শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

বশেমুরবিপ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর আত্নহত্যা

#
news image

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মো. রাসেলের স্ত্রী, নোভা ইয়াসমিন আনিফা।

মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের নবিনবাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিয়ের পর থেকেই তিনি ঐ এলাকায় স্বামীর সাথে বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তার স্বামী মো. রাসেল একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ২০১৬-১৭ বর্ষের শিক্ষার্থী।

মেয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, করোনাকালীন সময়ে তারা প্রেমের সূত্রে জড়ান। পরে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঐ ছেলের সাথে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের বিষয়টি মেয়ের পরিবার জানলেও, ছেলের পরিবারে কিছুই জানায় নি রাসেল। তবে তার স্বামীর সাথে তাদের এলাকার এক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং রাসেল প্রায়ই তার স্ত্রীকে (আনিফা) মানসিক নির্যাতন করত বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে স্বামী মো. রাসেল বলেন, আমি ওর মৃত্যুর সময়ে দীর্ঘক্ষণ বাইরে ছিলাম। সকালে ওকে স্বাভাবিক অবস্থায় ঘরে রেখে যাই। তবে দুপুরে বাসায় এসে ঘরের দরজা খোলা পাই এবং ওকে ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। আমার সাথে ওর কোন ঝগড়া ছিল না। তবে কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার এক হুজুরের মেয়ের নাম্বার থেকে ফোন আসলে ওর সাথে বাকবিতন্ডা তৈরি হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমরা জানার পরেই ঘটনাস্থলে যাই। তবে মেয়ের পরিবার এখনও গোপালগঞ্জে আসেনি। তারা আসলে আলোচনা তাদের সাথে সাপেক্ষে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পাঠিয়েছি। তার স্বামীকে তদন্তের সুবিধার্থে আমরা পুলিশি হেফাজতে নিয়েছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

কৌশিক দাশ, বশেমুরবিপ্রবি

০১ মার্চ, ২০২৩,  10:38 AM

news image

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মো. রাসেলের স্ত্রী, নোভা ইয়াসমিন আনিফা।

মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের নবিনবাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিয়ের পর থেকেই তিনি ঐ এলাকায় স্বামীর সাথে বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তার স্বামী মো. রাসেল একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ২০১৬-১৭ বর্ষের শিক্ষার্থী।

মেয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, করোনাকালীন সময়ে তারা প্রেমের সূত্রে জড়ান। পরে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঐ ছেলের সাথে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের বিষয়টি মেয়ের পরিবার জানলেও, ছেলের পরিবারে কিছুই জানায় নি রাসেল। তবে তার স্বামীর সাথে তাদের এলাকার এক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং রাসেল প্রায়ই তার স্ত্রীকে (আনিফা) মানসিক নির্যাতন করত বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে স্বামী মো. রাসেল বলেন, আমি ওর মৃত্যুর সময়ে দীর্ঘক্ষণ বাইরে ছিলাম। সকালে ওকে স্বাভাবিক অবস্থায় ঘরে রেখে যাই। তবে দুপুরে বাসায় এসে ঘরের দরজা খোলা পাই এবং ওকে ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। আমার সাথে ওর কোন ঝগড়া ছিল না। তবে কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার এক হুজুরের মেয়ের নাম্বার থেকে ফোন আসলে ওর সাথে বাকবিতন্ডা তৈরি হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমরা জানার পরেই ঘটনাস্থলে যাই। তবে মেয়ের পরিবার এখনও গোপালগঞ্জে আসেনি। তারা আসলে আলোচনা তাদের সাথে সাপেক্ষে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় তদন্ত কর্মকর্তা শীতল চন্দ্র পাল বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পাঠিয়েছি। তার স্বামীকে তদন্তের সুবিধার্থে আমরা পুলিশি হেফাজতে নিয়েছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷