শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

রাষ্ট্রপতি পদ লাভজনক নয়, ‘অবান্তর’ বিতর্ক অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি

#
news image

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন ব্যক্তিকে নিয়ে ‘অবান্তর’ কোনো বিতর্ক অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে মোঃ সাহাবুদ্দিনের কোনো ধরনের অযোগ্যতা নেই বলেও জানান তিনি।

বুধবার ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এসব কথা বলেন।

একক প্রার্থী থাকায় সোমবার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ সাহাবুদ্দিনকে ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। দুদকের আইন অনুযায়ী, কমিশনাররা লাভজনক কোনো পদে যেতে পারেন না। রাষ্ট্রপতি পদ লাভজনক, নাকি লাভজনক নয়, তা নিয়ে একটি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আলমগীর জানান, রাষ্ট্রপতি পদ লাভজনক নয়। পরের দিন এ নিয়ে আবার কথা বললেন সিইসি।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাহাবুদ্দিন একসময় জেলা ও দায়রা জজ ছিলেন। পরে তিনি দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তির প্রশ্নে (যদি) এ ধরনের অবান্তর বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়, সেটা হবে অনাকাক্সিক্ষত।’

সংবিধান, আইন ও আদালতের রায় পর্যালোচনা করে নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে মোঃ সাহাবুদ্দিনের কোনো ধরনের অযোগ্যতা নেই।

এ নিয়ে ১৯৯৬ সালের সাহাবুদ্দীন আহমদ বনাম আবু বকর সিদ্দিক মামলাটির রায়ের আদেশ পড়ে শোনান সিইসি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘বিচারপতি সাহাবুদ্দীন নির্বাচিত হয়েছিলেন, নিয়োগপ্রাপ্ত হননি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা দেখলাম, প্রথমত স্পষ্টত কোনো আইনগত অযোগ্যতা নেই। এই কারণে, ৯ ধারায় (দুদক আইনের) বলেছে, কোনো লাভজনক পদে নিয়োগ লাভে যোগ্য হবেন না। আমরা কিন্তু এখান থেকে প্রার্থীকে নিয়োগ দান করিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দান করেননি। প্রধান বিচারপতিও নিয়োগ দান করেননি। কেউ নিয়োগ দান করেননি এবং কেউ নিয়োগ দান করতে পারেন না। উনি নির্বাচিত হয়েছেন। আইন তাকে নির্বাচিত করেছে প্রচলিত প্রথা অনুসরণ করে।’

নাগরিক প্রতিবেদক

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  4:33 PM

news image

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন ব্যক্তিকে নিয়ে ‘অবান্তর’ কোনো বিতর্ক অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে মোঃ সাহাবুদ্দিনের কোনো ধরনের অযোগ্যতা নেই বলেও জানান তিনি।

বুধবার ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এসব কথা বলেন।

একক প্রার্থী থাকায় সোমবার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ সাহাবুদ্দিনকে ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। দুদকের আইন অনুযায়ী, কমিশনাররা লাভজনক কোনো পদে যেতে পারেন না। রাষ্ট্রপতি পদ লাভজনক, নাকি লাভজনক নয়, তা নিয়ে একটি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আলমগীর জানান, রাষ্ট্রপতি পদ লাভজনক নয়। পরের দিন এ নিয়ে আবার কথা বললেন সিইসি।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাহাবুদ্দিন একসময় জেলা ও দায়রা জজ ছিলেন। পরে তিনি দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তির প্রশ্নে (যদি) এ ধরনের অবান্তর বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়, সেটা হবে অনাকাক্সিক্ষত।’

সংবিধান, আইন ও আদালতের রায় পর্যালোচনা করে নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে মোঃ সাহাবুদ্দিনের কোনো ধরনের অযোগ্যতা নেই।

এ নিয়ে ১৯৯৬ সালের সাহাবুদ্দীন আহমদ বনাম আবু বকর সিদ্দিক মামলাটির রায়ের আদেশ পড়ে শোনান সিইসি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘বিচারপতি সাহাবুদ্দীন নির্বাচিত হয়েছিলেন, নিয়োগপ্রাপ্ত হননি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা দেখলাম, প্রথমত স্পষ্টত কোনো আইনগত অযোগ্যতা নেই। এই কারণে, ৯ ধারায় (দুদক আইনের) বলেছে, কোনো লাভজনক পদে নিয়োগ লাভে যোগ্য হবেন না। আমরা কিন্তু এখান থেকে প্রার্থীকে নিয়োগ দান করিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দান করেননি। প্রধান বিচারপতিও নিয়োগ দান করেননি। কেউ নিয়োগ দান করেননি এবং কেউ নিয়োগ দান করতে পারেন না। উনি নির্বাচিত হয়েছেন। আইন তাকে নির্বাচিত করেছে প্রচলিত প্রথা অনুসরণ করে।’