শিরোনামঃ
নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

পাকিস্তানে জোট সরকার গঠনের তাগিদ সেনাপ্রধান জেনারেল মুনিরের

#
news image

পাকিস্তানে ৮ ফেব্রুয়ারির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির(জাতীয় পরিষদ) নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে নি কোনও দল। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখন সরকার গঠনে বিভিন্ন দলের সমর্থন ও জোট গঠনে তৎপর।

ডন জানায়, শনিবার দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির বলেছেন, ‘ পাকিস্তানের বৈচিত্র্যময় রাজনীতি ও বহুত্ববাদ সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ সরকারের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ প্রতিফলিত হওয়া উচিত।’

আইএসপিআরের মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে জেনারেল মুনির আরও বলেন, ‘নির্বাচন জয়-পরাজয়ের শূন্য-সমষ্টি নয় বরং গণরায় নির্ধারণের একটি মহড়া। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও তাদের কর্মীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের শাসন ও সেবা করার প্রচেষ্টাকে একত্রিত করা উচিত, যা গণতন্ত্রকে কার্যকরী ও উদ্দেশ্যমূলক করার একমাত্র উপায় হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ও গণতন্ত্র পাকিস্তানের জনগণের সেবা করার উপায়।’ জেনারেল আসিম মুনির সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য পাকিস্তানি জাতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসিপি), রাজনৈতিক দল ও বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রয়োগে পাকিস্তানের জনগণের অবাধ ও বাধাহীন অংশগ্রহণ সংবিধানে বর্ণিত গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি তাদের অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘পাকিস্তানের জনগণ যেহেতু সংবিধানের প্রতি তাদের সম্মিলিত আস্থা রেখেছে, এখন রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও ঐক্যের সঙ্গে এর প্রতিদান দেওয়া সব রাজনৈতিক দলের কর্তব্য। ২৫ কোটি মানুষের এই প্রগতিশীল দেশের জন্য নৈরাজ্য ও দলাদলি রাজনীতির পরিবর্তে ঐক্যের প্রয়োজন।’

নাগরিক আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  2:00 AM

news image

পাকিস্তানে ৮ ফেব্রুয়ারির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির(জাতীয় পরিষদ) নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে নি কোনও দল। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখন সরকার গঠনে বিভিন্ন দলের সমর্থন ও জোট গঠনে তৎপর।

ডন জানায়, শনিবার দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির বলেছেন, ‘ পাকিস্তানের বৈচিত্র্যময় রাজনীতি ও বহুত্ববাদ সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ সরকারের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ প্রতিফলিত হওয়া উচিত।’

আইএসপিআরের মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে জেনারেল মুনির আরও বলেন, ‘নির্বাচন জয়-পরাজয়ের শূন্য-সমষ্টি নয় বরং গণরায় নির্ধারণের একটি মহড়া। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও তাদের কর্মীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের শাসন ও সেবা করার প্রচেষ্টাকে একত্রিত করা উচিত, যা গণতন্ত্রকে কার্যকরী ও উদ্দেশ্যমূলক করার একমাত্র উপায় হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ও গণতন্ত্র পাকিস্তানের জনগণের সেবা করার উপায়।’ জেনারেল আসিম মুনির সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য পাকিস্তানি জাতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসিপি), রাজনৈতিক দল ও বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রয়োগে পাকিস্তানের জনগণের অবাধ ও বাধাহীন অংশগ্রহণ সংবিধানে বর্ণিত গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি তাদের অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘পাকিস্তানের জনগণ যেহেতু সংবিধানের প্রতি তাদের সম্মিলিত আস্থা রেখেছে, এখন রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও ঐক্যের সঙ্গে এর প্রতিদান দেওয়া সব রাজনৈতিক দলের কর্তব্য। ২৫ কোটি মানুষের এই প্রগতিশীল দেশের জন্য নৈরাজ্য ও দলাদলি রাজনীতির পরিবর্তে ঐক্যের প্রয়োজন।’