শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল

রাজধানীতে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে শিশু ও নারীসহ দগ্ধ ১০

#
news image

রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলা বাজারে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে শিশু ও নারীসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে দগ্ধ হন একই পরিবারের তিনজন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন বার্ন ইউনিটে এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এ- প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

একই পরিবারের দগ্ধরা হলেন- আবদুর রহিম (৫০), তার মেয়ে মিম আক্তার (২২) ও নাতি আলিফ (২)। এছাড়াও অপর দগ্ধরা হলেন- মো. সোহেল (৪৮), মেহেদী হাসান (২২), আলী হোসেন (৫২), রাশেদ মিয়া (৩২), শাহারা বেগম (৬৫) ও মিজানুর রহমান (৩২)। অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।

দগ্ধ আবদুর রহিমের ছেলে আল-আমিন বলেন, তাদের বাসা ও দোকান ধূপখোলা বাজারে। বাসার পাশেই মুদি দোকান। ওই দোকানে তার বাবা আ. রহিম বসে ছিলেন। আর পাশেই ছিল তার বোন ও বোনের শিশু সন্তান। দোকানের সামনের রাস্তায় তিতাস গ্যাস লাইনের কাজ চলছিল। সকালে হঠাৎ সেখান বিস্ফোরণ হয়। এতে তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। গত কয়েকদিন ধরেই তিতাসের লাইন মেরামতের কাজ চলছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটের কর্তব্যরত এক চিকিৎসক বলেন, ধূপখোলা বাজার থেকে প্রথমে তিনজন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে দুই বছরের এক শিশু রয়েছে। আবদুর রহিমের শরীরের ৩০ শতাংশ, তার মেয়ে মিমের ২০ শতাংশ ও শিশুটি সামান্য দগ্ধ হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলা বাজারে রাস্তার গ্যাস লাইনে কাজ করার সময় লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনসহ ৮ জন দগ্ধ হয়েছেন।

বাচ্চু মিয়া জানান, গেণ্ডারিয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে প্রথমে তিনজন, পরে আরও পাঁচ জনসহ ৮ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। তারা সবাই পুরাতন বার্ন ইউনিট ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এ- প্লাস্টির সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নাগরিক প্রতিবেদক

০১ মে, ২০২৩,  3:21 PM

news image

রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলা বাজারে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে শিশু ও নারীসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে দগ্ধ হন একই পরিবারের তিনজন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন বার্ন ইউনিটে এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এ- প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

একই পরিবারের দগ্ধরা হলেন- আবদুর রহিম (৫০), তার মেয়ে মিম আক্তার (২২) ও নাতি আলিফ (২)। এছাড়াও অপর দগ্ধরা হলেন- মো. সোহেল (৪৮), মেহেদী হাসান (২২), আলী হোসেন (৫২), রাশেদ মিয়া (৩২), শাহারা বেগম (৬৫) ও মিজানুর রহমান (৩২)। অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।

দগ্ধ আবদুর রহিমের ছেলে আল-আমিন বলেন, তাদের বাসা ও দোকান ধূপখোলা বাজারে। বাসার পাশেই মুদি দোকান। ওই দোকানে তার বাবা আ. রহিম বসে ছিলেন। আর পাশেই ছিল তার বোন ও বোনের শিশু সন্তান। দোকানের সামনের রাস্তায় তিতাস গ্যাস লাইনের কাজ চলছিল। সকালে হঠাৎ সেখান বিস্ফোরণ হয়। এতে তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। গত কয়েকদিন ধরেই তিতাসের লাইন মেরামতের কাজ চলছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটের কর্তব্যরত এক চিকিৎসক বলেন, ধূপখোলা বাজার থেকে প্রথমে তিনজন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে দুই বছরের এক শিশু রয়েছে। আবদুর রহিমের শরীরের ৩০ শতাংশ, তার মেয়ে মিমের ২০ শতাংশ ও শিশুটি সামান্য দগ্ধ হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলা বাজারে রাস্তার গ্যাস লাইনে কাজ করার সময় লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনসহ ৮ জন দগ্ধ হয়েছেন।

বাচ্চু মিয়া জানান, গেণ্ডারিয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে প্রথমে তিনজন, পরে আরও পাঁচ জনসহ ৮ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। তারা সবাই পুরাতন বার্ন ইউনিট ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এ- প্লাস্টির সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন।