শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

দলমত নির্বিশেষে সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি

#
news image

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আজ দেশের সর্বোচ্চ পদে তাঁর দায়িত্ব পালনে দল-মত নির্বিশেষে সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা কামনা করেছেন। পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে তিনি পাবনা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ছাত্র রাজনীতিসহ তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করেন। ওই সময়ে ছাত্র রাজনীতির সাথে তাঁর সাংবাদিকতা পেশার যথেষ্ট সামঞ্জস্য ছিল। অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার বাণী থেকে তাঁর সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল। মোঃ সাহাবুদ্দিন সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতির কথা স্মরণ করতে গিয়ে অনেক মেধাবী সাংবাদিক ও বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের নেতাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

ছাত্রনেতা হিসেবে ছাত্রজীবনের বিভিন্ন দিক ও মতাদর্শের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, কোনো সমাজ ব্যবস্থা ধার করা যায় না।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের আকাক্সক্ষার ভিত্তিতে সমাজ গড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমি অনেক মতবাদ দেখেছি, কিন্তু শেখ মুজিবের আদর্শ বা মুজিববাদকে হৃদয়ে ধারণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ওই সময়ে অন্য কোন মতবাদ কার্যকরী ছিল না, একমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিন্তাধারা ও আদর্শই সঠিকভাবে কাজ করছিল। তাঁর নেতৃত্বে, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশকে স্বাধীন করি।’ রাষ্ট্রপতি এ সময় তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিমন্থন করে বলেন, ‘আমি এই প্রেসক্লাবে অনেক গৌরবময় ও উজ্জ্বল দিন অতিবাহিত করেছি।’   

তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি বিভিন্ন সময়ে মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং কোন প্রকার উপহার বা উৎকোচ গ্রহণ না করে ৭০-৭৫ জনকে চাকরি দিয়েছি। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আরো বলেন, ‘আমি সব সময়ই ত্যাগের রাজনীতি করেছি এবং কোন ধরনের রাজনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য সম্পৃক্ত হইনি।’

মোঃ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং এটি রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর প্রথম পাবনা সফর এর আগে রাষ্ট্রপতি পাবনা প্রেসক্লাবে পৌঁছালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান।

পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শিবজিৎ নাগ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি ও সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে বিএসআইসি শিল্প এলাকায় ‘স্কয়ার লাইফসায়েন্স লিমিটেড’-এর ফলক উন্মোচন করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাঁর সচিবগণ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের চারদিনের পাবনা সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ সকালে তিনি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) পরিদর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি সেখানে পৌঁছালে স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এস চৌধুরী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড এবং স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাষ্ট্রপতি স্কয়ার লাইফ সায়েন্সেস লিমিটেডের উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেন।

নাগরিক প্রতিবেদক

১৬ মে, ২০২৩,  5:50 PM

news image

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আজ দেশের সর্বোচ্চ পদে তাঁর দায়িত্ব পালনে দল-মত নির্বিশেষে সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা কামনা করেছেন। পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে তিনি পাবনা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ছাত্র রাজনীতিসহ তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করেন। ওই সময়ে ছাত্র রাজনীতির সাথে তাঁর সাংবাদিকতা পেশার যথেষ্ট সামঞ্জস্য ছিল। অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার বাণী থেকে তাঁর সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল। মোঃ সাহাবুদ্দিন সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতির কথা স্মরণ করতে গিয়ে অনেক মেধাবী সাংবাদিক ও বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের নেতাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

ছাত্রনেতা হিসেবে ছাত্রজীবনের বিভিন্ন দিক ও মতাদর্শের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, কোনো সমাজ ব্যবস্থা ধার করা যায় না।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের আকাক্সক্ষার ভিত্তিতে সমাজ গড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমি অনেক মতবাদ দেখেছি, কিন্তু শেখ মুজিবের আদর্শ বা মুজিববাদকে হৃদয়ে ধারণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ওই সময়ে অন্য কোন মতবাদ কার্যকরী ছিল না, একমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিন্তাধারা ও আদর্শই সঠিকভাবে কাজ করছিল। তাঁর নেতৃত্বে, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশকে স্বাধীন করি।’ রাষ্ট্রপতি এ সময় তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিমন্থন করে বলেন, ‘আমি এই প্রেসক্লাবে অনেক গৌরবময় ও উজ্জ্বল দিন অতিবাহিত করেছি।’   

তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি বিভিন্ন সময়ে মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং কোন প্রকার উপহার বা উৎকোচ গ্রহণ না করে ৭০-৭৫ জনকে চাকরি দিয়েছি। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আরো বলেন, ‘আমি সব সময়ই ত্যাগের রাজনীতি করেছি এবং কোন ধরনের রাজনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য সম্পৃক্ত হইনি।’

মোঃ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং এটি রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর প্রথম পাবনা সফর এর আগে রাষ্ট্রপতি পাবনা প্রেসক্লাবে পৌঁছালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান।

পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শিবজিৎ নাগ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি ও সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে বিএসআইসি শিল্প এলাকায় ‘স্কয়ার লাইফসায়েন্স লিমিটেড’-এর ফলক উন্মোচন করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাঁর সচিবগণ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের চারদিনের পাবনা সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ সকালে তিনি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) পরিদর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি সেখানে পৌঁছালে স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এস চৌধুরী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড এবং স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাষ্ট্রপতি স্কয়ার লাইফ সায়েন্সেস লিমিটেডের উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেন।