শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

করোনায় ডায়াবেটিক রোগীরা যা করবেন

#
news image

ডায়াবেটিক রোগীদের যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য ঝুঁকি যেমন কিডনি রোগ, হার্টের অসুখ থাকে, তাই করোনা সহজেই ডায়াবেটিক রোগীর দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
♦ যাদের ডায়াবেটিক এবং সঙ্গে অন্য ঝুঁকি আছে, সবাইকে শিগগিরই ভ্যাক্সিন এবং বুস্টার ডোজ নিতে হবে।
♦ ভ্যাক্সিন নেওয়া থাকলে কভিড হলেও তা মারাত্মক আকার ধারণ করবে না।
♦ বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে বাজার বা পাবলিক প্লেস থেকে আসার পর।
♦ বাইরে থাকার সময় যত দূর পারা যায় নাক, মুখ, চোখ কম স্পর্শ করতে হবে।
♦ বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক দিয়ে ভালো করে নাক, মুখ ঢাকতে হবে।
♦ হেক্সিসল দিয়ে আপনার হাত, সেলফোন, কিবোর্ড কিছুক্ষণ পর পর পরিষ্কার করতে হবে।
আক্রান্ত হলে
♦ প্রচুর পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার খাবেন, মিষ্টি জাতীয় শরবত খাওয়া যাবে না। ডাবের পানি খাওয়া যাবে।
♦ আপনার ডায়াবেটিসের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ পরিবর্তন করতে হতে পারে। যেমন জ¦র/বমি অবস্থায় মেটফরমিন জাতীয় ওষুধ বন্ধ রাখতে হবে।
♦ বাসায় গ্লুকোমিটার মেশিন দিয়ে ব্লাড সুগার পরীক্ষা করবেন ৬-১০ মি. মোল/লি.-এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকতে হবে।
♦ বাসায় পালস অক্সিমিটার মেশিন দিয়ে সেচুরেশন পরীক্ষা করবেন। যদি ৯৩%-এর কমে নেমে যায় তাহলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন, প্রয়োজনে ভর্তি হবেন।
আপনার যদি ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিসের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় যেমনÑব্লাড সুগার টানা দুইবার ১৪.০ মি. মোল/লি.-এর বেশি, শ্বাসকষ্ট, মুখ শুকিয়ে যাওয়াÑতাহলে দেরি না করে ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন।
ডায়াবেটিক রোগীদের কভিড-১৯ থেকে কভিড নিউমোনিয়া, কিডনির পয়েন্ট বেড়ে যাওয়া এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার সমস্যা হতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগী কভিডে আক্রান্ত হলে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি অবশ্যই একজন ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম কনসালট্যান্ট ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৭ জুলাই, ২০২২,  11:15 PM

news image

ডায়াবেটিক রোগীদের যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য ঝুঁকি যেমন কিডনি রোগ, হার্টের অসুখ থাকে, তাই করোনা সহজেই ডায়াবেটিক রোগীর দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
♦ যাদের ডায়াবেটিক এবং সঙ্গে অন্য ঝুঁকি আছে, সবাইকে শিগগিরই ভ্যাক্সিন এবং বুস্টার ডোজ নিতে হবে।
♦ ভ্যাক্সিন নেওয়া থাকলে কভিড হলেও তা মারাত্মক আকার ধারণ করবে না।
♦ বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে বাজার বা পাবলিক প্লেস থেকে আসার পর।
♦ বাইরে থাকার সময় যত দূর পারা যায় নাক, মুখ, চোখ কম স্পর্শ করতে হবে।
♦ বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক দিয়ে ভালো করে নাক, মুখ ঢাকতে হবে।
♦ হেক্সিসল দিয়ে আপনার হাত, সেলফোন, কিবোর্ড কিছুক্ষণ পর পর পরিষ্কার করতে হবে।
আক্রান্ত হলে
♦ প্রচুর পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার খাবেন, মিষ্টি জাতীয় শরবত খাওয়া যাবে না। ডাবের পানি খাওয়া যাবে।
♦ আপনার ডায়াবেটিসের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ পরিবর্তন করতে হতে পারে। যেমন জ¦র/বমি অবস্থায় মেটফরমিন জাতীয় ওষুধ বন্ধ রাখতে হবে।
♦ বাসায় গ্লুকোমিটার মেশিন দিয়ে ব্লাড সুগার পরীক্ষা করবেন ৬-১০ মি. মোল/লি.-এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকতে হবে।
♦ বাসায় পালস অক্সিমিটার মেশিন দিয়ে সেচুরেশন পরীক্ষা করবেন। যদি ৯৩%-এর কমে নেমে যায় তাহলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন, প্রয়োজনে ভর্তি হবেন।
আপনার যদি ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিসের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় যেমনÑব্লাড সুগার টানা দুইবার ১৪.০ মি. মোল/লি.-এর বেশি, শ্বাসকষ্ট, মুখ শুকিয়ে যাওয়াÑতাহলে দেরি না করে ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন।
ডায়াবেটিক রোগীদের কভিড-১৯ থেকে কভিড নিউমোনিয়া, কিডনির পয়েন্ট বেড়ে যাওয়া এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার সমস্যা হতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগী কভিডে আক্রান্ত হলে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি অবশ্যই একজন ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম কনসালট্যান্ট ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।