শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ: মাদারীপুরের সাবেক এসপিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

#
news image

মাদারীপুরে কনস্টেবল পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপারসহ (এসপি) ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বুধবার দুপুরে দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলার আসামিরা হলেন মাদারীপুরের সাবেক এসপি সুব্রত কুমার হালদার, সাবেক কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন, জাহিদুল ইসলাম, বরিশালের মুলাদীর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত আবদুল মান্নান সরদারের ছেলে টিএসআই গোলাম রহমান, মাদারীপুর পুলিশ হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল সহকারী পিয়াস বালা ও মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি গ্রামের মৃত সফিউদ্দিন ফরাজীর ছেলে হায়দার ফরাজী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ মে কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

একই বছরের ২৬ জুন ৩১ জন পুরুষ ও ২৩ জন নারীকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বিশেষ দল একাধিকবার তদন্তে নামে।

দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, কনস্টেবল পদে নিয়োগ বাণিজ্যের ঘটনায় মামলা হয়েছে। খুব শিগগির আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

জানা গেছে, মাদারীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের সংযুক্ত আছেন। কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন ও জাহিদুল ইসলাম বরখাস্ত, পিয়াস বালা চাকরিচ্যুত এবং হায়দার ফরাজী পলাতক। তবে গোলাম রহমানের বর্তমান অবস্থান সর্ম্পকে জানা যায়নি।

নাগরিক ডেস্ক

০৬ জুলাই, ২০২৩,  11:52 PM

news image

মাদারীপুরে কনস্টেবল পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপারসহ (এসপি) ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বুধবার দুপুরে দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলার আসামিরা হলেন মাদারীপুরের সাবেক এসপি সুব্রত কুমার হালদার, সাবেক কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন, জাহিদুল ইসলাম, বরিশালের মুলাদীর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত আবদুল মান্নান সরদারের ছেলে টিএসআই গোলাম রহমান, মাদারীপুর পুলিশ হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল সহকারী পিয়াস বালা ও মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি গ্রামের মৃত সফিউদ্দিন ফরাজীর ছেলে হায়দার ফরাজী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ মে কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

একই বছরের ২৬ জুন ৩১ জন পুরুষ ও ২৩ জন নারীকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বিশেষ দল একাধিকবার তদন্তে নামে।

দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, কনস্টেবল পদে নিয়োগ বাণিজ্যের ঘটনায় মামলা হয়েছে। খুব শিগগির আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

জানা গেছে, মাদারীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের সংযুক্ত আছেন। কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন ও জাহিদুল ইসলাম বরখাস্ত, পিয়াস বালা চাকরিচ্যুত এবং হায়দার ফরাজী পলাতক। তবে গোলাম রহমানের বর্তমান অবস্থান সর্ম্পকে জানা যায়নি।