শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

 রংপুরের বিদায়, ফাইনালে কুমিল্লার মুখোমুখি বরিশাল

#
news image

সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্সকে অনেকটা হেসে-খেলে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে দ্বিতীয় দল হিসেবে পা রেখেছে তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল। শামীম পাটোয়ারীর ঝড়ো ইনিংসটি বাঁচাতে পারেনি রংপুরকে। ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য পেরিয়ে যায় বরিশাল। 

মিরপুরে ১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং মেহেদী মিরাজ। তবে ৮ বল খেলে ২ চারের মারে ১০ রান করে আবু হায়দার রনির বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। ১ বল পর মিরাজকেও এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলেন রনি। এরপর সৌম্য সরকারকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। সৌম্য ১ ছয় ২ চারের মারে ১৮ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফিরলেও মুশফিক ক্রিজে ছিলেন অনড়।

কাইল মায়ার্সকে নিয়ে ৫০ রানের আরো একটি কার্যকর জুটি গড়েন মি. ডিপেন্ডবল। ১৫ বলে তিনটি ওভার বাউন্ডারি এবং একটি চারের মারে ২৮ রান করে বিদায় নেন মায়ার্স। এরপর ডেভিড মিলারকে নিয়ে বাকি কাজ সারেন মুশফিকুর রহিম। মুশি ৩৮ বলে ৬ চার এবং ১ ছয়ের সাহায্যে ৪৭ রানে এবং ডেভিড মিলার ১৮ বলে ২ চার ১ ছয়ের সাহায্যে ২২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ফাইনালে উঠিয়ে মাঠ ছাড়েন। রংপুরের হয়ে বোলিংয়ে ২ উইকেট নেন আবু হায়দার। একটি করে উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি ও মোহাম্মদ নবী।

এর আগে, বুধবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। মাত্র ১০ রান তুলতেই সাকিব আল হাসান ও ওপেনার মাহেদি হাসানকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। এরপর রনি তালুকদারও ফেরেন দলীয় ১৮ রানে। সাকিব ১, মেহেদি ২ ও রনি করেন ৮ রান। জেমস নিশাম ২৮ ও নিকোলাস পুরান ৩ রানে ফিরে যান। মোহাম্মাদ নবী ১২ রানে আউট হন। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ১৪ রানে ফিরে যান। ১৪.২ ওভারে ৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে রংপুর। 

তবে এরপর শামিম পাটোয়ারী ক্রিজে এসে ঝড় তোলেন। মাত্র ২৪ বলে সমান ৫টি করে চার ও ছক্কায় অপরাজিত ৫৯ রান করেন এই ব্যাটার। তার সঙ্গে ১ ছয়ের মারে ৯ বলে ১২ রান করে অপরজিত থাকেন আবু হায়দার রনি। ৭ উইকেট হারিয়ে শেষপর্যন্ত ১৪৯ রান করতে সমর্থ হয় রংপুর রাইডার্স। 

বরিশালের হয়ে বোলিংয়ে ফুলার ৩টি, সাইফউদ্দিন ২টি এবং কাইল মায়ার্স ও মেহেদি হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেট লাভ করেন। অপরাজিত ৪৭ রান এবং ৪ টি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা বরিশালের মুশফিকুর রহিম।

আগামী ১ মার্চ (শুক্রবার) শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল।

নাগরিক স্পোর্টস ডেস্ক

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  2:43 AM

news image

সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্সকে অনেকটা হেসে-খেলে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে দ্বিতীয় দল হিসেবে পা রেখেছে তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল। শামীম পাটোয়ারীর ঝড়ো ইনিংসটি বাঁচাতে পারেনি রংপুরকে। ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য পেরিয়ে যায় বরিশাল। 

মিরপুরে ১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং মেহেদী মিরাজ। তবে ৮ বল খেলে ২ চারের মারে ১০ রান করে আবু হায়দার রনির বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। ১ বল পর মিরাজকেও এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলেন রনি। এরপর সৌম্য সরকারকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। সৌম্য ১ ছয় ২ চারের মারে ১৮ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফিরলেও মুশফিক ক্রিজে ছিলেন অনড়।

কাইল মায়ার্সকে নিয়ে ৫০ রানের আরো একটি কার্যকর জুটি গড়েন মি. ডিপেন্ডবল। ১৫ বলে তিনটি ওভার বাউন্ডারি এবং একটি চারের মারে ২৮ রান করে বিদায় নেন মায়ার্স। এরপর ডেভিড মিলারকে নিয়ে বাকি কাজ সারেন মুশফিকুর রহিম। মুশি ৩৮ বলে ৬ চার এবং ১ ছয়ের সাহায্যে ৪৭ রানে এবং ডেভিড মিলার ১৮ বলে ২ চার ১ ছয়ের সাহায্যে ২২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ফাইনালে উঠিয়ে মাঠ ছাড়েন। রংপুরের হয়ে বোলিংয়ে ২ উইকেট নেন আবু হায়দার। একটি করে উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি ও মোহাম্মদ নবী।

এর আগে, বুধবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। মাত্র ১০ রান তুলতেই সাকিব আল হাসান ও ওপেনার মাহেদি হাসানকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। এরপর রনি তালুকদারও ফেরেন দলীয় ১৮ রানে। সাকিব ১, মেহেদি ২ ও রনি করেন ৮ রান। জেমস নিশাম ২৮ ও নিকোলাস পুরান ৩ রানে ফিরে যান। মোহাম্মাদ নবী ১২ রানে আউট হন। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ১৪ রানে ফিরে যান। ১৪.২ ওভারে ৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে রংপুর। 

তবে এরপর শামিম পাটোয়ারী ক্রিজে এসে ঝড় তোলেন। মাত্র ২৪ বলে সমান ৫টি করে চার ও ছক্কায় অপরাজিত ৫৯ রান করেন এই ব্যাটার। তার সঙ্গে ১ ছয়ের মারে ৯ বলে ১২ রান করে অপরজিত থাকেন আবু হায়দার রনি। ৭ উইকেট হারিয়ে শেষপর্যন্ত ১৪৯ রান করতে সমর্থ হয় রংপুর রাইডার্স। 

বরিশালের হয়ে বোলিংয়ে ফুলার ৩টি, সাইফউদ্দিন ২টি এবং কাইল মায়ার্স ও মেহেদি হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেট লাভ করেন। অপরাজিত ৪৭ রান এবং ৪ টি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা বরিশালের মুশফিকুর রহিম।

আগামী ১ মার্চ (শুক্রবার) শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল।