শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

চীনের কয়েকটি প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা

#
news image

অবিরাম বর্ষণের কারণে চীনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি প্রদেশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এই অঞ্চলগুলো তেকে কয়েক লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার দুটি প্রদেশে বন্যা সতর্কতা বাড়িয়েছে। কারণ নদীর পানি দু’কূল প্লাবিত করছে এবং পানির স্তর গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় গাড়ি ভেসে যাচ্ছে এবং নদীতে দড়ি ফেলে মানুষদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
চীনা আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের পর এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নদীর তীরে এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্চ ভূমিতে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গুয়াংডং প্রদেশের শাওগুয়ান শহরটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কর্মকর্তারা এখানে বন্যা সতর্কতা সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘোষণা করেছেন। গত মে মাসের শেষের দিক থেকে শহরটি  রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে। গুয়াংডংয়ের কিংইয়ুয়ান শহরেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
গুয়াংডং এবং গুয়াংসিকে ঘিরে থাকা নিচু পার্ল নদীর অববাহিকায় বৃষ্টির কারণে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন ও জাহাজীকরণ ব্যাহত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ৯টি জেলার ৪ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার কারণে এই এলাকার ৪৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে এবং সাত কোটি ২০ লাখ ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৩ জুন, ২০২২,  12:42 AM

news image

অবিরাম বর্ষণের কারণে চীনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি প্রদেশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এই অঞ্চলগুলো তেকে কয়েক লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার দুটি প্রদেশে বন্যা সতর্কতা বাড়িয়েছে। কারণ নদীর পানি দু’কূল প্লাবিত করছে এবং পানির স্তর গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় গাড়ি ভেসে যাচ্ছে এবং নদীতে দড়ি ফেলে মানুষদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
চীনা আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের পর এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নদীর তীরে এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্চ ভূমিতে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গুয়াংডং প্রদেশের শাওগুয়ান শহরটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কর্মকর্তারা এখানে বন্যা সতর্কতা সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘোষণা করেছেন। গত মে মাসের শেষের দিক থেকে শহরটি  রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে। গুয়াংডংয়ের কিংইয়ুয়ান শহরেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
গুয়াংডং এবং গুয়াংসিকে ঘিরে থাকা নিচু পার্ল নদীর অববাহিকায় বৃষ্টির কারণে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন ও জাহাজীকরণ ব্যাহত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ৯টি জেলার ৪ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার কারণে এই এলাকার ৪৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে এবং সাত কোটি ২০ লাখ ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।