শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হতে চলেছে ভারত

#
news image

প্রতিবেদন 
২০১০ থেকে ২০২০ এই ১০ বছরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে বেড়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা। ভারতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দাবি করা হচ্ছে, আগামী ২৫ বছরে বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হতে চলেছে ভারত। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে বিশ্বে মুসলিমদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৩৪.৭ কোটি। যা অন্যসব ধর্মের মোট জনসংখ্যার বৃদ্ধির চেয়েও বেশি। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের সংখ্যা যেখানে ২০১০ সালে ছিল ২৩.৯ শতাংশ, ২০২০ সালে তা হয়েছে ২৫.৬ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে পিউ রিসার্চ সেন্টার বলেছে, মুসলিমদের জন্মহার মৃত্যু হারের চেয়ে অনেক বেশি। তবে এই সংখ্যায় ধর্মান্তকরণের ঘটনাও রয়েছে। তবে তার পরিমাণ কম।

মুসলিম জনসংখ্যার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। পিউ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা পৌঁছাবে ২৮০ কোটিতে। সেই হিসেবে ২০৫০ সালের মধ্যে ইন্দোনেশিয়াকে পিছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হয়ে উঠবে ভারত।

অন্যদিকে পিউ’র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০-২০ সময়কালে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বেড়েছে ১২ শতাংশ। যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রায় সমান। ২০২০ সালে বিশ্বে হিন্দুদের জনসংখ্যা ছিল ১২০ কোটি, যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১৪.৯ শতাংশ। এদিকে সবচেয়ে বেশি হিন্দু জনসংখ্যার দেশ ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা কিছুটা কমেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০ সালে ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যেখানে ছিল ৮০ শতাংশ। ২০২০ সালে সেটা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৯ শতাংশ। অন্যদিকে একই সময়েসীমায় দেশটিতে মুসলিমদের জনসংখ্যা ১৪.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.২ শতাংশ। ১০ বছরে ভারতে মুসলিমদের জনসংখ্যা ৩.৫৬ কোটি বেড়েছে বলে জানিয়েছে পিউ রিসার্চ সেন্টার। এই বৃদ্ধির জন্য অধিক প্রজননকেই দায়ী করা হয়েছে। ধর্ম পরিবর্তনের ঘটনা থাকলেও তা তুলনায় অনেক কম।

এই রিপোর্টে অন্যান্য ধর্মের জনসংখ্যার রিপোর্টও সামনে আনা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এই ১০ বছরে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ২১৮ কোটি থেকে ২৩০ কোটি হয়েছে হয়েছে। অর্থাৎ ৩০.৬ শতাংশ থেকে কমে ২৮.৮ শতাংশে নেমেছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের জনসংখ্যা আগের চেয়ে অনেক কমেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বেশি মানুষের বাস চীনে। সাম্প্রতি সময়ে চীনে জন্মহার নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ির জেরে বৌদ্ধদের সংখ্যা কমেছে। আরও একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো মুসলিমদের পর সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নাস্তিকদের। ২৭ কোটি বেড়ে নাস্তিকদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ কোটিতে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৪.২ শতাংশ মানুষ নাস্তিক।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ জুলাই, ২০২৫,  8:17 AM

news image

প্রতিবেদন 
২০১০ থেকে ২০২০ এই ১০ বছরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে বেড়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা। ভারতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দাবি করা হচ্ছে, আগামী ২৫ বছরে বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হতে চলেছে ভারত। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে বিশ্বে মুসলিমদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৩৪.৭ কোটি। যা অন্যসব ধর্মের মোট জনসংখ্যার বৃদ্ধির চেয়েও বেশি। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের সংখ্যা যেখানে ২০১০ সালে ছিল ২৩.৯ শতাংশ, ২০২০ সালে তা হয়েছে ২৫.৬ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে পিউ রিসার্চ সেন্টার বলেছে, মুসলিমদের জন্মহার মৃত্যু হারের চেয়ে অনেক বেশি। তবে এই সংখ্যায় ধর্মান্তকরণের ঘটনাও রয়েছে। তবে তার পরিমাণ কম।

মুসলিম জনসংখ্যার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। পিউ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা পৌঁছাবে ২৮০ কোটিতে। সেই হিসেবে ২০৫০ সালের মধ্যে ইন্দোনেশিয়াকে পিছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হয়ে উঠবে ভারত।

অন্যদিকে পিউ’র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০-২০ সময়কালে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বেড়েছে ১২ শতাংশ। যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রায় সমান। ২০২০ সালে বিশ্বে হিন্দুদের জনসংখ্যা ছিল ১২০ কোটি, যা বিশ্বের জনসংখ্যার ১৪.৯ শতাংশ। এদিকে সবচেয়ে বেশি হিন্দু জনসংখ্যার দেশ ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা কিছুটা কমেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০ সালে ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যেখানে ছিল ৮০ শতাংশ। ২০২০ সালে সেটা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৯ শতাংশ। অন্যদিকে একই সময়েসীমায় দেশটিতে মুসলিমদের জনসংখ্যা ১৪.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.২ শতাংশ। ১০ বছরে ভারতে মুসলিমদের জনসংখ্যা ৩.৫৬ কোটি বেড়েছে বলে জানিয়েছে পিউ রিসার্চ সেন্টার। এই বৃদ্ধির জন্য অধিক প্রজননকেই দায়ী করা হয়েছে। ধর্ম পরিবর্তনের ঘটনা থাকলেও তা তুলনায় অনেক কম।

এই রিপোর্টে অন্যান্য ধর্মের জনসংখ্যার রিপোর্টও সামনে আনা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এই ১০ বছরে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ২১৮ কোটি থেকে ২৩০ কোটি হয়েছে হয়েছে। অর্থাৎ ৩০.৬ শতাংশ থেকে কমে ২৮.৮ শতাংশে নেমেছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের জনসংখ্যা আগের চেয়ে অনেক কমেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বেশি মানুষের বাস চীনে। সাম্প্রতি সময়ে চীনে জন্মহার নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ির জেরে বৌদ্ধদের সংখ্যা কমেছে। আরও একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো মুসলিমদের পর সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নাস্তিকদের। ২৭ কোটি বেড়ে নাস্তিকদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ কোটিতে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৪.২ শতাংশ মানুষ নাস্তিক।