শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

রাজশাহীতে থানার কাছেই পুলিশকে যুবকের ছুরিকাঘাত

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার মোড়ে ফিরোজ আহম্মেদ (৩৮) নামের এক পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেছে এক যুবক। আজ রোববার বেলা ১টা ৫০মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহত ফিরোজ আহম্মেদ (৩৮) দুর্গাপুর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। এদিকে ধাওয়া করে অভিযুক্ত যুবক সেলিম রেজাকে (২৫) ধরে পুলিশে দিয়েছে পথচারীরা। সেলিম উপজেলার হোজা গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। তবে কী কারণে ওই যুবক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করল এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সদস্য ফিরোজ আহম্মেদ মোটরসাইকেলে পুলিশের ড্রেস পরিহিত অবস্থায় থানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসছিলেন। এ সময় ওই যুবক দৌড়ে গিয়ে তার তাঁর বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন। তখন ওই পুলিশ সদস্য ফিরোজ মোটরসাইকেল দ্রুত টেনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছু দূরে যেতেই তিনি পড়েন যান। পরে পথচারী ও থানার পুলিশের সহযোগিতায় তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার তামান্না খানম বলেন, তার বুকের ডান পাঁজরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অনেকটাই জখম হয়েছেন। রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার স্বাস্থ্যর অবনতি দেখে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


এদিকে ধাওয়া করে ছুরি হাতে আটক করার পর থানায় কথা বলার সময় সেলিম জানান, তিনি আপেল খাওয়ার জন্য ছুরিটি কিনেছিলেন। ওই পুলিশ সদস্যকে ইচ্ছে করে ছুরিকাঘাত করেননি। কীভাবে যেন লেগে গেছে।
অপরদিকে আহত পুলিশ সদস্য ফিরোজ আহম্মেদের কাছে সহকর্মীরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ওই যুবককে আমি চিনি না। কোনো দিন দেখিও নি। থানা থেকে বের হতেই একটা যুবক দৌড়ে এসে ছুরিকাঘাত করেন। দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কী কারণে ওই পুলিশ সদস্যকে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে রাস্তায় ছুরিকাঘাত করল এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ তাঁরা একে অপরকে কেউ চিনে না। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এম. শাহাবুদ্দিন, দুর্গাপুর, রাজশাহী

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  7:13 PM

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার মোড়ে ফিরোজ আহম্মেদ (৩৮) নামের এক পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেছে এক যুবক। আজ রোববার বেলা ১টা ৫০মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহত ফিরোজ আহম্মেদ (৩৮) দুর্গাপুর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। এদিকে ধাওয়া করে অভিযুক্ত যুবক সেলিম রেজাকে (২৫) ধরে পুলিশে দিয়েছে পথচারীরা। সেলিম উপজেলার হোজা গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। তবে কী কারণে ওই যুবক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করল এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সদস্য ফিরোজ আহম্মেদ মোটরসাইকেলে পুলিশের ড্রেস পরিহিত অবস্থায় থানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসছিলেন। এ সময় ওই যুবক দৌড়ে গিয়ে তার তাঁর বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন। তখন ওই পুলিশ সদস্য ফিরোজ মোটরসাইকেল দ্রুত টেনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছু দূরে যেতেই তিনি পড়েন যান। পরে পথচারী ও থানার পুলিশের সহযোগিতায় তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার তামান্না খানম বলেন, তার বুকের ডান পাঁজরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অনেকটাই জখম হয়েছেন। রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার স্বাস্থ্যর অবনতি দেখে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


এদিকে ধাওয়া করে ছুরি হাতে আটক করার পর থানায় কথা বলার সময় সেলিম জানান, তিনি আপেল খাওয়ার জন্য ছুরিটি কিনেছিলেন। ওই পুলিশ সদস্যকে ইচ্ছে করে ছুরিকাঘাত করেননি। কীভাবে যেন লেগে গেছে।
অপরদিকে আহত পুলিশ সদস্য ফিরোজ আহম্মেদের কাছে সহকর্মীরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ওই যুবককে আমি চিনি না। কোনো দিন দেখিও নি। থানা থেকে বের হতেই একটা যুবক দৌড়ে এসে ছুরিকাঘাত করেন। দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কী কারণে ওই পুলিশ সদস্যকে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে রাস্তায় ছুরিকাঘাত করল এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ তাঁরা একে অপরকে কেউ চিনে না। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।