শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

আ. লীগের নেতাকর্মী ছাড়া কেউ বাড়িঘরে থাকতে পারছে না: রিজভী

#
news image

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার বাণিজ্যের তাণ্ডবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়া গ্রাম-গঞ্জে, মফস্বল জনপদে কেউ বাড়িঘরে থাকতে পারছে না। এ কারণে কেউ ব্যবসা বাণিজ্য, কাজকর্ম করতে পারছে না। পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন থাকায় অসংখ্য পরিবারকে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে।’ শনিবার (১৮ নভেম্বর) ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘চোর-ডাকাত দিয়ে ভিন্ন কোনও উপায়ে ভোট করতে মরিয়া আওয়ামী লীগ সরকার। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কেমন হবে তা দেশবাসী জানে। বাঘ তার ডোরা কাটা দাগ ফেলে আসতে পারে না।’

‘পুলিশের এখন পৌষ মাস, আর জাতির সর্বনাশ’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আটক করে কারও কাছ থেকে ১ লাখ, কারও কাছ থেকে ৫০ হাজার, ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিতে না পারলে মিথ্যা মামলায় জেলখানায় নিক্ষেপ করছে।’

এসব করে পার পাওয়া যাবে না জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘জনগণ রাজপথে নেমেছে অধিকার আদায়ের দুর্বার আন্দোলনে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে সরকারের পতন হবে। আপনারা যে তফসিল ঘোষণা করেছেন তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন। নির্বাচন স্থগিত করে আগে পদত্যাগ করুন। না হলে এই ফরমায়েশি তফসিলে বাংলাদেশে একতরফা নির্বাচন হবে না। জনগণ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করবে।’

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পরিস্থিতি তুলে ধরে রিজবী বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা হয়েছে সাতটি। আসামি করা হয়েছে ৯৭৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে (এজাহার নামীয়সহ অজ্ঞাত)। মোট আহত ১২ জন।’

এছাড়া ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে এর চার-পাঁচ দিন আগে থেকে এখন পর্যন্ত মোট গ্রেফতার ১৩ হাজার ২১০ জনের বেশি নেতাকর্মী। মামলা হয়েছে ২৯৬টির বেশি। ৪ হাজার ১৩৩ জনের বেশি আহত হয়েছেন। একজন সাংবাদিকসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান রিজভী।

নাগরিক ডেস্ক

১৯ নভেম্বর, ২০২৩,  2:25 AM

news image

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার বাণিজ্যের তাণ্ডবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়া গ্রাম-গঞ্জে, মফস্বল জনপদে কেউ বাড়িঘরে থাকতে পারছে না। এ কারণে কেউ ব্যবসা বাণিজ্য, কাজকর্ম করতে পারছে না। পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন থাকায় অসংখ্য পরিবারকে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে।’ শনিবার (১৮ নভেম্বর) ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘চোর-ডাকাত দিয়ে ভিন্ন কোনও উপায়ে ভোট করতে মরিয়া আওয়ামী লীগ সরকার। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কেমন হবে তা দেশবাসী জানে। বাঘ তার ডোরা কাটা দাগ ফেলে আসতে পারে না।’

‘পুলিশের এখন পৌষ মাস, আর জাতির সর্বনাশ’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আটক করে কারও কাছ থেকে ১ লাখ, কারও কাছ থেকে ৫০ হাজার, ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিতে না পারলে মিথ্যা মামলায় জেলখানায় নিক্ষেপ করছে।’

এসব করে পার পাওয়া যাবে না জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘জনগণ রাজপথে নেমেছে অধিকার আদায়ের দুর্বার আন্দোলনে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে সরকারের পতন হবে। আপনারা যে তফসিল ঘোষণা করেছেন তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন। নির্বাচন স্থগিত করে আগে পদত্যাগ করুন। না হলে এই ফরমায়েশি তফসিলে বাংলাদেশে একতরফা নির্বাচন হবে না। জনগণ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করবে।’

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পরিস্থিতি তুলে ধরে রিজবী বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা হয়েছে সাতটি। আসামি করা হয়েছে ৯৭৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে (এজাহার নামীয়সহ অজ্ঞাত)। মোট আহত ১২ জন।’

এছাড়া ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে এর চার-পাঁচ দিন আগে থেকে এখন পর্যন্ত মোট গ্রেফতার ১৩ হাজার ২১০ জনের বেশি নেতাকর্মী। মামলা হয়েছে ২৯৬টির বেশি। ৪ হাজার ১৩৩ জনের বেশি আহত হয়েছেন। একজন সাংবাদিকসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান রিজভী।