শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

সরকারি সড়কও রক্ষা পাইনি বেনজীরের হাত থেকে  

#
news image

গোপালগঞ্জ সদরে সরকারি রাস্তা দখলের পর বহুতল গেট নির্মাণ করে  দীর্ঘদিন ব্যবসা করছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোল এলাকার পাকা পিচ ঢালাই রাস্তা দখল করে নিজ মালিকানা সাভানা ইকো রিসোর্টে ব্যবহার করছেন তিনি। ফলে ওই সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করতে পারছে না গ্রামবাসী। অভিযোগ রয়েছে  যে ওই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে মার খেয়েছে অনেকে। রিসোর্টটির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় দিনের পর দিন এসব সহ্য করে গেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগের সাহস পায়নি তারা। তবে সম্প্রতি নতুন করে এই রিসোর্টটি আলোচনায় আসায় সরকারি  রাস্তাটি দখলদারের হাত থেকে  উদ্ধার করে গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

জানা গেছে, ২০২১ - ২২ অর্থবছরে বৈরাগীটোল এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে দুই কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) । এরমধ্যে এক কিলোমিটার সড়ক পড়েছে সাবেক আইজিপি বেনজীরের ইকো রিসোর্টের মধ্যে দিয়ে। রাস্তাটি নির্মাণের পর অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে দখলে নেন বেনজীর। বহুতল গেট নির্মাণ করে বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণের চলাচল। সঞ্জয় বল নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ‘সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর অবৈধ ভাবে রাস্তার ওপর গেট নির্মাণ করে আমাদের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা আমাদের জমির উৎপাদিত ধান, সবজি, মাছ সহ নানা ফসল আনতে যেতে পারি না। সরকারি রাস্তা থাকার পরও আমাদের বিলের কাদা পানির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই, আমমাদের গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য রাস্তাটি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।’

সরকারি রাস্তা কেন বন্ধ করে রাখা হয়েছে জানতে চাইলে রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মী সাহেদ বলেন, ‘আমার অথোরিটি জানে। আর এতদিন দখল করে রাখছে কেউ আসে নাই। এখন হাতি বিপদে পড়ছে তাই সবার নজর পড়ছে।’ এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী নাজনীন জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমি আমার তহশিলদার কে পাঠাচ্ছি। রিপোর্ট পাবার পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম নাগরিক টেলিভিশন কে বলেন,আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম।  আমরা খুব দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

নাগরিক প্রতিবেদন

০৯ জুন, ২০২৪,  8:45 AM

news image

গোপালগঞ্জ সদরে সরকারি রাস্তা দখলের পর বহুতল গেট নির্মাণ করে  দীর্ঘদিন ব্যবসা করছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোল এলাকার পাকা পিচ ঢালাই রাস্তা দখল করে নিজ মালিকানা সাভানা ইকো রিসোর্টে ব্যবহার করছেন তিনি। ফলে ওই সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করতে পারছে না গ্রামবাসী। অভিযোগ রয়েছে  যে ওই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে মার খেয়েছে অনেকে। রিসোর্টটির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় দিনের পর দিন এসব সহ্য করে গেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগের সাহস পায়নি তারা। তবে সম্প্রতি নতুন করে এই রিসোর্টটি আলোচনায় আসায় সরকারি  রাস্তাটি দখলদারের হাত থেকে  উদ্ধার করে গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

জানা গেছে, ২০২১ - ২২ অর্থবছরে বৈরাগীটোল এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে দুই কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) । এরমধ্যে এক কিলোমিটার সড়ক পড়েছে সাবেক আইজিপি বেনজীরের ইকো রিসোর্টের মধ্যে দিয়ে। রাস্তাটি নির্মাণের পর অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে দখলে নেন বেনজীর। বহুতল গেট নির্মাণ করে বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণের চলাচল। সঞ্জয় বল নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ‘সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর অবৈধ ভাবে রাস্তার ওপর গেট নির্মাণ করে আমাদের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা আমাদের জমির উৎপাদিত ধান, সবজি, মাছ সহ নানা ফসল আনতে যেতে পারি না। সরকারি রাস্তা থাকার পরও আমাদের বিলের কাদা পানির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই, আমমাদের গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য রাস্তাটি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।’

সরকারি রাস্তা কেন বন্ধ করে রাখা হয়েছে জানতে চাইলে রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মী সাহেদ বলেন, ‘আমার অথোরিটি জানে। আর এতদিন দখল করে রাখছে কেউ আসে নাই। এখন হাতি বিপদে পড়ছে তাই সবার নজর পড়ছে।’ এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী নাজনীন জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমি আমার তহশিলদার কে পাঠাচ্ছি। রিপোর্ট পাবার পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম নাগরিক টেলিভিশন কে বলেন,আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম।  আমরা খুব দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।