শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

২৬ মাস পর কলকাতা থেকে খুলনায় এলো ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’

#
news image

করোনা সংক্রমণের কারণে দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ফের চালু হলো কলকাতা-খুলনা রুটে যাতায়াতকারী ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেন। গতকাল রোববার ১৯ জন যাত্রী নিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি কলকাতা থেকে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল রেলস্টেশন ম্যানেজার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সপ্তাহে দুদিনÑগতকাল রোববার ও বৃহস্পতিবার এ ট্রেনটি কলকাতা থেকে খুলনায় যাতায়াত করবে। বন্ধন এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য দুটি ক্যাটাগরি আসন রয়েছেÑএকটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস, অন্যটি চেয়ার কোচ। এক্সিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া এক হাজার ২০০ রুপি এবং চেয়ার কোচের ভাড়া ৮০০ রুপি। এ ছাড়া ভ্রমণ শুল্ক হিসাবে দিতে হয় আরও সাড়ে ৪০০ রুপি। এদিন সকালে ট্রেন ছাড়ার আগে প্রত্যেক যাত্রীর শরীর তল্লাশি করা হয়। তাদের মোবাইল, ওয়ালেট, ঘড়িসহ সবকিছু একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে গোটা শরীর চেক করেন বিএসএফ কর্মকর্তারা। এ সময় অতিরিক্ত মালপত্র বহনের জন্য অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করা হয়। সে ক্ষেত্রে কোনো যাত্রীর কাছে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত মালামাল থাকলে, প্রতি কেজিতে দুই মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি দিতে হচ্ছে। এরপর সেখানে তাদের টিকিটে সিল মেরে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হয়। সেখানেও আরেক বার পরীক্ষা করে ট্রেনে প্রবেশ করানো হয়। ট্রেন ছাড়ার আগে স্নিফার ডগ দিয়ে পুরো ট্রেনে তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ প্রায় ২৬ মাস পর ট্রেন চলছেÑস্বভাবতই যাত্রীদের মধ্যেও ছিল উচ্ছ্বাস। টিকিট পেতে যাত্রীদের কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রথম দিনে যাত্রী সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম, মাত্র ১৯ জন। ট্রেনটির ৪৫৬ আসনের মধ্যে ৩১২টি এসি চেয়ার এবং ১৪৪টি প্রথম শ্রেণির আসন। কলকাতা-খুলনার মধ্যে দূরত্ব ১৭২ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশে পড়েছে ৯৫ কিলোমিটার, ভারতে পড়েছে ৭৭ কিলোমিটার। ‘বন্ধন এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছাবে। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে রওনা দিয়ে পৌঁছাবে ১২টা ৩০ মিনিটে। খুলনা থেকে আবার যাত্রী নিয়ে দুপুর দেড়টায় রওনা দিয়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে। পরে বেনাপোলে রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (রাজশাহী জোন) সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘দীর্ঘ দুই বছর করোনার কারণে বন্ধন এক্সপ্রেস বন্ধ থাকার পর আজ চালু হয়েছে। আগত যাত্রীদের আমরা ফুল দিয়ে বরণ করেছি। বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় যাত্রীদের আনন্দ লক্ষ করা গেছে। আজ যাত্রী কম থাকলেও দু-একদিনের মধ্যে যাত্রী বেড়ে যাবে।’বেনাপোল স্টেশন ম্যানেজার মো. সাইদুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ দুই বছর পর ফের বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হলো। ট্রেনটি আজ দুপুর ১টায় খুলনা রেলস্টেশনে প্রবেশ করে। এবং খুলনা থেকে ৪৪ যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি পুনরায় খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। গতকাল কলকাতা থেকে যে ১৯ যাত্রী এসেছে, তাদের মধ্যে ১০ জন ভারতীয়, বাকিরা বাংলাদেশি।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৯ মে, ২০২২,  10:19 PM

news image

করোনা সংক্রমণের কারণে দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ফের চালু হলো কলকাতা-খুলনা রুটে যাতায়াতকারী ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেন। গতকাল রোববার ১৯ জন যাত্রী নিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি কলকাতা থেকে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল রেলস্টেশন ম্যানেজার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সপ্তাহে দুদিনÑগতকাল রোববার ও বৃহস্পতিবার এ ট্রেনটি কলকাতা থেকে খুলনায় যাতায়াত করবে। বন্ধন এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য দুটি ক্যাটাগরি আসন রয়েছেÑএকটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস, অন্যটি চেয়ার কোচ। এক্সিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া এক হাজার ২০০ রুপি এবং চেয়ার কোচের ভাড়া ৮০০ রুপি। এ ছাড়া ভ্রমণ শুল্ক হিসাবে দিতে হয় আরও সাড়ে ৪০০ রুপি। এদিন সকালে ট্রেন ছাড়ার আগে প্রত্যেক যাত্রীর শরীর তল্লাশি করা হয়। তাদের মোবাইল, ওয়ালেট, ঘড়িসহ সবকিছু একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে গোটা শরীর চেক করেন বিএসএফ কর্মকর্তারা। এ সময় অতিরিক্ত মালপত্র বহনের জন্য অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করা হয়। সে ক্ষেত্রে কোনো যাত্রীর কাছে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত মালামাল থাকলে, প্রতি কেজিতে দুই মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি দিতে হচ্ছে। এরপর সেখানে তাদের টিকিটে সিল মেরে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হয়। সেখানেও আরেক বার পরীক্ষা করে ট্রেনে প্রবেশ করানো হয়। ট্রেন ছাড়ার আগে স্নিফার ডগ দিয়ে পুরো ট্রেনে তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ প্রায় ২৬ মাস পর ট্রেন চলছেÑস্বভাবতই যাত্রীদের মধ্যেও ছিল উচ্ছ্বাস। টিকিট পেতে যাত্রীদের কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রথম দিনে যাত্রী সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম, মাত্র ১৯ জন। ট্রেনটির ৪৫৬ আসনের মধ্যে ৩১২টি এসি চেয়ার এবং ১৪৪টি প্রথম শ্রেণির আসন। কলকাতা-খুলনার মধ্যে দূরত্ব ১৭২ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশে পড়েছে ৯৫ কিলোমিটার, ভারতে পড়েছে ৭৭ কিলোমিটার। ‘বন্ধন এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছাবে। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে রওনা দিয়ে পৌঁছাবে ১২টা ৩০ মিনিটে। খুলনা থেকে আবার যাত্রী নিয়ে দুপুর দেড়টায় রওনা দিয়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে। পরে বেনাপোলে রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (রাজশাহী জোন) সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘দীর্ঘ দুই বছর করোনার কারণে বন্ধন এক্সপ্রেস বন্ধ থাকার পর আজ চালু হয়েছে। আগত যাত্রীদের আমরা ফুল দিয়ে বরণ করেছি। বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় যাত্রীদের আনন্দ লক্ষ করা গেছে। আজ যাত্রী কম থাকলেও দু-একদিনের মধ্যে যাত্রী বেড়ে যাবে।’বেনাপোল স্টেশন ম্যানেজার মো. সাইদুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ দুই বছর পর ফের বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হলো। ট্রেনটি আজ দুপুর ১টায় খুলনা রেলস্টেশনে প্রবেশ করে। এবং খুলনা থেকে ৪৪ যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি পুনরায় খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। গতকাল কলকাতা থেকে যে ১৯ যাত্রী এসেছে, তাদের মধ্যে ১০ জন ভারতীয়, বাকিরা বাংলাদেশি।