শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যতিক্রমী ‘ঘুম প্রতিযোগিতা’

#
news image

মানুষকে বিশ্রামে উদ্বুদ্ধ করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির রাজধানী সিউলের ইয়েউইডো হান রিভার পার্কে একটি ব্যতিক্রমী ঘুম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রায় ১০০ প্রতিযোগী এতে অংশ নেন। খবর জিনহুয়া নিউজের। প্রতিযোগিতাটির আয়োজক লিম জি-হিওন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ খুব কম ঘুমায়। আশা করি এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানুষ বিশ্রাম নেওয়া এবং ঘুমের সুফল সম্পর্কে সচেতন হবে। ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারীদের তাদের সবচেয়ে আরামদায়ক পোশাক পরে আসতে বলা হয়েছিল। প্রতিযোগিতার স্থানে দেওয়া এয়ার কোচে শুয়ে ঘুমাতে হয়েছে তাদের। প্রতিযোগিদের প্রত্যেককে ঘুমাতে হয়েছে দেড় ঘণ্টা।

অংশগ্রহণকারী অনেকের মধ্যেই ছিলো বেশ উচ্ছ্বাসের সুর। একজন বলেন, সাধারণত আমরা সপ্তাহজুড়েই অনেক কাজ করি। ক্লান্ত হলেও ঘুমাতে পারি না। প্রতিযোগিতাটি দারুণ, ঘুমাতে পারবো শুনে এতে অংশ নিতে এসেছি। কার ঘুম কত ভালো তা নির্ধারণ করা হয়েছে হার্ট রেটের পার্থক্য পরিমাপ করে। রাতে বেশি ঘুমায় ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা। অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বাসিন্দারা ঘুমায় সবচেয়ে কম।

নাগরিক ডেস্ক

১৯ মে, ২০২৪,  3:13 PM

news image

মানুষকে বিশ্রামে উদ্বুদ্ধ করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির রাজধানী সিউলের ইয়েউইডো হান রিভার পার্কে একটি ব্যতিক্রমী ঘুম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রায় ১০০ প্রতিযোগী এতে অংশ নেন। খবর জিনহুয়া নিউজের। প্রতিযোগিতাটির আয়োজক লিম জি-হিওন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ খুব কম ঘুমায়। আশা করি এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানুষ বিশ্রাম নেওয়া এবং ঘুমের সুফল সম্পর্কে সচেতন হবে। ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারীদের তাদের সবচেয়ে আরামদায়ক পোশাক পরে আসতে বলা হয়েছিল। প্রতিযোগিতার স্থানে দেওয়া এয়ার কোচে শুয়ে ঘুমাতে হয়েছে তাদের। প্রতিযোগিদের প্রত্যেককে ঘুমাতে হয়েছে দেড় ঘণ্টা।

অংশগ্রহণকারী অনেকের মধ্যেই ছিলো বেশ উচ্ছ্বাসের সুর। একজন বলেন, সাধারণত আমরা সপ্তাহজুড়েই অনেক কাজ করি। ক্লান্ত হলেও ঘুমাতে পারি না। প্রতিযোগিতাটি দারুণ, ঘুমাতে পারবো শুনে এতে অংশ নিতে এসেছি। কার ঘুম কত ভালো তা নির্ধারণ করা হয়েছে হার্ট রেটের পার্থক্য পরিমাপ করে। রাতে বেশি ঘুমায় ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা। অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বাসিন্দারা ঘুমায় সবচেয়ে কম।