শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল

জাতীয় ঈদগাহে চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা : ডিএমপি কমিশনার

#
news image

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহে চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক। 

ঈদের দিন নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা জায়নামাজ ছাড়া কোন ধরনের ব্যাগ বা সামগ্রী সঙ্গে আনতে পারবেন না বলেও জানান তিনি। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহে ডিএমপি’র গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

সম্মানিত নাগরিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আগামীকাল বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সারাদেশে লাখ লাখ মুসলমান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। ঢাকা শহরে অসংখ্য জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তারমধ্যে অন্যতম বৃহৎ ঈদের জামাত জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, কূটনীতিক, বিদেশি কূটনীতিক, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিসহ দেশের অনেক সন্মানিত নাগরিকবৃন্দ নামাজ পড়তে আসবেন।  প্রায় ৩৫ হাজার লোক একত্রে এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন,‘জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগে থেকেই ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সিটিটিসির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হচ্ছে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। জাতীয় ঈদগাহে স্থাপিত অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে রিয়েল টাইম মনিটরিং করা হবে। জাতীয় ঈদগাহে আর্চওয়ে গেট স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক মুসুল্লিকে আর্চওয়ে গেটের মাধ্যমে ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে।

ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের একটু আগে আসার অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদগাহে প্রবেশের পূর্বে সবাইকে তল্লাশি করা হবে। এজন্য গেটে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হলেও সবাই ধৈর্য্যসহকারে পুলিশকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট কোন প্রকার হুমকি নেই। এখানে সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে, তাই আমাদের এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।’

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মুহা. আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম ও উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিক প্রতিবেদক

২১ এপ্রিল, ২০২৩,  11:41 PM

news image

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহে চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক। 

ঈদের দিন নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা জায়নামাজ ছাড়া কোন ধরনের ব্যাগ বা সামগ্রী সঙ্গে আনতে পারবেন না বলেও জানান তিনি। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহে ডিএমপি’র গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

সম্মানিত নাগরিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আগামীকাল বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সারাদেশে লাখ লাখ মুসলমান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। ঢাকা শহরে অসংখ্য জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তারমধ্যে অন্যতম বৃহৎ ঈদের জামাত জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, কূটনীতিক, বিদেশি কূটনীতিক, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিসহ দেশের অনেক সন্মানিত নাগরিকবৃন্দ নামাজ পড়তে আসবেন।  প্রায় ৩৫ হাজার লোক একত্রে এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন,‘জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগে থেকেই ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সিটিটিসির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হচ্ছে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। জাতীয় ঈদগাহে স্থাপিত অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে রিয়েল টাইম মনিটরিং করা হবে। জাতীয় ঈদগাহে আর্চওয়ে গেট স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক মুসুল্লিকে আর্চওয়ে গেটের মাধ্যমে ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে।

ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের একটু আগে আসার অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদগাহে প্রবেশের পূর্বে সবাইকে তল্লাশি করা হবে। এজন্য গেটে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হলেও সবাই ধৈর্য্যসহকারে পুলিশকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট কোন প্রকার হুমকি নেই। এখানে সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে, তাই আমাদের এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।’

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মুহা. আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম ও উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।