিষ্পত্তি করবে।
সূূত্র আরো জানায়, আজকের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে এসব দলিলপত্র স্বাক্ষরিত হতে পারে। 
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দেয়া হতে পারে।
সূত্রগুলো এর আগে জানিয়েছে, আজকের বৈঠকে দু’পক্ষ গঙ্গার পানি বন্টনের ওপর যৌথ সমীক্ষা চূড়ান্ত এবং কুশিয়ারা নদী থেকে পানি প্রত্যাহারের ব্যাপারে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 
বৈঠকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি প্রবাহের উপাত্ত বিনিময়ের বিষয়ে ওপরও একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত হবে।
এর আগে বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত তিস্তা ইস্যুটি উত্থাপন করবে। এছাড়াও ছয়টি অভিন্ন নদী- মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নিয়ে একটি কাঠামো চুক্তিও চূড়ান্ত করা হবে।
এছাড়া, গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি নবায়ন সম্পর্কিত ইস্যুগুলো নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।   
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানি বন্টনের বিষয়ে যুগান্তকারী চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৬ সালের শেষ দিকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
২০২০ সালের মার্চ মাসে সর্বশেষ মন্ত্রী পর্যায়ের জেআরসি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৫ আগস্ট, ২০২২,  9:19 PM

news image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে সুষমা স্বরাজ ভবনে আজ বিকেলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি)  মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। 
বৈঠকে ভারতের জল শক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শাখাওয়াৎ ও বাংলাদেশের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বৈঠকে অংশ গ্রহণ করছেন। 
বৈঠক সূত্র জানায়, এ আগে মঙ্গলবার জেআরসি’র সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দু’দেশের  কর্মকর্তারা এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পানি বন্টন ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। 
চলতি বৈঠকে দু’পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত কিছু ইস্যুর নিষ্পত্তি করবে।
সূূত্র আরো জানায়, আজকের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে এসব দলিলপত্র স্বাক্ষরিত হতে পারে। 
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দেয়া হতে পারে।
সূত্রগুলো এর আগে জানিয়েছে, আজকের বৈঠকে দু’পক্ষ গঙ্গার পানি বন্টনের ওপর যৌথ সমীক্ষা চূড়ান্ত এবং কুশিয়ারা নদী থেকে পানি প্রত্যাহারের ব্যাপারে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 
বৈঠকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি প্রবাহের উপাত্ত বিনিময়ের বিষয়ে ওপরও একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত হবে।
এর আগে বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত তিস্তা ইস্যুটি উত্থাপন করবে। এছাড়াও ছয়টি অভিন্ন নদী- মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নিয়ে একটি কাঠামো চুক্তিও চূড়ান্ত করা হবে।
এছাড়া, গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি নবায়ন সম্পর্কিত ইস্যুগুলো নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।   
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানি বন্টনের বিষয়ে যুগান্তকারী চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৬ সালের শেষ দিকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
২০২০ সালের মার্চ মাসে সর্বশেষ মন্ত্রী পর্যায়ের জেআরসি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।