শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

'চোখ বেঁধে, হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে তুলে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়'- নাহিদ ইসলাম

#
news image

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ও শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।

সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার পর নাহিদ ইসলাম বলেছেন, "ডিবি পরিচয়ে রাষ্ট্রীয় একটি বাহিনী আমাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এখনো আমার দুই কাঁধ ও বাম পায়ের রক্ত জমাট বেধে আছে"।

তিনি বলেন, আমার ধারণা রাষ্ট্রীয় কোন বাহিনী আমাকে তুলে নিয়েছিল। তুলে নেয়ার পর একটি প্রাইভেট কার বা মাইক্রোতে ওঠানো হয়। তিন থেকে চার স্তরের কাপড় দিয়ে তার চোখ বাঁধা হয় এবং হ্যান্ডকাফ পরানো হয়"।

“কিছু সময় পর গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি বাড়ির রুমে নেওয়া হয়। আমাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরবর্তীতে আমার উপর মানসিক ও শারীরিক টর্চার শুরু করা হয়। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর আমার কোন স্মৃতি নাই।”

রোববার ভোর চারটা থেকে পাঁচটার দিকে ঢাকার পূর্বাচল এলাকায় তার জ্ঞান ফেরে বলে জানান তিনি।

মি. ইসলাম বলেন, "এই আন্দোলনে আমি যাতে নেতৃত্ব বা নির্দেশনা দিতে না পারি এমন কোন বিষয় থেকে হয়তো আমাকে তুলে নেয়া হয়েছিল। হয়তো নানামূখী চাপের কারণে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে”।

কারফিউর মধ্যে কর্মসূচী থাকবে কী না সেটি এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি। বিবিসি বাংলা

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

২১ জুলাই, ২০২৪,  10:30 PM

news image

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ও শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।

সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার পর নাহিদ ইসলাম বলেছেন, "ডিবি পরিচয়ে রাষ্ট্রীয় একটি বাহিনী আমাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এখনো আমার দুই কাঁধ ও বাম পায়ের রক্ত জমাট বেধে আছে"।

তিনি বলেন, আমার ধারণা রাষ্ট্রীয় কোন বাহিনী আমাকে তুলে নিয়েছিল। তুলে নেয়ার পর একটি প্রাইভেট কার বা মাইক্রোতে ওঠানো হয়। তিন থেকে চার স্তরের কাপড় দিয়ে তার চোখ বাঁধা হয় এবং হ্যান্ডকাফ পরানো হয়"।

“কিছু সময় পর গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি বাড়ির রুমে নেওয়া হয়। আমাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরবর্তীতে আমার উপর মানসিক ও শারীরিক টর্চার শুরু করা হয়। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর আমার কোন স্মৃতি নাই।”

রোববার ভোর চারটা থেকে পাঁচটার দিকে ঢাকার পূর্বাচল এলাকায় তার জ্ঞান ফেরে বলে জানান তিনি।

মি. ইসলাম বলেন, "এই আন্দোলনে আমি যাতে নেতৃত্ব বা নির্দেশনা দিতে না পারি এমন কোন বিষয় থেকে হয়তো আমাকে তুলে নেয়া হয়েছিল। হয়তো নানামূখী চাপের কারণে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে”।

কারফিউর মধ্যে কর্মসূচী থাকবে কী না সেটি এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি। বিবিসি বাংলা