শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ইসির সংলাপ পাতানো নির্বাচনের নাটক : রব

#
news image

নির্বাচন কমিশনের সংলাপকে পাতানো নির্বাচনের নাটক বলে দাবি করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় অনুষ্ঠিত জেএসডির স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

আ স ম আবদুর রব বলেন, আগামী দ্বাদশ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার প্রশ্নেই জরুরি, অন্যথায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকিতে পড়বে। একইসঙ্গে ভূ রাজনীতিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের নিরাপত্তাও হুমকিতে পড়বে। 

তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী দলীয় সরকার ক্ষমতায় রেখে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে না। ফলে সরকারের ‘অধীন ও অধীনস্থ’ থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত ‘রোডম্যাপ’ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না। নির্বাচন কমিশনের সংলাপ পাতানো নির্বাচনের নাটক।

সভায় এক রাজনৈতিক প্রস্তাবে বলা হয়, বাংলাদেশের বাস্তবতায় নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে দলীয় সরকার তার ‘অধীন’ ও ‘অধীনস্থ’ করে ফেলে, তাই প্রবল ক্ষমতাতন্ত্রের বিপরীতে শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা বা আন্তরিকতা দিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকারের কাছে নির্বাচন হচ্ছে ক্ষমতা ধরে রাখার উপায়। আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে বাংলাদেশ নামে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এই সরকার ছাড়া অন্য কারো জন্য প্রযোজ্য নয়। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক চেতনা, বিবেক ও সত্য বিসর্জন দিয়ে যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রতিজ্ঞায় অন্ধ। নির্বাচন মানেই সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার নামান্তর। 

এবারও দলীয় সরকার বহাল থাকলে প্রশাসন, পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও সরকার হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য করবে। সংবিধান বহির্ভূত অবৈধ ও বেআইনি কাজে দেশ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতির প্রয়োগ বা কারচুপি, ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা মিডিয়া ক্যু ছাড়া সরকারি দলের জয়লাভের কোনো সম্ভাবনাই নেই। ফলে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সরকার অনিচ্ছুক।

সুতরাং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে বিদ্যমান নির্বাচন কমিশন সরকারের পাতানো দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আয়োজন করলে তা হবে দেশের জন্য চরম আত্মঘাতী পদক্ষেপ। তাই নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভার কোন মতামত বা অভিমত বিদ্যমান অবস্থায় নির্বাচনী ব্যবস্থায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই আগামী ২৪ জুলাই নির্বাচন কমিশনের ডাকা সংলাপে জেএসডি অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, স্থায়ী কমিটির সদস্য তানিয়া রব এবং কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জুলাই, ২০২২,  10:32 PM

news image

নির্বাচন কমিশনের সংলাপকে পাতানো নির্বাচনের নাটক বলে দাবি করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় অনুষ্ঠিত জেএসডির স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

আ স ম আবদুর রব বলেন, আগামী দ্বাদশ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার প্রশ্নেই জরুরি, অন্যথায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকিতে পড়বে। একইসঙ্গে ভূ রাজনীতিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের নিরাপত্তাও হুমকিতে পড়বে। 

তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী দলীয় সরকার ক্ষমতায় রেখে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে না। ফলে সরকারের ‘অধীন ও অধীনস্থ’ থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত ‘রোডম্যাপ’ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না। নির্বাচন কমিশনের সংলাপ পাতানো নির্বাচনের নাটক।

সভায় এক রাজনৈতিক প্রস্তাবে বলা হয়, বাংলাদেশের বাস্তবতায় নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে দলীয় সরকার তার ‘অধীন’ ও ‘অধীনস্থ’ করে ফেলে, তাই প্রবল ক্ষমতাতন্ত্রের বিপরীতে শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা বা আন্তরিকতা দিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকারের কাছে নির্বাচন হচ্ছে ক্ষমতা ধরে রাখার উপায়। আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে বাংলাদেশ নামে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এই সরকার ছাড়া অন্য কারো জন্য প্রযোজ্য নয়। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক চেতনা, বিবেক ও সত্য বিসর্জন দিয়ে যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রতিজ্ঞায় অন্ধ। নির্বাচন মানেই সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার নামান্তর। 

এবারও দলীয় সরকার বহাল থাকলে প্রশাসন, পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও সরকার হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য করবে। সংবিধান বহির্ভূত অবৈধ ও বেআইনি কাজে দেশ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতির প্রয়োগ বা কারচুপি, ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা মিডিয়া ক্যু ছাড়া সরকারি দলের জয়লাভের কোনো সম্ভাবনাই নেই। ফলে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সরকার অনিচ্ছুক।

সুতরাং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে বিদ্যমান নির্বাচন কমিশন সরকারের পাতানো দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আয়োজন করলে তা হবে দেশের জন্য চরম আত্মঘাতী পদক্ষেপ। তাই নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভার কোন মতামত বা অভিমত বিদ্যমান অবস্থায় নির্বাচনী ব্যবস্থায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই আগামী ২৪ জুলাই নির্বাচন কমিশনের ডাকা সংলাপে জেএসডি অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, স্থায়ী কমিটির সদস্য তানিয়া রব এবং কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।