শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

লোকসভার প্রধান বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন রাহুল গান্ধী

#
news image

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। দীর্ঘ ১০ বছর পর প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা পেল ভারতের লোকসভা। আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে রাহুল গান্ধীর নাম। খবর এনডিটিভির। এর আগে গেল শনিবার দল থেকে রাহুল গান্ধীকে সর্বসম্মতভাবে এই পদে মনোনয়ন দেয়া হয়। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধীদের 'ইন্ডিয়া' জোটের অন্য শরিকদের সঙ্গে আলোচনার পর এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতে এ ঘোষণা দেয় কংগ্রেস। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল এমন কথাই জানিয়েছেন। একই দিন রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮তম লোকসভায় রাহুল গান্ধী প্রধান বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন বলে মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল। তিনি বলেছেন, ‘সিপিপি চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।’

এছাড়া অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মূলত  আজ বুধবারই (২৬ জুন) ভারতের ১৮তম লোকসভা সাক্ষী হতে চলেছে এক বড় লড়াইয়ের। বিরোধী এবং শাসক জোটের মধ্যে ভোটাভুটি হবে লোকসভার স্পিকার পদ নিয়ে। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই সিদ্ধান্ত জানানো হলো। এদিকে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার আগে দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে ইনডিয়া জোটের লোকসভার নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাহুল। সেই বৈঠকেই তাকে লোকসভার প্রধান বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবশ্য গত ৯ জুন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছিল। তারপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার রাহুলের ওপরই দেওয়া হয়েছিল। রাহুল গান্ধী সেসময় জানিয়েছিলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই বিষয়ে ভেবে দেখার জন্য তার কিছুটা সময় দরকার।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী বিরোধী দলনেতার পদে যাওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশক পর লোকসভার প্রধান বিরোধী দলের নেতা পদটি ফিরে পেল কংগ্রেস। ২০১৪ সালের নির্বাচনে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সময় কংগ্রেস মাত্র ৪৪টি আসন জিতেছিল। আর ২০১৯ সালে জিতেছিল ৫২টি আসন। দুইবারই বিজেপির পর সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল ছিল কংগ্রেস। কিন্তু সংসদে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি দলটি। নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভায় ১০ শতাংশের কম আসন পেলে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা বা প্রধান বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়া যায় না। অবশ্য এ বছরের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে।

নাগরিক ডেস্ক

২৬ জুন, ২০২৪,  9:17 PM

news image

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। দীর্ঘ ১০ বছর পর প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা পেল ভারতের লোকসভা। আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে রাহুল গান্ধীর নাম। খবর এনডিটিভির। এর আগে গেল শনিবার দল থেকে রাহুল গান্ধীকে সর্বসম্মতভাবে এই পদে মনোনয়ন দেয়া হয়। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধীদের 'ইন্ডিয়া' জোটের অন্য শরিকদের সঙ্গে আলোচনার পর এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতে এ ঘোষণা দেয় কংগ্রেস। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল এমন কথাই জানিয়েছেন। একই দিন রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮তম লোকসভায় রাহুল গান্ধী প্রধান বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন বলে মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল। তিনি বলেছেন, ‘সিপিপি চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।’

এছাড়া অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মূলত  আজ বুধবারই (২৬ জুন) ভারতের ১৮তম লোকসভা সাক্ষী হতে চলেছে এক বড় লড়াইয়ের। বিরোধী এবং শাসক জোটের মধ্যে ভোটাভুটি হবে লোকসভার স্পিকার পদ নিয়ে। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই সিদ্ধান্ত জানানো হলো। এদিকে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার আগে দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে ইনডিয়া জোটের লোকসভার নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাহুল। সেই বৈঠকেই তাকে লোকসভার প্রধান বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবশ্য গত ৯ জুন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছিল। তারপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার রাহুলের ওপরই দেওয়া হয়েছিল। রাহুল গান্ধী সেসময় জানিয়েছিলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই বিষয়ে ভেবে দেখার জন্য তার কিছুটা সময় দরকার।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী বিরোধী দলনেতার পদে যাওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশক পর লোকসভার প্রধান বিরোধী দলের নেতা পদটি ফিরে পেল কংগ্রেস। ২০১৪ সালের নির্বাচনে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সময় কংগ্রেস মাত্র ৪৪টি আসন জিতেছিল। আর ২০১৯ সালে জিতেছিল ৫২টি আসন। দুইবারই বিজেপির পর সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল ছিল কংগ্রেস। কিন্তু সংসদে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি দলটি। নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভায় ১০ শতাংশের কম আসন পেলে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা বা প্রধান বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়া যায় না। অবশ্য এ বছরের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে।